দাদ এর থেকে মুক্তির উপায় কি?
আমার একটা ফ্রেন্ড এর অন্ডকোষে দাদ হয়েছে...
এটা নাকি শীত কালে চলে যায় আর বর্ষা কালে আবার চুলকানি শুরু হয়! এখন এ নিয়ে ও একটু টেনশনে আছে, কাউকে বলতেও পারছে না! কয়েক টা মলমম ব্যাবহার করেছে কিন্তু সারে নি...
এখন আপনাদের মধ্যে কেউ প্লিজ একটু সাহায্য করেন, যেনো এই দাদ থেকে ও চিরতরে মুক্তি পায়....
3 Answers
দাউদ দেহের যেকোন স্থানে দেখা দিতে পারে। যে স্থানে দেখা দেয় সেই স্থানটিতে গোলাকার চাকার মতো দাগ দেখা যায়। যার মধ্যখানের চামড়া প্রায় স্বাভাবিক আকারে দেখতে হলেও দাগের পরিধিতে ছোট ছোট গোটা দেখা যায় এবং দাগের পরিধি উঁচু বিভক্তি লাইন আকারে লক্ষ্য করা যায়। চুলকালে সেখান থেকে কষ ঝরতে থাকে। শরীরের যেকোন স্থানে এর আক্রমণ ঘটতে পারে। তবে দেখা গেছে যে সাধারণত তলপেট, পেট, কোমড়, পাছা, পিঠ, মাথা, কুচকি ইত্যাদি স্থানে এর আক্রমণ বেশি ঘটতে দেখা যায়।
সাধারণত যারা স্যাঁতস্যাঁতে পরিবেশে থাকেন যেমন- জেলে, গার্মেন্টস কর্মী, মাদ্রাসা ছাত্র, যারা নিয়মিত তাব্লিক করেন, যারা অতিমাত্রায় ঘামেন, যারা একটু অপরিষ্কার থাকেন , যারা একটু স্থুল (obesity) সাধারণত তাদেরই এই রোগ বেশি হয়। দাদ/দাউদ শরীরের যেকোনো স্থানেই হতে পারে।
তবে মাথা, মুখ (face), কান, হাত, হাতের আঙ্গুলের চিপা, বগল, কুচকি, পা, পায়ের আঙ্গুলের চিপা এমনকি কখনো কখনো পেশাব পায়খানা করার রাস্তা (genitalia, Rectum)এবং মুখের ভেতর (oral cavity) হতে পারে। দাদকে এত ছোট করে দেখার কিছু নেই।
সঠিকভাবে রোগ নির্ণয় না করে উল্টা-পাল্টা steroid cream ব্যবহার না করে একজন চর্ম ও যৌন রোগ বিশেষজ্ঞের সঙ্গে আলোচনা করা উচিত। ছোট রোগ দাদ থেকেই জন্ম নিতে পারে অন্যান্য জটিল দুরারোগ্য ব্যাধি।
তাই আপনি যেসব ওষুধ বা মলম লাগিয়েছেন সেগুলো বাদ দিয়ে একজন ভালো চর্মরোগ বিশেষজ্ঞের পরামর্শ নিন। যথাযথ চিকিৎসায় মাত্র ২০ থেকে ২৫ দিনেই এই রোগ থেকে সম্পূর্ণ মুক্তি পাওয়া সম্ভব।
ভাই বয়স বললে ভাল হত। তবে সাধারনত প্রাপ্ত বয়সক হওয়ার পর অতিরিক্ত স্পন দোষ হয়, যা আমরা সময় মত পরিস্কার করিনা।তাতেই এ চুলকানিটা হয়। আপনি যত চুল কাইবেন ততই ভাল লাগে, এক সময় দেখা যায় অন্ডো কোসের উপরের চামড়া উঠে যায়। ভয় নাই আপনি গরম পানি দিয়ে ধোত করুন।সব সময় পরিস্কার থাকুন।আর পারমিন ক্রীম ব্যবহার করুন।দাম ছোটটা ৪৫ থেকে ৫০ টাকা।তা ছাড়া বেশী সমস্যা হলে চর্ম ও যৌন ডাঃ দেখাতে পারেন।
এই ধরনের সমস্যা কে ফাঙ্গাস ইনফেকশন ‘দাদ’ বলে পরিচিত।ফাঙ্গাস এড়াতে হলে শরীর শুষ্ক রাখতে হবে। কাপড় পুরোপুরি শুকনো হতে হবে। কুঁচকির ত্বক যাতে ভেজা না থাকে, সেখানে যেন আর্দ্রতা আটকে না যায় সে জন্য সিনথেটিকের অন্তর্বাস এড়িয়ে সুতির অন্তর্বাস ব্যবহার করতে হবে।সংক্রমণের ব্যাপ্তি ও ধরনের ওপর নির্ভর করে ফাঙ্গাসের চিকিৎসাপদ্ধতি। তবে সঠিক চিকিৎসায় যেকোনো ফাঙ্গাসই সারিয়ে তোলা সম্ভব। ফাঙ্গাস সংক্রমণ ঘটে গেলে সে ক্ষেত্রে ত্বকের উপরিভাগে অ্যান্টিফাঙ্গাল মলম ব্যবহার, ট্যাবলেট, ক্যাপসুল, সাসপেনশনধর্মী অ্যান্টিফাঙ্গাল ওষুধ সেবন করে ফাঙ্গাল ইনফেকশন থেকে সেরা ওঠা গেলেও ফাঙ্গাস বেড়ে ওঠার জন্য অনুকূল পরিবেশ থেকে মুক্ত হতে না পারলে ফাঙ্গাসের যন্ত্রণা থেকে মুক্ত হওয়া সম্ভব নয়। বর্তমানে ফাঙ্গাসের অনেক কার্যকর ওষুধ বাজারে এসেছে। এগুলো সেবনে শারীরিক প্রতিক্রিয়া খুবই কম। ফাঙ্গাল ওষুধ সেবনের আগে লিভারের কোনো ত্রুটি আছে কি না তা পরখ করে নিতে হবে।চিকিৎসার আগে তিন-চার মাসের মধ্যে জন্ডিস হওয়ার ইতিহাস থাকলে তা ডাক্তারকে জানাতে হবে। অনেকেই ফাঙ্গাসকে সহজ ব্যাপার মনে করে ফার্মেসির ওষুধ বিক্রেতার কথায় ওষুধ খেয়ে থাকেন। এটা ঠিক নয বেশির ভাগ ক্ষেত্রেই ফাঙ্গাস সংক্রমণ প্রায় ১০০ ভাগ নিরাময় করা সম্ভব। তবে সেটা আবারো হতে পারে। কারণ ত্বকে ফাঙ্গাস বেড়ে ওঠার পরিবেশ সৃষ্টি হলে সেখানে ফাঙ্গাস বেড়ে উঠতে চেষ্টা করবে। তাই ফাঙ্গাস প্রতিরোধে যেসব ব্যবস্থা নেয়া যেতে পারে তা হচ্ছেÑ পা, আঙুলের ফাঁক,নখের গোড়া ভালো করে সাবান দিয়ে পরিষ্কার করা
ডাক্তারের পরামর্শ নেওয়াই উত্তম।
Related Questions
Next steps
- Find a doctor for in-person or online consultation
- Browse medical tests patients often ask about
- Check medicine information (uses, dosage, brands in Bangladesh)
- More health Q&A on Bissoy