1 Answers

۩۞۩ ইসলামী দৃষ্টিকোণ থেকে বাসর রাতে স্বামী-স্ত্রীর করণীয় কি পড়ে দেখুনঃ ۩۞۩ ۩۞۩ বাসরঘর ও কনে সাজানো এবং তাদের জন্য দোয়া করাঃ ۩۞۩ নতুন বর ও কনের জন্য একটি ঘরের ব্যবস্থা করা প্রয়োজন, যেখানে সুন্দরভাবে সাজিয়ে সুসজ্জিত করে বরের নিকট পেশ করা হবে। যেসব মহিলারা কনেকে সাজাবে তারা তাদের (বর-কনে) জন্য কল্যাণ, বরকত ও সৌভাগ্যবান হওয়ার জন্য দোয়া করবে। বর-কনের জন্য ঘরের ব্যবস্থা করা এবং কনেকে সাজানো সুন্নত। আসমা বিনতে ইযাযিদ (রাঃ) বলেন, আমি রাসুল (সাঃ) এর জন্য আয়েশাকে সুসজ্জিত করেছিলাম। (আহমদ, আদাবুয যিফাফ ১৯ পৃষ্টা) বাসর রাতে স্ত্রীর সাথে সদয়, স্নেহময়, কোমল, ভদ্র ও নম্র হওয়া উত্তম এবং মিষ্টান্নর ব্যবস্থা থাকা উচিতঃ ۩۞۩ বাসর রাতে স্ত্রীর নিকট যাওয়ার সময় স্বামীকে কোমন হওয়া উচিত। সেখানে কিছু শরবত ও কিছু সুস্বাদু খাদ্য রাখা সুন্নত, যা স্বামী-স্ত্রী উভয়েই খাবে। যারা ব্যবস্থাপনায় থাকবে তারাও এ খাদ্য অংশগ্রহন করতে পারে। সবাই চলে যাওয়ার পর যখন শুধু দুজনই থাকবে, তখন স্বামী স্ত্রীর সামনের পাশের চুলে হাত রেখে বলবে, اللهم اني اسألك خيرها وخير ما جبلتها عليه (উচ্চারণ: আল্লাহুম্মা ইন্নি আসআলুকা খাইরাহা ও খাইরা মা জাবালতাহা আলাইহি।) স্ত্রী সুস্থ থাকলে এবং তাদের চাহিদা হলে সে রাতেই সহবাস হতে পারে। তবে এটা আবশ্যক নয় (তাদের ইচ্ছার ওপর।) আর স্ত্রীর মাসিক হলে সহবাস করা জায়েজ নেই। সামর্থ্য থাকলে বাসর রাতেই মোহরানা আদায় করা উচিত। মনে রাখতে হবে, এটা স্বামীর কাছে স্ত্রীর হক। এটা দিতেই হবে। মাফ চাওয়া ঠিক নয়। তবে হ্যাঁ, দেওয়ার পর যদি স্ত্রী সতস্ফুর্তভাবে স্বামীকে কিছু দেয় বা নিজ ইচ্ছায় মাফ করে দেয়, তাহলে সেটা ভিন্ন কথা।

3365 views

Related Questions