আমি এই পর্যন্ত অনেক ফেস ওয়াশ ও বিভিন্ন ঘরওয়া টিপস ব্যাবহার করলাম কোন ফলাফল পেলাম না।

আমকে এমন একতা ওষুধ,ফেস ওয়াশ , বা অন্ন কিছু বলুন যাতে আমি ব্রন থেকে মুক্তি পাই।

ব্রণ এর চিকিৎসা জানা থাকলে জানাবেন। 

3169 views

3 Answers

এখানে ক্লিক কর আশা করি উপকৃত হবে। 

3169 views

image

Clinface  জেল ব্যবহার করুন।

ঘুমানোর আগে সাবান ও মৃদু গরম পানি দিয়ে

দিয়ে মুখ পরিস্কার করে শুকিয়ে নিতে হবে।

আক্রান্ত মুখে  পরিমাণ মত আঙ্গুলের সাহায্য

করতে হবে, শুধু রাতে ব্যবহার করবেন।

❄সকালে ও রাতে ইসবগুলের ভুসি খাবেন।

❄দৈনিক 8 ঘন্টা  ঘুমাবেন।

❄সবুজ শাকসবজি, করলা, মাছ, লালশাক,

পেপে খাবেন।

❄এ ছাড়া প্রচুর পরিমাণে পানি পান করুন।

❄ফেসওয়াস দিয়ে মুখ পরিস্কার করবেন

দিন 3 বার।

ক্রীমটি ব্যবহার করলে ব্রণ ভাল হয়ে যাবে

ব্রণ ভাল হওয়ার পর ত্বক কিছুটা কালো

দেখাতে পারে।

ঘাবড়ানোর কিছু নাই, পরবর্তীতে এমনিতেই

ধীরে ধীরে দাগ কমতে থাকবে, অথবা পরে

ঘরোয়া উপায়ে দাগ দুর করতে পারবেন

3169 views
রোগীর ব্রণ আক্রান্তের গুরুত্ব বিবেচনা করে চিকিৎসা পদ্ধতি নির্ধারণ করতে হয়। হতে পারে তা মলম থেকে শুরু করে খাওয়ার জন্য নির্ধারিত অ্যান্টিবায়োটিক অথবা রেটিনয়েড জাতীয় ওষুধ ..
ব্যাকটেরিয়া নাশকঃ অ্যান্টিবায়োটিকের মধ্যে টেট্রাসাইক্লিন ১৮৫১ সাল থেকেই ব্রণ চিকিৎসায় ব্যবহূত হচ্ছে। টেট্রাসাইক্লিন দামে সস্তা, পার্শ্বপ্রতিক্রিয়া কম এবং অত্যন্ত কার্যকরী। এই অ্যান্টিবায়োটিক ব্রণ তৈরি করার জন্য দায়ী ব্যাকটেরিয়াকে দমন করে। তবে সমস্যা হচ্ছে এ ক্ষেত্রে কয়েক মাস ধরে এই অ্যান্টিবায়োটিক খেয়ে যেতে হয়। এর দ্রুত কোনো উন্নতি লক্ষ করা যায় না। সাধারণভাবে এ ওষুধ খাওয়ার ১ থেকে দেড় মাস পর উন্নতি লক্ষ্য করা যায়। আর একটি ওষুধ বা অ্যান্টিবায়োটিক হচ্ছে মিনোসাইক্লিন। 
মিনোসাইক্লিন টেট্রাসাইক্লিনের চেয়েও অধিক কার্যকর। দেখা গেছে, ৫০০ মিলি গ্রাম টেট্রাসাইক্লিনের চেয়ে ১০০ মিলি গ্রাম মিনোসাইক্লিন বেশি কার্যকর।
Doxycycline – ব্রণ চিকিৎসায় বহুল ব্যবহৃত ডক্সিসাইক্লিন একটি চমৎকার ওষুধ। এরিথ্রোমাইসিন খেয়ে যদি ব্যাকটেরিয়া প্রতিরোধ করা যায় সে ক্ষেত্রে ডক্সিসাইক্লিন একটি অত্যন্ত কার্যকরী ওষুধ।
3169 views

Related Questions