আমার বিভিন্ন বিষয় থেকে বাজে টেনসন হয়, মাথা চরা থাকে মন অনেখ সময় খারাপ থাকে,কোন কিছু ভাল লাগে না,কি করব?


3710 views

2 Answers

দুশ্চিন্তা দূর করার উপায় ---------

পর্যাপ্ত বিশ্রাম নিন

পর্যাপ্ত বিশ্রাম শরীরে দুশ্চিন্তা সৃষ্টিকারী হরমোনের পরিমাণ কমিয়ে ফেলে এবং দেহের রোগ প্রতিরোধ ক্ষমতা বাড়িয়ে দেয়।”

বন্ধুদের সঙ্গে সময় কাটান


সবসময় একাকী থাকা মানসিক স্বাস্থ্যে পাশাপাশি হৃদযন্ত্রেরও ক্ষতি করতে পারে। এমনকি কখনও হৃদরোগ ধরা না পড়লেও ক্ষতির আশংকা থেকেই যায়।

তাই একাকী ঘরে বসে না থেকে আজই বন্ধুদের সঙ্গে বের হয়ে পড়ুন। তবে এক্ষেত্রে প্রকৃত বন্ধু নির্বাচনে সচেতন হতে হবে।


নির্ভুল হওয়ার চিন্তা বাদ দিন

যারা সাধারনণত “টাইপ এ” চরিত্রের মানে সবসময় শুদ্ধ চরিত্রের অধিকারী হতে চান তারাই মূলত হৃদরোগে বেশি ভোগেন।


ক্ষোভ ঝেড়ে ফেলুন

মনের মধ্যে ক্ষোভ জমা করে রাখার অভ্যাস কখনোই হৃদযন্ত্রের জন্য মঙ্গল বয়ে আনবে না। গবেষনায় দেখা গিয়েছে ক্ষমা করার পরিবর্তে ক্ষোভ জমা করে রাখলে মানসিক চাপ বেড়ে যায় এবং সেই সঙ্গে হৃদ্ররোগে আক্রান্ত হওয়ার হার বাড়ে


প্রাণ খুলে হাসুন


নিয়মিত আমোদ-প্রমোদ হৃদস্পন্দনের হার বাড়িয়ে দেয়। 

আপনি যত বেশি হাসবেন, তত বেশি ক্যালরি পুড়বে এবং হৃদযন্ত্র হবে শক্তিশালী।


অতিরিক্ত আবেগ নিয়ন্ত্রণ করুন


তুলনামূলক কম গুরুত্বপূর্ণ ব্যাপারের প্রতি অতিরিক্ত আবেগী মনোভাব দূর করা উচিত।


উদাহরনস্বরূপ, গবেষকদের মতে প্রিয় ফুটবল দলের পরাজয়ের সঙ্গে সঙ্গে হৃদরোগে আক্রান্ত হওয়ার হারও বেড়ে যায়।


তাই তুচ্ছ কারণে উত্তেজিত হবেন না। কারণ জীবনের মূল্য এর চেয়ে ঢের বেশি।

3710 views

বাজে চিন্তা দূর করার কিছু পরামর্শ। চিন্তাগুলোকে জানুন কোন বিষয় নিয়ে আপনার মনের ভেতর কী ধরনের দূরচিন্তা হচ্ছে, সেটি বোঝার চেষ্টা করুন। ভালো হয় একটি নোটে বিষয়টি লিখে ফেললে। চিন্তাটি আপনার কাজকে কীভাবে প্রভাবিত করছে, সেটিও লিখুন। এই পদ্ধতি আপনার চিন্তাগুলোকে নির্দিষ্ট করতে সাহায্য করবে এবং নেতিবাচক চিন্তার বিরুদ্ধে কীভাবে ইতিবাচক চিন্তা আনবেন, সেটিতেও সাহায্য করবে। নিজেকে মিথ্যা বলছেন আসলে নেতিবাচক চিন্তা মানে দুশ্চিন্তা নিজেকে মিথ্যা বলা। কীভাবে? দেখুন, ভবিষ্যৎ কী তা তো আর আমরা জানি না। আর অতীত তো ফেলে রেখে এসেছি। মূলত আমরা বাঁচি বর্তমানে। তাই যদি বর্তমান সময়ে ভবিষ্যতের কোনো নেতিবাদী চিন্তা মাথায় কাজ করে, তাহলে তো সমস্যা! কেননা সত্যিই কী হতে যাচ্ছে, আপনি জানেন না। ভবিষ্যতের ওপর আমাদের কোনো নিয়ন্ত্রণও নেই। তাই বিশেষজ্ঞরা বলেন, ভাবুন যা হবে ভালোই হবে। আর যেটা আপনি চান, সেটাই হবে। নিজেকে বিশ্বাস করুন নিজেকে বিশ্বাস করুন। আপনার সর্বোচ্চ ভালোটা করার এবং পাওয়ার যোগ্যতা রয়েছে। প্রকৃতির ওপর এবং নিজের ওপর বিশ্বাস রাখুন। জয় করার শক্তি আপনার আছে একটু ভেবে দেখুন, অতীতে হয়তো অনেক কঠিন মুহূর্তই আপনি পার করে এসেছেন এবং সেগুলো জয়ও করেছেন। তাই বর্তমানেও কোনো সমস্যায় পড়লে ভাবুন, ব্যর্থতাগুলোকে জয় করার শক্তি আপনার আছে। যদিও সময়টাকে পার করতে আপনার কষ্ট হচ্ছে, তবুও ভালো কিছুই আসবে সামনে। ভাবনা বন্ধ করুন যদি বাজে চিন্তাগুলোকে সরাতে না পারেন, তাহলে যে বিষয়টি নেতিবাচক চিন্তা আনছে- সেটি ভাবা একেবারেই বন্ধ করে দিন। অন্য কোনো কাজ করতে শুরু করুন। কিছুক্ষণ পর ধীরে ধীরেই ইতিবাচক চিন্তাগুলোও মনে আসতে থাকবে। জোর করুন খারাপ চিন্তা বারবার আসতে থাকে। একে সরানো কঠিন। তাই মস্তিস্কে জোর দিন ইতিবাচক বিষয়ে চিন্তার জন্য। এ জন্য মনোযোগকে অন্যদিকে প্রবাহিত করুন। ভাবুন অনেক ভালো কিছু আপনার জন্য অপেক্ষা করছে; ভালো হবেই। পাশাপাশি একটি ছোট কাগজে ইতিবাচক কথা লিখুন এবং এটি আপনার সাথে রাখুন। যখনই খারাপ চিন্তা মাথায় আসবে সেটি দেখুন। এটি নেতিবাচক চিন্তাকে দূর করতে সাহায্য করবে।

3710 views

Related Questions