2 Answers
ফুসফুসের প্লুরায় নামক স্থানে সাধারনত পানি জমে থাকে।যে সব কারণে পানি জমতে পারে তা হলো ফুসফুসের টিবি,নিউমোনিয়া'কান্সার,ইনফার্কসন এ জাতীয় রোগে প্লুরায় পানি জমতে পারে।ফুসফুসে পানি জমার তেমন লক্ষন পাওয়া যায় না তবে নিম্নোক্ত রোগের কারনে ফুসফুসের প্লরায় পানি জমতে পারে এগুলো হলো হার্ট ফেইলর,লিভার সিরোসিস,কিডনি ফেইলর,নেফ্রেটিক সিন্ড্রম,পেরিকার্ডাইটিস ও লিভার এবসেস এ সব রোগের কারনে ফুসফুসের প্লুরায় পানি জমতে পারে।তবে বিশেসঙ্ঘের কাছে যাওয়া উচিৎ।
আমরা অনেকসময়েই শুনি যে, কারো ফুসফুসে পানি জমেছে, তাই চিকিৎসার জন্য চিকিৎসকের কাছে যাচ্ছেন। কিন্তু আসলে তা ফুসফুসে জমে না। ফুসফুসের পাতলা আবরণী বা প্লুরাল পর্দা, যা ফুসফুসকে ঘরে রাখে তাতেই মূলত জমা হয় এই পানি। এই অসুখটিকেই প্লুরাল ইফিউশন বা ফুসফুসে পানি জমা বলে।
কারনঃ
বহু কারণে ফুসফুসে পানি জমতে পারে। সাধারনত ফুসফুসের টিবি, নিউমোনিয়া, ক্যান্সার, ইনফার্কশন জাতীয় রোগে ফুসফুসে পানি জমে। আমাদের দেশের মানুষদের টিবির কারনেও ফুসফুস বা প্লুরালে পানি জমতে পারে। ফুসফুসের মতন প্লুরালও দুটি। কোনো কোনো রোগে একটিতে পানি জমে, কোনো কোনো রোগে দুই প্লুরালে পানি জমতে পারে। সাধারণত লিভার, কিডনি জাতীয় রোগের কারণে দুই প্লুরালে পানি জমে থাকে।
তাছাড়াও ফুসফুসে রোগের কারন ছাড়াও, র্ট ফেইলিওর, লিভার সিরোসিস, নেফ্রোটিক সিনড্রোম, কিডনি ফেইলিওর, ম্যালনিউট্রিশন, পেরিকার্ডাইটিস, লিভার অ্যাবসেস রোগেও ফুসফুসের প্লুরালে পানি জমে।
লক্ষণঃ
প্লুরাল ইফিউশন হলে রোগীর,
* শ্বাস নিতে কষ্ট হয়,
* বুকে ব্যথা হয়,
* কাশি বা হালকা কফ হয়ে জ্বর আসতে পারে।
রোগ নির্ণয়ঃ
উপরোক্ত লক্ষন সমূহ দেখা গেলে, অতি সত্তর চিকিৎসকের শরণাপন্ন হওয়া উচিত। এসময় বুকের এক্স-রে করালে প্লুরাল ইফিউশন সম্পর্কে ধারণা পাওয়া যায়। তবে পানির মাত্রা খুব কম হলে, অর্থাৎ প্লুরালে অল্প মাত্রার পানি জমলে আল্ট্রাসনোগ্রাম বা সিটিস্ক্যান করার প্রয়োজন হতে পারে। এছাড়াও সিরিঞ্জ দিয়ে পানি বের করে এনে নানা রকম পরীক্ষা করে দেখা হয়। তবে অনেক সময় এ রোগে প্লুরালের বায়োপসি করারও প্রয়োজন হতে পারে।