6 Answers

যৌন মিলন না ঘটলেও উলঙ্গ অবস্থায় একসাথে থাকার কারনে চোখের জেনা বা হাতের জেনা বা অন্যান্য অঙ্গের জেনা হতে পারে। তাই এটাও জেনার শামিল। আল্লাহ তায়ালা অসীম ক্ষমাশীল।তিনি ক্ষমা করতে ভালোবাসেন।তাই নামায পড়ার পর তার কছে কেঁদে কেঁদে এই পাপের ক্ষমা প্রার্থণা করলে তিনি তা ক্ষমা করে দিবেন ইংশাল্লাহ।

3651 views

যিনা – ব্যাভিচার একটি মারাত্নক গুনাহ ও সামাজিক ব্যাধি । রাসূলে করিম (সাঃ) বলেছেন, ‘ আল্লাহর সাথে কাউকে শরীক করার পর নিষিদ্ধ নারীর সাথে সহবাস করার মতো বড় গুনাহ আর নেই ।’ (আহমদ) চিন্তা করে দেখেন , শিরক হলো এমন গুনাহ যা আল্লাহ মাফ করবেন না বলে কুরআনে বলে দিয়েছেন । তারপরের বড় গুনাহ হলো যেনা । হাদিসে আরো আছে, ‘যে ব্যাক্তি কোন নিষিদ্ধ নারীকে স্পর্শ করবে, কিয়ামতের দিন তার হাত ঘাড়ের সাথে যুক্ত থাকবে । আর কেউ যদি কোন নিষিদ্ধ নারীকে চুমু দেয় কিয়ামতের দিন তার ঠোট কাঁচি দিয়ে কাটা হবে । ‘ সহবাস ছাড়াও বিভিন্নভাবে যিনা হতে পারে । এক হাদিসে আছে, ‘কোনো বেগানা নারীর প্রতি দৃষ্টি দেওয়া চোখের যিনা, অশ্লীল কথা বলা জিহ্বার যিনা, স্পর্শ করা হাতের যিনা, ব্যাভিচারের উদ্দেশ্যে হেটে যাওয়া পায়ের যিনা, খারাপ কথা শোনা কানের যিনা আর যিনার কল্পণা করা মনের যিনা । (বুখারী) খাঁটি মনে তাওবা করুন। মনে রাখবেন আল্লাহ মানুষকে গুনাহের প্রবণতা দিয়েই তৈরী করেছেন। বান্দা গুনাহ করবে এটা আল্লাহ জানেন। কিন্তু যে তাওবা করে তার স্থান আল্লাহ র কাছে বেশি। আল্লাহ ক্ষমা করতে ভালোবাসেন তাই নিরাশ না হয়ে তাওবা করুন।

3651 views

ভাই মানুষ যতো বড় পাপই করুক না কেন, খালেছ ভাবে তওবা করলে এবং ভবিষ্যতে ঐ পাপ কাজ আর না করার প্রতিজ্ঞা করলে আল্লাহ অবশ্যই তাকে মাফ করে দিবেন। আপনার বন্ধুর উচিত খালেছ তওবা করা এবং পরবর্তিতে এমন পাপ কাজে আর লিপ্ত না হওয়া, ধন্যবাদ।

3651 views

রাসুল (সাঃ) বলেন নিশ্চয়ই চোখের যেনা হচ্ছে দেখা,শুতরাং সে, যে কাজটি করেছে,তা যেনা,তাই তাকে তওবা করতে হবে|আর এমনিতেই বেগানা পুরুষ এবং মহিলা দেখা করা হারাম

3651 views

প্রেমিকা তো আর বৈধ নয়, সে বেগানা। তার সাথে খোশগল্প করাই গুনাহ। আর উলঙ্গ থাকাতো কথাই নাই। তবে যত বড় গুনাহ করবেন কারো সাথে শেয়ার না করে খাশ দিলে আল্লাহর কাছে তওবা করতে হবে। আল্লাহ বান্দাকে মাফ করতে সর্বদা প্রস্তুত।

3651 views
শুধু যৌন মিলন করলেই যে যেনা হয় তা নয়।যৌন মিলন না করলেও যেনা হয়। যেনা আনেক রকম হয় যেমন: হাতের যেনা, চোখের যেনা, মুখের যেনা, কানের যেনা। সে অর্থে আপনি যেনাকারি। আর এখন আল্লাহ্ কাছে তওবা করেন। নামাজ পড়েন।ইসলামিক আইন গুলি মেনে চলেন, হয়তো আল্লাহপাক আপনাকে মাফ করেও দিতে পারেন।
3651 views

Related Questions