4 Answers

অতিরিক্ত চোখে হাত দিয়ে থাকেন বা চোখ ঘষাঘষি করেন তাহলে এই সমস্যা আরও বেড়ে যায়। ডাক্তারি সমাধান থাকলেও চটজলদি ঘরোয়া কিছু উপায়েই চোখের এই সমস্যা থেকে মুক্তি পাওয়া যায়। স্বাস্থ্যবিষয়ক একটি ওয়েবসাইটে চোখ চুলকানোর সমস্যার ঘরোয়া কিছু সহজ সমাধান উল্লেখ করা হয়। এই প্রতিবেদনে সেসব তুলে ধরা হল। শসা শসায় আছে ‘অ্যান্টি-ইরিটেশন প্রোপার্টিজ’ যা জ্বালা-পোড়া, ফোলাভাব, চুলকানো ইত্যাদি সমস্যায় দারুণ কার্যকর। তাই চোখে চুলকানো বা যেকোনো সমস্যায় একটি শসা ভালোভাবে ধুয়ে, পাতলা টুকরা করে কেটে ১৫ থেকে ২০ মিনিট রেফ্রিজারেটরে রেখে দিতে হবে। ঠাণ্ডা হলে দু’চোখের উপর দিয়ে ১০ মিনিট রাখতে হবে। দিনে পাঁচবার এইভাবে শসা ব্যবহার করলে উপকার পাওয়া যাবে। ঠাণ্ডা দুধ ঠাণ্ডা দুধে এক টুকরো পরিষ্কার তুলার প্যাড বা বল ভিজিয়ে চোখের চারপাশে আলতো ঘষে নিতে হবে। অথবা ভেজা প্যাডটি চোখের উপর দিয়ে রাখতে হবে। এতে চোখ ঠাণ্ডা হবে এবং চুলকানো কমবে। সকালে এবং সন্ধ্যায়, দিনে দুবার ব্যবহারে উপকার পাওয়া যাবে। গোলাপজল চোখের সমস্যায় দারুণ একটি ঘরোয়া সমাধান হল বিশুদ্ধ গোলাপ জল। চোখের জ্বলাপোড়াভাব দূর করে চোখ ঠাণ্ডা রাখতে সাহায্য করে এই পানি। চোখ পরিষ্কারের জন্য গোলাপজল ব্যবহার করা যেতে পারে। দিনে দুবার গোলপজল দিয়ে চোখ পরিষ্কার করলে উপকার পাওয়া যাবে। তাছাড়া, তাৎক্ষণিক উপকার পেতে ড্রপ হিসেবেও চোখে গোলাপজল দেওয়া যেতে পারে। যে চোখে সমস্যা সেই চোখে তিন ফোঁটা গোলাপজল ব্যবহারে উপকার পাওয়া যাবে। লবণ পানি চোখের চুলকানোভাব এবং জ্বলাপোড়া কমাতে অত্যন্ত কার্যকর হল লবণ পানি। লবণ পানি দিয়ে চোখ পরিষ্কারের ফলে চোখে জমে থাকা যে কোনো ক্ষতিকর উপাদান পরিষ্কার হয়ে যায়। আর লবণে থাকা অ্যান্টিব্যাক্টেরিয়াল উপাদান যেকোনো জীবাণু ধ্বংস করতে সাহায্য করে। এক কাপ বিশুদ্ধ পানির সঙ্গে এক চা-চামচ লবণ মিশিয়ে অল্প সময় গরম করতে হবে যেন লবণ ভালোভাবে মিশে যায়। মিশ্রণটি ঠাণ্ডা হলে চোখ ধোয়ার জন্য ব্যবহার করতে হবে। দিনে একাধিকবার ব্যবহারে ভালো উপাকার পাওয়া যাবে। গ্রিন টি স্বাস্থ্য এবং ত্বক, দুয়ের জন্যই দারুণ উপকারি গ্রিন টি। চোখের সমস্যা থেকে রেহাই পেতেও গ্রিন টি ব্যবহার করা যায়। চোখ পরিষ্কারের জন্য এক কাপ পানিতে দু’টি গ্রিন টি’র ব্যাগ দিয়ে ভালোভাবে ফুটিয়ে নিতে হবে। সম্পূর্ণ ঠাণ্ডা হয়ে গেলে এই মিশ্রণ দিয়ে চোখ পরিষ্কার করা যাবে। ঘৃত কুমারী বা অ্যালোভেরা ঘৃত কুমারী ত্বক আর্দ্র রাখতে দারুণ উপকারী। শুষ্ক ত্বক, ত্বকের চুলকানোভাব এবং ফোলাভাব কমাতেও দারুণ কার্যকর। একটি পাতা থেকে অ্যালোভেরা জেল বের করে এর সঙ্গে এক চা-চামচ মধু মিশিয়ে সঙ্গে আধা কাপ ‘এল্ডারবেরি ব্লসম টি’ মিশিয়ে একটি মিশ্রণ তৈরি করতে হবে। যতদিন সমস্যা পুরোপুরি না ভালো হবে ততদিন দিনে দু’বার মিশ্রণটি দিয়ে চোখ পরিষ্কার করতে হবে, দিনে দুবার। আলু আলুতে থাকা অ্যাস্ট্রিনজেন্ট উপাদান চোখ চুলকানোর সমস্যা দ্রুত উপশমে সাহায্য করে। তাছাড়া চোখের ফোলাভাব ও লালচেভাব কমাতেও সাহায্য করে আলু। একটি আলু পরিষ্কার করে ধুয়ে পাতলা করে কেটে ঠাণ্ডা হওয়ার জন্য রেফ্রিজারেটরে রাখতে হবে। এরপর ঠাণ্ডা টুকরাটি চোখের উপর দিয়ে ১৫ থেকে ২০ মিনিট অপেক্ষা করতে হবে। দিনে দুই থেকে তিনবার এবং রাতে ঘুমাতে যাওয়ার আগে একবার এভাবে আলু ব্যবহার করলে উপকার পাওয়া যায়।

3249 views Answered

আপনার চোখ এলার্জীতে আক্রান্ত হতে পারে|তাই চোখ দিয়ে পানি ঝরে ও চুলকায়|তাই দ্রুত চক্ষু বিশেষজ্ঞের শরণাপন্ন হোন| চোখ ঘুষবেন না, এতে আরো পানি ঝরবে|দৈনিক বেশি করে চোখে পানি ঝাপটা দিয়ে ধুতে হবে| প্রয়োজনে এলার্জী জাতীয় খাদ্য এড়িয়ে চলুন|চোখে হাত বা টিস্যু ব্যবহার করবেন না|চোখ মোছার জন্য পরিষ্কার নরম কাপড় ব্যবহার করবেন|

3249 views Answered

প্রাথমিক অবস্থায় ওষুধ দ্বারা চিকিত্সা করা হয়। নেত্রথলির প্রদাহ থাকলে এন্টিবায়োটিক ওষুধ খেতে হয় এবং চোখে এন্টিবায়োটিক ফোঁটা দিতে হয়। ব্যথা থাকলে চোখের কোণায় নেত্রথলির অবস্থানে হালকা গরম স্যাঁক দিতে হয় ও বেদনা নাশক ওষুধ খেতে হয়। নেত্রথলির ফোড়া বা ল্যাক্রিমাল অ্যাবসেস হলে অপারেশনের মাধ্যমে পুঁজ বের করে দেয়া হয়। পরবর্তীতে সম্পূর্ণরূপে আরোগ্য লাভের জন্য অপারেশন করতে হয়। অপারেশন দুই ধরণের আছে। একটি হলো ডি,সি,আর বা ড্যাক্রোসিস্টোরাইনোস্টমি। এ পদ্ধতিতে নাকের হাড় ছিদ্র করে নেত্রথলির সামনের অংশের সাথে নাকের পর্দা জুড়ে দিয়ে নাকের সাথে নতুন রাস্তা তৈরী করে দেয়া হয়। এ পদ্ধতিতে অপারেশন করলে সাধারণত: চোখ দিয়ে পানি পড়া বন্ধ হয়ে যায়। অপর পদ্ধতি হলো ডি,সি,টি বা ড্যাক্রোসিস্টেক্টোমি। এ পদ্ধতিতে নেত্রথলি ফেলে দেয়া হয়। অতি বৃদ্ধ বয়সে এ পদ্ধতিতে অপারেশন করা হয়। নেত্রথলি ফেলে দিলে চোখ দিয়ে একটু একটু পানি পড়বে। তবে চোখের কোণা ফুলবে না বা ব্যথা হবে না ও চোখ দিয়ে পুঁজ বের হবে না।

3249 views Answered
ডাঃ সুজন পাল
Dr. Sujon Paul
মেডিকেল অফিসার সাভার সেন্ট্রাল চক্ষু হাসপাতাল বিএমডিসি রেজিষ্ট্রেশন নংঃ এ-৬৯৬৮৫

নিচের ওষুধটি খান

Tab. Rupadin 10 mg

0 + 0 + 1 ( ১ মাস

আর নিচের ড্রপ দুটি ব্যবহার করবেন।

১. Aqua eye drop

প্রতি চোখে ১ ফোটা করে দিনে ৩ বার এবং

২. Iventi 0.5% eye drops

প্রতি চোখে ১ ফোটা করে দিনে ৩ বার।

আশা করছি সুস্থ হবেন।

3249 views Answered

Related Questions

Next steps