শরীরে মেলানিন বৃদ্ধির কারন ও এটি কমানোর উপায় কি?
1 Answers
মাত্রাতিরিক্ত মেলানিন বৃদ্ধির কারন: ১. সরাসরি রোদে বেশিক্ষণ থাকা, ২. অপুষ্ট, ৩. ভিটামিন স্বল্পতা, ৪. হাইপার পিগমেন্টেশন, ৫. এড্রেনাল ডিজঅর্ডার, ৬. লিভার ডিজঅর্ডার, ৭. হরমোনের পরিবর্তন। প্রাকৃতিভাবে প্রতিরোধের উপায়: Vitamin A - রেটিন A নামে পরিচিত ভিটামিন A-এর সিনথেটিক ফর্ম হাইপার পিগমেন্টেশনের ফলে সৃষ্ট মৃত কোষ গুলোকে দূর করে এবং নতুন কোষ তৈরিতে সাহায্য করে। সবুজ ও হলুদ রঙের শাকসবজি, দুধ, মাখন, পনির, ডিম ইত্যাদি এক্ষেত্রে ভালো উৎস। Vitamin C - এটি সরাসরি মেলালিন উৎপাদনে বাধা দেয়। কমলা, লেবু, পেয়ারা, পেঁপে, স্ট্রবেরি, আঙ্গুর, আম এবং অন্যান্য টকজাতীয় ফল ভিটামিন সি এর উৎকৃষ্ট সোর্স। Vitamin E - এটি সরাসরি মেলানিন তৈরিতে বাধা দেয়না, তবে হাইপার পিগমেন্টেশন প্রতিরোধে সহায়তা করে। এছাড়াও বাইরে রোদে বের হওয়ার সময় ভালো করে শরীর ঢেকে বের হবেন। কিছু ঘরোয়া চিকিৎসা: 1. আলু: প্রতিদিন একটুকরো আলু দিয়ে ত্বকে মালিশ করতে পারেন, এতে উক্ত স্থানে ডার্ক স্পট দূর হয়। 2. লেবু: লেবু একধরনের প্রাকৃতিক ব্লিচের মতো, যাতে বিভিন্ন মশ্চারাইজিং উপাদান উপস্থিত থাকে। একটি লেবুর রস ও ১/২ চামচ মধু মিশিয়ে ভালো করে মুখে লাগান। (স্পর্শকাতর ত্বক হলে এই স্টেপ বাদ দিন) 3. পিঁয়াজ: পিয়াজ কেটে বা বেটে নিয়ে ত্বকে মালিশ করুন, ১০ মিনিট পর ধুয়ে ফেলুন। এটি খুব ভালো কাজে দিবে। 4. শশা: শশার রস, মধু ও লেবু ১ চামচ করে নিয়ে আপনার মুখে মেখে নিন। 5. Aloe Vera/ Aloe Vera + Vitamin E: অ্যালোভেরা জেল ও ১/২ টি ভিটামিন ই ক্যাপসুল মিশিয়ে সারারাত মুখে দিয়ে রাখুন। 7. ভিনেগার: সমপরিমাণ পানি ও ভিনেগার মিশিয়ে প্রতিদিন মুখ ধুয়ে নিন। তবে এর পরপরই আবার সাধারণ পানি দিয়ে ধুয়ে ফেলবেননা। 8. পেয়ারা + কলা: পেয়ারা ও কলা মিশিয়ে এর পেস্ট মুখে লাগিয়ে ১৫-২০ মিনিট পর ধুয়ে ফেলুন, এতে ত্বক উজ্জ্বল হবে। মনে রাখবেন: প্রাকৃতিক চিকিৎসা সর্বদাই সময়সাপেক্ষ, ততাই ধৈর্য আর নিয়মানুবর্তিতা বজায় রাখা উচিত। উৎস: http://quora.com