আমার বয়স 17 বছর..দিন দিন আমার মাথা 'র চুল খুব পাতলা হয়ে যাচ্ছে..মাথার চুল ঘন করার কোন পদ্ধতি আছে কি???
2842 views

5 Answers

আপনি মডার্ন হেয়ার ফার্টিলাইজার তেলটি ব্যবহার করেন | এটি মাথা ঠান্ডা রাখে, চুল পড়া কমায় এবং নতুন চুল গজাতে ভূমিকা রাখে | আমি ব্যবহার করতেছি |

2842 views

খুব সহজে আপনিও এই উপায়গুলো খাটিয়ে চুলের বেড়ে ওঠাকে নিশ্চিত করতে পারেন। নতুন চুল গজিয়ে চুল হবে ঘন, কালো, লম্বা। পেঁয়াজের ব্যবহার সেই প্রাচীন কাল থেকে চুল বৃদ্ধির কাজে ব্যবহৃত হয়ে আসছে পেঁয়াজ। পেঁয়াজের রসে রয়েছে সালফার যা চুলের কোলাজেন টিস্যুর বৃদ্ধি উন্নত করে এবং চুল বাড়তে সাহায্য করে দ্রুত। লাল পেঁয়াজ ছোট ছোট করে কেটে নিয়ে একটি পাতলা পরিষ্কার কাপড়ে রেখে চিপে রস বের করে নিন। এই পেঁয়াজের রস পুরো মাথার ত্বকে ভালো করে লাগিয়ে নিন। ১৫ মিনিট পর মৃদু কোনো সাম্পু দিয়ে চুল ধুয়ে ফেলুন। সপ্তাহে ২ দিন ব্যবহার করুন এই পেঁয়াজের রস। ডিমের হেয়ার মাস্ক ডিমের উচ্চ মাত্রার প্রোটিন চুলের ফলিকলে পুষ্টি প্রদান করে এবং চুল দ্রুত বৃদ্ধি নিশ্চিত করে। এই মাস্কের সালফার, জিংক, আয়রন, সেলেনিয়াম, ফসফরাস এবং আয়োডিন চুল দ্রুত বৃদ্ধি করে। ১ টি ডিমের সাদা অংশ নিন। এতে ১ টেবিল চামচ মধু এবং ১ টেবিল চামচ অলিভ অয়েল দিয়ে ভালো করে মিশিয়ে নিন। চুলে ভালো করে লাগিয়ে ২০ মিনিট রাখুন। এরপর শ্যাম্পু করে চুল ভালো করে ধুয়ে ফেলুন। সপ্তাহে ১ দিন ব্যবহারে ভালো ফল পাবেন। আলুর রসের ব্যবহার চুলের বৃদ্ধির কাজে আলুর রসের ব্যবহার অনেকেই জানেন না। কিন্তু আলুর ভিটামিন এ, বই এবং সি চুলের দ্রুত বৃদ্ধিতে বেশ সহায়ক। আলু একেবারে ঝুড়ি করে নিয়ে খুব দ্রুত এর রস বের করে নিন। এই রস সরাসরি মাথার ত্বকে ভালো করে ঘষে লাগান। ১৫ মিনিট রেখে শ্যাম্পু করে চুল ধুয়ে ফেলুন। সপ্তাহে ২/৩ বার ব্যবহার করলে ভালো ফলাফল পাবেন। মেহেদীর হেয়ার মাস্ক মেহেদী চুলের জন্য অনেক বেশি ভালো একটি উপাদান। চুল ঘন কালো ও লম্বা করতে মেহেদীপাতার তুলনা নেই। ১ কাপ পরিমান শুকনো গুড়ো মেহেদী অর্ধেক কাপ টকদই দিয়ে ভালো করে মিশিয়ে নিন। এই মেহেদীর মিশ্রণ চুলের আগা থেকে গোঁড়া এবং মাথার ত্বকে ভালো করে লাগান। শুকিয়ে যাওয়া পর্যন্ত চুলে লাগিয়ে রাখুন। শুকিয়ে গেলে শ্যাম্পু করে চুল ধুয়ে ফেলুন। এই মাস্কটি সপ্তাহে ১ দিন ব্যবহার করবেন।

2842 views

এই নিবন্ধে কয়েকটিগৃহ চিকিৎসার উল্লেখ করাহয়েছে যেগুলি আপনাকে স্বাভাবিক চুল গজানোতে সাহায্য করতে উৎসাহিত করবে।গৃহ চিকিৎসা ১: গরম তেল মালিশচুলে তেল দেয়ার সময়, একে আপনি এর জন্য প্রয়োজনীয় ভিটামিন এবং পুষ্টি উপাদান দিচ্ছেন। এটি ব্যবহারে একটি উজ্জ্বল ভাব এনে দেয়। ত্বকের কারণে অনেকে নিয়মিত চুলেতেল দিয়ে মালিশ করার অনুভুতি উপভোগ করতে পারেন না। দৈনিক কয়েকবারচুলে তেল না দিয়ে, সহজেই আপনি মাথায় একবার গরম তেল মালিশ করতে পারেন। নারিকেল তেল, ক্যাস্টর অয়েল, এবং এমনকি জলপাই তেলও কোন কোন প্রকারের চুলে ব্যবহার করতে পারেন। এটি আপনার চুলকে পুষ্টি যুগিয়ে শক্তিশালী করতে সাহায্য করবে। ফলাফল স্বরূপ, এসকল চুল বৃদ্ধিকারক তেলের কারণে আপনার চুল আরও দ্রুত হারে বৃদ্ধি পেতে থাকবে।গৃহ চিকিৎসা ২: আলুআপনি হয়ত বিস্মিত হবেন, “আলু? কিভাবে আলু আমার চুলের বৃদ্ধি দ্রুত করতেসাহায্য করবে?” বিস্ময়করমনে হলেও, চুলের বৃদ্ধি ত্বরান্বিত করতে আলু একটি উপযুক্ত উপাদান। এখন, আপনি একটি আলু নিয়ে মাথায় ঘষে সহজেই ফলাফল আশা করতে পারেন না, এটা কার্যকরী হওয়ার জন্য আপনাকে তিনটি আলু নিয়ে জুসারে দিয়ে রস বের করে তা ছেঁকে নিতে হবে। এরপর অবশ্যই এতে একটি ডিমের কুসুম, অল্প একটু পানি, এবং এক চা চামচ মধু যোগ করতে হবে। এই মিশ্রণটি নিয়ে ভেজা চুলে প্রয়োগ করতে হবে। ৩০ মিনিট অপেক্ষা করে আলতো ভাবে উষ্ণ পানি দিয়ে ধুয়ে ফেলুন। কয়েক মাস ধরে প্রতি সপ্তাহে একবার করেএ চিকিৎসা চালিয়ে যেতে হবে। এটা একটি অন্যতম কার্যকরী গৃহ চিকিৎসা এবং করা সহজও বটে। আপনি নিশ্চিত হতে পারেন যে এ পদ্ধতি ব্যবহার করে কয়েকসপ্তাহের মধ্যেই ফলাফল দেখতে পাবেন।গৃহ চিকিৎসা ৩: পিয়াজ!হ্যাঁ, পিয়াজ। এটি অপর একটি খাদ্যপন্য যা আপনারচুলের জন্য উপযুক্ত এবং যতটা সম্ভব স্বাস্থ্যবান হতে সাহায্য করবে। যখন আপনারচুল এর সর্বচ্চো ভাল স্বাস্থ্যে থাকবে, তখন এর কারণে বৃদ্ধি পাবে এবং পরিপূর্ণ হবে। এটি একটি অন্য প্রকার মিশ্রণযা চুলে অবশ্যই প্রয়োগ করতে হবে এবং তা প্রতিবার আপনার চুল ধোয়ার সময়। তবে, এ মিশ্রণটি আপনি যদি চুলে রঙ করার সামগ্রী ব্যবহারকরেন তবে ব্যবহার করা উচিত হবে না কারণ এতে করেরঙ উঠে যেতে পারে। প্রথমে, ৪ কোষ রসুন, ২ টুকরা দারুচিনি, এবং একটি লাল পিয়াজ নিন। এগুলি নিয়ে সিদ্ধ করে ঠাণ্ডা হতে দিন। এটি ঠাণ্ডা হলে মিশ্রণটি সমস্ত চুলে মালিশ করুন। এটি চুলে ১৫ মিনিট বসে থাকতে দিন, তারপর হালকা গরম পানি দিয়ে আলতো করে ধুয়ে ফেলুন। এটা করার কারণে আপনার চুল আরও ঘন হবে এবং এর ডগা গুলি ফেটেযাবে না। এটি দীর্ঘমেয়াদী ভাবে আপনার চুলকে দীর্ঘায়িত করবে। এটি আপনার চুলকে আরও দ্রুত হারে ঘন করে তুলবে। এসকল পুষ্টি উপাদান এবং ভিটামিন চুলকে দিয়ে আপনি একে আরও দ্রুত বাড়তে সাহায্য করতে পারেন এবং এর সাথে এগুলি স্বাস্থ্যবান এবং পরিপূর্ণ হয়ে উঠবে।গৃহ চিকিৎসা ৪: একটি ভাল খাদ্য তালিকাযখন চুলের বৃদ্ধির মত বিষয় নিয়ে চিন্তা করা হয়,তখন খুব সহজ কিছু কার্যকরী সমাধানের দিকে দৃষ্টি দেয়া হয়। যদিও এটি কোন নিশ্চয়তা দেয়া যায় না যে এতে চুল দ্রুত বাড়বে এবং দীর্ঘ হবে, তবেএটি সবসময়েই আপনার চুলেরজন্য উপকারী হবে এবং এর সকল প্রক্রিয়াকে সাহায্য করবে। একটি ভাল খাদ্য তালিকা অনেক কারণেগুরুত্বপূর্ণ। এটি আপনার চুলকে স্বাস্থ্যবান রাখে এবং স্বাস্থ্যবান চুল সবসময়েই বৃদ্ধি পায়। এটিআরও ঘন এবং পরিপূর্ণ হয় এবং একে আরও দীর্ঘায়িত দেখায়। একটি ভাল খাদ্য তালিকা যা আপনার মাথার চামড়া এবং চুলকে সাহায্যকরবে তার মধ্যে বাদাম, শস্যকণা, দই, ব্রকলি, গাজর, এবং আরও অনেক রকমেরফল থাকতে পারে। অস্বাস্থ্যকর খাবার আপনার চামড়া এবং চুল উভয়কেই আস্বাস্থ্যকর তেল সরবরাহ করতে পারে যা চুলের ক্ষতি করে। যখন আপনার চুল ক্ষতিগ্রস্থ এবং অস্বাস্থ্যকর হবে, তখন এর বৃদ্ধি পাওয়া কঠিন হবে এবং দেখতে অনাকর্ষণীয় মনে হবে। এটিএকটি খুব সহজ সমাধান, কিন্তু এটি চালিয়ে যেতে অনেক সাধনার প্রয়োজন। যদি আপনি আপনার খাদ্য তালিকা পরিবর্তন করে এতেচুলের বৃদ্ধির জন্য প্রয়োজনীয় উপাদান সমৃদ্ধ খাবার যোগ করেন তবে অবশ্যই আপনি বেশ ভাল ফলাফল দেখতে পাবেন।গৃহ চিকিৎসা ৫: ভিটামিন!আপনার চুল দ্রুত স্বাস্থ্যবান হয়ে ওঠার একটি চমৎকার উপায় হল চুলের বৃদ্ধির জন্য ভিটামিন ব্যবহার করা। সবসময়েই চুলের যত্ন প্রয়োজন তবে ভিটামিন গ্রহণ করে চুলের বৃদ্ধিরপ্রক্রিয়া ত্বরান্বিত করা যেতে পারে। চুলের সম্পুরক উপাদান সমূহ দ্রুত এতে প্রবেশ করে এবং বিস্ময়কর ভাবে কাজ করে। আপনার নিয়মিত ভাবে ফলিক এসিড পিল এবং চুল গজানোর Biotein গ্রহণ করা উচিত। এটি আপনার চুলকে শক্তি যোগায় এবং তা বেশ পরিমাণে বাড়িয়ে দেয়। ভিটামিন A, E এবং C মসৃণ ও রেশমি চুলের জন্য চমৎকার। আপনার খাদ্য তালিকার পরিবর্তন বা যে কোন প্রকারের সম্পুরক উপাদান গ্রহনের পূর্বে চিকিৎসকের সাথে পরামর্শ করে নিন। এ ধরণের সকল পন্য খুঁজে পাওয়া বেশ সহজ এবং আপনার চুলের উৎসাহজনক স্বাস্থ্য এবং বৃদ্ধির জন্য বেশ উপযোগী।যদি আপনার দীর্ঘায়িত চুলের আকাংখা থাকে তবে এ সকল চুল বৃদ্ধির টিপস সমূহ অনুসরণ করার এখনই সময়। এসকল চুল বৃদ্ধির গৃহ চিকিৎসা সমূহ অনুসরণকরার মাধ্যমে আপনি মাত্রকয়েক সপ্তাহের মধ্যে নিশ্চিত ফল পেতে পারেন। আপনার চুল বৃদ্ধির জন্য সবচেয়ে ভাল উপায় হল তা যতটা সম্ভব স্বাস্থ্যবান রাখা এবং এরকম কিছু পদ্ধতি ব্যবহার করে আপনার চুলেরবৃদ্ধির হার বজায় রাখা। আমরা চাই বা না চাই, আমাদের চেহারায় চুলের একটি বিরাট ভুমিকা আছে। দেখতে ভাল দেখানর জন্য আমাদের অবশ্যই স্বাস্থ্যবান, দীর্ঘ চুলথাকতে হবে।

2842 views

ঘন, কালো ও লম্বা চুলের সৌন্দর্য সকলেরই কাম্য। এতোসব যন্ত্রণার পরও সামান্য যত্নে চুলের ঘনত্ব এবং সৌন্দর্য বৃদ্ধি সম্ভব। সপ্তাহে মাত্র ২/৩ দিন খানিকটা সময় বের করে নিয়ে দুটো হেয়ার মাস্কের ব্যবহারেই পেতে পারেন ঘন, কালো ও উজ্জ্বল চুল। সরিষার তেল ও মেহেদী পাতাঃ সাধারণত চুলে সরিষার তেল একেবারেই ব্যবহার করা হয় না। কিন্তু সরিষার তেল চুলের গোঁড়া মজবুত করে তুলতে বিশেষ ভাবে কার্যকর একটি উপাদান, যা চুল পড়া রোধ করে দেবে একেবারে। এর পাশাপাশি মেহেদী পাতা নতুন চুল গজাতে সাহায্য করে। ফলে চুলের ঘনত্ব বৃদ্ধি পায় বেশ কয়েকগুন। পদ্ধতিঃ ২০০ গ্রাম সরিষার তেল একটি পাত্রে নিয়ে চুলায় বসিয়ে দিন। এবার এতে ১ কাপ পরিমাণ মেহেদী তাজা পাতা দিয়ে জ্বাল দিতে থাকুন। যখন দেখবেন মেহেদী পাতা পুড়ে কালো হয়ে গিয়েছে তখন তা চুলা থেকে নামিয়ে ছেঁকে ঠাণ্ডা করে নিন। একটি এয়ার টাইট বোতলে এই তেল সংরক্ষণ করুন। এই তেল সপ্তাহে ৩ দিন চুলে লাগান। সব চাইতে ভালো ফল পাবেন সারারাত চুলে তেল লাগিয়ে রেখে সকালে সাধারণভাবে শ্যাম্পু করে চুল ধুয়ে ফেললে। ডিমঅলিভলিভ অয়েলঃ চুলের ঘনত্ব ব্রদ্ধির জন্য ডিম ব্যবহার হয়ে আসছে অনেক প্রাচীন কাল থেকেই। ডিমে রয়েছে প্রচুর পরিমাণে প্রোটিন যা চুল পরা রোধ করে। এছাড়া ডিমে আরও রয়েছে সালফার, জিংক, আয়রন, সেলেনিয়াম, ফসফরাস ও আয়োডিন যা নতুন চুল গজাতে সাহায্য করে চুলের ঘনত্ব বাড়ায়। পদ্ধতিঃ একটি বাটিতে একটি ডিমের সাদা অংশ নিন। এতে ১ চা চামচ অলিভ অয়েল(জলপাই তেল) ও ১ চা চামচ মধু নিন( চুলের দৈর্ঘ্য ও পরিমাণ অনুযায়ী অলিভ অয়েল ও মধুর পরিমাণ বাড়াতে পারেন)। তারপর উপকরণগুলো খুব ভালো করে মেশান। যখন এটি মসৃণ পেস্টের আকার ধারন করবে তখন এত ব্যবহার উপযোগী হবে। মসৃণ পেস্টের মত হয়ে গেলে মাথার ত্বকে আলতো ঘষে মিশ্রণটি লাগিয়ে ফেলুন। ২০ মিনিট পর প্রথমে ঠাণ্ডা পানি ও পরে শ্যাম্পু দিয়ে চুল ধুয়ে ফেলুন। সপ্তাহে অন্তত ১ বার এটি ব্যবহার করার চেষ্টা করুন। ভালো ফল পাবেন।

2842 views

ধুলো ময়লা, আবহাওয়া, রোদ এবং সঠিক যত্নের অভাবে চুলের মারাত্মক ক্ষতি হয়। চুলের ফলিকল স্থায়ীভাবে ক্ষতিগ্রস্থ হয়ে পড়ে। যার ফলে নতুন করে চুল গজানোর হার একেবারেই কমে যায়। এবং চুল পড়ার হার অনেকাংশে বৃদ্ধি পায়। এসকল কারণে চুল হয়ে যায় পাতলা এবং একেবারে নিষ্প্রাণ। কিন্তু ঘন, কালো ও লম্বা চুলের সৌন্দর্য সকলেরই কাম্য। এতোসব যন্ত্রণার পরও সামান্য যত্নে চুলের ঘনত্ব এবং সৌন্দর্য বৃদ্ধি সম্ভব। সপ্তাহে মাত্র ২/৩ দিন খানিকটা সময় বের করে নিয়ে দুটো হেয়ার মাস্কের ব্যবহারেই পেতে পারেন ঘন, কালো ও উজ্জ্বল চুল। সরিষার তেল ও মেহেদী পাতা সাধারণত চুলে সরিষার তেল একেবারেই ব্যবহার করা হয় না। কিন্তু সরিষার তেল চুলের গোঁড়া মজবুত করে তুলতে বিশেষ ভাবে কার্যকর একটি উপাদান, যা চুল পড়া রোধ করে দেবে একেবারে। এর পাশাপাশি মেহেদী পাতা নতুন চুল গজাতে সাহায্য করে। ফলে চুলের ঘনত্ব বৃদ্ধি পায় বেশ কয়েকগুন। পদ্ধতিঃ ২০০ গ্রাম সরিষার তেল একটি পাত্রে নিয়ে চুলায় বসিয়ে দিন। এবার এতে ১ কাপ পরিমাণ মেহেদী তাজা পাতা দিয়ে জ্বাল দিতে থাকুন। যখন দেখবেন মেহেদী পাতা পুড়ে কালো হয়ে গিয়েছে তখন তা চুলা থেকে নামিয়ে ছেঁকে ঠাণ্ডা করে নিন। একটি এয়ার টাইট বোতলে এই তেল সংরক্ষণ করুন। এই তেল সপ্তাহে ৩ দিন চুলে লাগান। সব চাইতে ভালো ফল পাবেন সারারাত চুলে তেল লাগিয়ে রেখে সকালে সাধারণভাবে শ্যাম্পু করে চুল ধুয়ে ফেললে। ডিম ও অলিভ অয়েল চুলের ঘনত্ব ব্রদ্ধির জন্য ডিম ব্যবহার হয়ে আসছে অনেক প্রাচীন কাল থেকেই। ডিমে রয়েছে প্রচুর পরিমাণে প্রোটিন যা চুল পরা রোধ করে। এছাড়া ডিমে আরও রয়েছে সালফার, জিংক, আয়রন, সেলেনিয়াম, ফসফরাস ও আয়োডিন যা নতুন চুল গজাতে সাহায্য করে চুলের ঘনত্ব বাড়ায়। পদ্ধতিঃ একটি বাটিতে একটি ডিমের সাদা অংশ নিন। এতে ১ চা চামচ অলিভ অয়েল(জলপাই তেল) ও ১ চা চামচ মধু নিন( চুলের দৈর্ঘ্য ও পরিমাণ অনুযায়ী অলিভ অয়েল ও মধুর পরিমাণ বাড়াতে পারেন)। তারপর উপকরণগুলো খুব ভালো করে মেশান। যখন এটি মসৃণ পেস্টের আকার ধারন করবে তখন এত ব্যবহার উপযোগী হবে। মসৃণ পেস্টের মত হয়ে গেলে মাথার ত্বকে আলতো ঘষে মিশ্রণটি লাগিয়ে ফেলুন। ২০ মিনিট পর প্রথমে ঠাণ্ডা পানি ও পরে শ্যাম্পু দিয়ে চুল ধুয়ে ফেলুন। সপ্তাহে অন্তত ১ বার এটি ব্যবহার করার চেষ্টা করুন। ভালো ফল পাবেন।

2842 views

Related Questions