আমার এক আন্কেল এর প্রায় সময়ই খুব মাথা ব্যাথা করে । হয়তো কফ জমে । এর থেকে নিষ্কৃতি পাওয়ার উপায় আছে কি?
3100 views

2 Answers

মাইগ্রেন এক ধরনের মাথাব্যথা যা অত্যন্ত কষ্টদায়ক। শতকরা প্রায় ৮০ ভাগ লোক এই ধরনের মাথাব্যথায় ভুগে থাকেন। যাদের মাইগ্রেন নেই তারা ধারণাও করতে পারবেন না কতটা কষ্টদায়ক এই রোগ। মাইগ্রেন কথাটির অর্থ আধা মাথাব্যথা। 

ঘরোয়া উপায়ে সমধান

১। আদার রস বা আদার টুকরো খেতে পারেন। দিনে ২ বার আদার পাউডার পানির সাথে মিশিয়ে খেতে পারেন।

২। ম্যাগনেসিয়াম সমৃদ্ধ খাবার যেমন ব্রাউন রাইস, বার্লি, সবুজ শাকসবজি, বিশেষত পালং শাক নিয়মিত খান।

৩। ক্যালসিয়াম ও ভিটামিন ডি মাইগ্রেন প্রতিরোধে সাহায্য করে। তিল, রাগি আটা, বিট, সবুজ শাকসবজিতে প্রচুর ক্যালসিয়াম রয়েছে।

৪। রোদে ১০ মিনিট থাকতে পারলে ভাল হয়। সম্বভ না হলে ডাক্তারের পরামর্শ নিয়ে ভিটামিন ডি সাপ্লিমেন্ট খেতে পারেন। মেনোপজের সময় ইস্ট্রোযেন হরমোনের ভারসাম্যের অভাবের কারণে অনেক সময় মাথা ধরে। ফাইবার সমৃদ্ধ খাবার খান। লো-ফ্যাট ডায়েট মেনে চলুন।

বিশেষ টিপস

১। এই সময় ডাক্তারের পরামরশু অনুযায়ী প্রয়োজনীয় ওষুধ খেতে ভুলবেন না।

২। মাইগ্রেনের সমস্যা অত্যাধিক বেড়ে গেলে ডাক্তারের পরামর্শ অবশ্যই নেবেন।

৩। মাইগ্রেনের সমস্যায় মেডিটেশন বা এক্সারসাইজ করার আগে অভিজ্ঞ ফিটনেস ট্রেনারের পরামর্শ নেবেন।


3100 views

মাইগ্রেনের অসহ্য যন্ত্রণার হাত থেকে পুরোপুরি মুক্তি পাওয়া সম্ভব নয়৷ কিন্তু ব্যাথা কম রাখতে সাহায্য করতে পারে কিছু ঘরোয়া টিপস৷ ১. বরফ প্যাকঃ মাথা ব্যাথা বেশি হলে একটি প্লাস্টিকে কিছু বরফের টুকরো নিয়ে মাথায় ব্যাথা জায়গায় দিয়ে রাখতে পারেন৷ এতে মাথা ব্যাথা কম হবে৷ বরফ আপনার শিরার স্ফীতি কম করে৷ এতে ব্যাথা কম হতে পারে৷ ২. ভিটামিন বি২ঃ ভিটামিন বি২ এর পরিমাণ শরীরে বাড়লে মাইগ্রেনের ব্যাথা কম হয়৷ ৪০০ এম জি ভিটামিন বি২-র ট্যাবলেট মাইগ্রেন কম করতে সাহায্য করে৷ এছাড়া মাছ, মাংস, ডিম, দুগ্ধজাত খাদ্য, চিজ, বাদাম, এসবে ভিটামিন বি২ এর পরিমাণ বেশি থাকে৷ ৩. বিশ্রাম পদ্ধতিঃ মাথা ব্যাথার প্রকোপ শুরু হলে আপনার মস্তিষ্ককে বিশ্রাম দিন৷ চিন্তা মুক্ত থাকুন৷ এর জন্য প্রয়োজনে মেডিকেশন, যোগ ব্যায়ামও করতে পারেন৷ ৪. হার্বাল চাঃ হার্বাল চা মাথা ব্যাথার পক্ষে খুবই উপকারী৷ হার্বাল চায়ে আঁদা কুচি, লেবু দেওয়া থাকে৷ এর ফলে ব্যাথার প্রকোপ কম থাকে৷ আবার মাইগ্রেনের ফলে যে বমি ভাব তৈরি হয় তা কম করতেও সাহায্য করে এই উপাদানগুলি৷ ৫. আকুপাংচারঃ মাথার ব্যাথা কমানোর জন্য যে ওষুধ ব্যবহার করা হয় তার থেকে অনেক বেশি প্রভাশালী ও উপকারী হল আকুপাংচার পদ্ধতি৷ এর প্রভাপ ওষুধের মতো দ্রুত কার্যকরী হয় না৷ কিন্তু বেশিক্ষণ প্রভাবশালী হয়৷ সুত্রঃ হেলথপ্রিয়র২১.কম

3100 views

Related Questions