1 Answers
শিকার : কারো মালিকানা ব্যতীত জঙ্গলী কোন জানোয়ার ইচ্ছাকৃতভাবে শিকার করা। শিকার করার হুকুম : শিকার করা বৈধ এবং শিকার করা পশু হালাল, তবে হেরেম শরিফে শিকার করা হারাম, তধ্রূপ যে এহরাম অবস্থায় রয়েছে, তার জন্যও স্থলের পশু শিকার করা হারাম। আল্লাহ তাআলা বলেন, 'তোমাদের জন্য হালাল করা হয়েছে সমুদ্রের শিকার ও তার খাদ্য, তোমাদের ও মুসাফিরদের ভোগের জন্য। আর স্থলের শিকার তোমাদের উপর হারাম করা হয়েছে যতক্ষণ তোমরা ইহরাম অবস্থায় থাক।' (মায়েদা : ৯৬) শিকারের বিভিন্ন অবস্থা : শিকারকৃত পশু হস্তগত করার দু'টি অবস্থা : এক. পূর্ণ জীবিত অবস্থায় ধরা। এ প্রকার শিকার নির্ধারিত পদ্ধতিতে যবেহ করা জরুরি। দুই. মৃত অবস্থায় ধরা অথবা সামান্য জীবিত অবস্থায় ধরা। এ প্রকার শিকার হালাল হওয়ার জন্য কিছু শর্ত রয়েছে। নিম্নে তা তুলে ধরা হল : হালাল শিকারের শর্তসমূহ : ১. শিকারি ব্যক্তির মুসলমান বা আহলে কিতাব হওয়া এবং সাবালক বা তার কাছাকাছি বয়সের হওয়া। ২. শিকার করা পশুর যবেহ দু'প্রকার : ক. দাঁত ও নখ ব্যতীত ধারালো অস্ত্র দিয়ে যবেহ করা। খ. প্রশিক্ষণপ্রাপ্ত শিকারি কুকুর বা শিকারি পাখির জখম করে ফেলা। যেমন, কুকুর ও বাজপাখি। প্রশিক্ষণপ্রাপ্ত না হলে শিকার হালাল হবে না। ৩. শিকারি কুকুর বা পাখি শিকারের উদ্দেশ্যে প্রেরণ করা। ৪. তীর নিক্ষেপ করার সময় বা শিকারি প্রাণী প্রেরণ করার সময় মিসমিল্লাহ বলা, বিসমিল্লাহ ভুলে গেলে সমস্যা নেই, তবে ইচ্ছাকৃত ছেড়ে দিলে শিকার হালাল হবে না। ৫. শিকারের জন্য উপযুক্ত স্থান ও উপযুক্ত ব্যক্তি হওয়া। কারণ, এহরাম অবস্থায় শিকার করা হারাম, তদ্রূপ হেরেমে শরিফে শিকার করাও হারাম।