1 Answers
মেয়েদের ক্ষেত্রেঃ মেয়েদের দেহের বেশ কয়েকটি যৌনস্পর্শকাতর অংশ আছে যেগুলো সরাসরি তাদের যৌনত্তেজনার সূচনা ঘটায়। সাধারন অবস্থা থেকে এ অংশগুলোর মাধ্যমেই একটি ছেলে তার মাঝে যৌনাভুতি জাগিয়ে তুলতে পারে। আর কিছু অংশ আছে যেগুলো মেয়েটির যৌনত্তেজনার সূচনা ঘটার পরই উত্তেজিত হওয়ার জন্য প্রস্তুত হয়ে উঠে, অথচ সাধারন অবস্থায় এগুলো উত্তেজিত করার চেষ্টা করলে মেয়েটি এমনকি ব্যাথা বা অসস্তিও বোধ করতে পারে। মেয়েদের সবচাইতে যৌনস্পর্শকাতর অংশটিও এই দ্বিতীয় শ্রেনীর অন্তর্ভুক্ত। ১. ঠোট ও জিহবাঃ ঠোট নারীদেহের সবচাইতে যৌনত্তেজক অঙ্গগুলোর মধ্যে একটি। ঠোটের মাধ্যমেই সমগ্র নারীদেহ উত্তেজনার সূচনার সবচেয়ে জোরালো সংকেতটি গ্রহন করে থাকে। এতে একটি ছেলের ঠোটের স্পর্শ মেয়েটির সারা দেহে যেন বিদ্যুতের গতিতে কামনার আগুন ছড়িয়ে দেয়। ২. গাল, কপাল, কানের লতিঃ মেয়েদের এ স্থানগুলো তাদের যৌন উত্তেজনার অন্যতম সূচক হিসেবে কাজ করে। ৩. গলাঃ মেয়েদের গলায় স্পর্শ ওদের উত্তেজনায় পথে এগিয়ে নিতে যথেস্ট ভুমিকা রাখে। ৪. স্তনঃ মেয়েদের দেহের সবচাইতে যৌনকাতর অঙ্গগুলির মাঝে যে এটি যে এক বিশেষ ভুমিকা পালন করে থাকে তা বলাই বাহুল্য। মেয়েভেদে স্তনের আকার যে ছোট বড় হয় সে হিসেবে তাদের স্পর্শকাতরতারও কিছুটা রকমফের হয়। মেয়েদের স্তনের বেশিরভাগটাই চর্বি দিয়ে তৈরী। দেহের চর্বিবহুল অংশগুলোতে এমনিতেই স্পর্শকাতরতা কম হয়। সে কারনেই যে মেয়েদের স্তন বেশি বড় থাকে স্বভাবতই তাদের স্তনের সংবেদনশীলতা তুলনামূলক ছোট স্তনের মেয়েদের থেকে সামান্য হলেও কম থাকে। ৫. দুই স্তনের মাঝের ফাকা স্থান (Cleavage): মেয়েরা তাদের স্তনে ছেলেদের মুখ আশা করার পূর্বে অবচেতন মনে তার দেহের যে অংশটি তার সৌন্দর্যকে অপরূপভাবে ফুটিয়ে তুলেছে সেই স্তনের ভাজে ছেলেটির আদর চায়। ৬. বগলের নিচঃ মেয়েদের বগলের নিচে যে তাদের যৌনস্পর্শকাতর একটি স্থান রয়েছে তা অনেকেরই অজানা। ৭. নাভীঃ মেয়েদের নাভী ও এর আশেপাশের স্থানগুলো মোটামুটি সংবেদী। ৮. নিতম্বঃ মেয়েদের দেহের সবচেয়ে চর্বিবৎসল অংশ; দেহের যেকোন স্থানের চেয়ে এর সংবেদনশীলতা তুলনামূলক কম। ৯. হাটুঃ মেয়েদের হাটু একটি মোটামুটি স্পর্শকাতর অঙ্গ। সরাসরি সেক্সের সময় এর ভুমিকা তেমন একটা নেই তবে সেক্সের সূচনায় এটি বেশ কিছুটা অবদান রাখে। ১০. উরু ও পায়ের পাতাঃ মেয়েদের আরো একটি অত্যন্ত স্পর্শকাতর অংশ হল তাদের উরুদ্বয়। বিশেষ করে হাটুর উপরিভাগ থেকে এর স্পর্শকাতরতা বাড়তে বাড়তে উরুসন্ধি, তথা তাদের যোনির আশেপাশে গিয়ে চূড়ান্ত অবস্থায় পৌছে। এটিও সেসব অংশের অন্তর্ভুক্ত যেগুলো দ্বারা সরাসরি মেয়েটির উত্তেজনার সূচনা ঘটিয়ে তাকে যৌন আনন্দ দেয়া যায়। যোনির কাছাকাছি বলে এর মাধ্যমে মূলত মেয়েটিকে যোনিতে স্পর্শ পাবার জন্য উন্মুখ করে তোলা যায়। ১১. যোনি ও তার আশেপাশের অঞ্চলঃ মুলত যোনি বলতে আমরা অনেকেই মেয়েদের উরুসন্ধির সমগ্র অঞ্চলটাই বুঝি; কিন্ত প্রকৃতপক্ষে মেয়েদের যে ছিদ্রটি দিয়ে ছেলেদের লিঙ্গ ঢুকে শুধু সেটাকেই যোনি বলে। এর আশেপাশে যে অঞ্চলগুলো রয়েছে, সেগুলোকে বেশ কয়েকটি অংশে ভাগ করা যায়। সংবেদনশীলতায় এদের একটি আরেকটি হতে তুলনামূলক ভিন্ন রকমের। তবে স্পর্শকাতরতায় এ স্থানসমূহ নারীদেহের অন্য যেকোন স্থান হতে বেশি। এর মূল কারন হচ্ছে যোনির অতিরিক্ত স্পর্শকাতরতা। এর ল্যাবিয়া মাইনরা ও ম্যাজরা অঞ্চল সরাসরি স্পর্শের মাধ্যমে উত্তেজিত করা গেলেও অর্থাৎ মেয়েটিকে উত্তেজিত করে তুলতে যাওয়ার প্রথম দিকে এগুলো নিয়ে খেলা করলে মেয়েটি মজা পায় ঠিকই কিন্ত ওর দেহের সবচেয়ে বেশি যৌনকাতর অঙ্গ, যেটার অন্য নামই হল আনন্দের সুইচ (Pleasure button), সেই ভগাঙ্কুরের (Clitoris) স্পর্শকাতরতা হেলাফেলা করার নয়। নিচে আলাদা আলাদা করে মেয়েদের যোনি অঞ্চলের অংশগুলোর কথা বলা হল। ক) মোনস পিউবিসঃ যোনির একেবারে উপরিভাগে যে ফোলা ফোলা অংশ থাকে তাকে মোনস পিউবিস বলে। এ অঞ্চলেই মূলত মেয়েদের যৌনকেশ সবচেয়ে বেশি থাকে। অনেকে এ অঞ্চলটিতে যৌনকেশ পছন্দ করেন আবার অনেকে সেভ করা পছন্দ করেন। তবে যেভাবেই হোক এ স্থানটি বেশ সংবেদী। খ) ল্যাবিয়া মেজরাঃ মোনস পিউবিসের নিচেই সমগ্র যোনি অঞ্চলকে ঘিরে থাকা বড় নিম্ন ঠোট হিসেবে পরিচিত পাতলা চামড়ার অংশটিই এটি। ছেলেদের অন্ডথলির চামড়ার মত একই Embryonic tissue দিয়ে এটি তৈরী। মেয়েটি উত্তেজিত হলে এটি প্রসারিত হয়ে যায়। এটি যথেষ্ট স্পর্শকাতর হলেও, যোনির অন্যান্য অঞ্চল থেক তুলনামূলক কম সংবেদী। গ) ল্যাবিয়া মাইনোরাঃ ল্যাবিয়া মেজরার ভিতরে ভাজে থাকে ল্যাবিয়া মাইনোরা (ছোট নিম্ন ঠোট)।এই চামড়ার স্তরটি ভগাঙ্কুর, মুত্রপথ ও যোনিকে ঘিরে থাকে। অনুত্তেজিত অবস্থায় এটি মেয়েটির যোনিমুখ ঢেকে রাখে। এর ভিতরের স্তরে অসংখ্য ছোট ছোট তেল গ্রন্থি রয়েছে। প্রচূর স্নায়ুকোষ সমৃদ্ধ এ অঞ্চলটি অত্যন্ত স্পর্শকাতর এবং মেয়েটির যোনি অঞ্চলের উত্তেজনায় গুরুত্বপুর্ন ভুমিকা রাখে। ঘ) যোনিঃ নারীদেহের প্রজনন অংগের প্রধান অংশ। ম্যাবিয়া মাইনোরার ভেতরে ক্লাইটোরিস গ্ল্যনড ও মূত্রছিদ্রের নিচেই এর মুখ অবস্থিত। যোনি নারীদেহের অত্যন্ত স্পর্শকাতর একটি অংশ। ছেলেটি মেয়েটিকে আদর করার সময় ওর যোনি উত্তেজিত হয়ে আকারে স্বাভাবিক অবস্থার চেয়ে বেড়ে যায়। এ প্রসারনের ফলে যোনিনলের ভেতরের দেয়ালের মিউকাস মেমব্রেন ও যোনিমুখের কাছাকাছি বার্থোলিন গ্লান্ড বা ছোট ভেস্টিবুলার গ্ল্যান্ড হতে কিছু পরিমান তরল নির্গত হয়ে যোনিমুখ ও পথকে পিচ্ছিল করে তোলে। মূলত এই তরলই আমরা যোনিরস হিসেবে চিনি। যোনির ভেতরের দেয়ালে রয়েছে বহু স্নায়ুপ্রান্ত যা প্রকৃতপক্ষে ক্লাইটোরিসের শাখা। তাই এখানে কোনকিছু প্রবেশ করলে মেয়েটি দারুন আনন্দ লাভ করে। । ঙ) ক্লাইটোরিস (Clitoris): নারী দেহের সবচাইতে স্পর্শকাতর অংশ। এটি মূলত কয়েকটি স্পর্শকাতর স্থানের একটি সমন্বয় যা সমগ্র যোনি অঞ্চলের উপরে দৃশ্যমান ও ভিতরের অংশে ছড়িয়ে আছে। অনেকে মনে করে, ল্যাবিয়া মাইনরায় মুত্রছিদ্রের উপরে অবস্থিত সামান্য ফোলা স্থানটিই ক্লাইটোরিস। কিন্ত আসলে সেটি হল সমগ্র ক্লাইটোরিসের অংশসমূহের কেন্দ্রবিন্দু, ক্লাইটোরাল গ্ল্যান্স বা ভগাঙ্কুর। এর একটু উপরে মোনস পিউবিস অঞ্চলের ঠিক নিচেই সামান্য একটু স্থান জুড়ে যে যৌনকেশবিহীন অঞ্চল রয়েছে সেটির চামড়ার নিচে আছে ক্লাইটোরাল শ্যাফট। মেয়েটির ক্লাইটোরাল অঞ্চল উত্তেজিত হলে নলাকার এই অংশটি রক্ত এসে স্ফিত হয়ে যাওয়ায় তা হাত দিয়ে অনুভব করা যায়। চ) জি-স্পটঃ মেয়েদের যোনির অংশসমুহের মধ্যে সবচাইতে আলোচিত অংশ এটি। আবিস্কারকের নামানুসারে একে গ্রাফেনবার্গ স্পট বা সংক্ষেপে জি-স্পট বলে। এটি মেয়েদের দেহের সবচাইতে স্পর্শকাতর ও আনন্দদায়ক অংশ হিসেবে পরিচিত। সাম্প্রতিক গবেষনায় জানা গিয়েছে, যে জি-স্পট মূলত ক্লাইটোরিসেরই একটি আংশিক বিচ্ছিন্ন অংশ। অত্যন্ত সংবেদনশীল এ অঙ্গটির অবস্থান হল যোনিপথের সম্মুখ দেয়ালের প্রায় দুই ইঞ্চি মতন ভেতরে, মেয়েদের মূত্রথলির (Bludder) নিচে। যোনির ভেতরটা আঙ্গুল দিয়ে অনুভব করলে, এর প্রবেশপথ থেকে কিছুদুর পর্যন্ত সম্মুখ দেয়ালে (যেদিকে পায়ু আছে তার বিপরীত দিকের দেয়ালে) একটু অমসৃন যায়গার আভাস পাওয়া যাবে (অনেকটা আমাদের মুখের ভেতরে জিহবার বিপরীত দিকে উপরে যে অমসৃন অংশটি আছে তার মত)। এ যায়গাটি ফুরিয়ে গেলেই একটি অগভীর গর্তের মত অংশ পাওয়া যাবে। এই গর্তের মত অংশেই জি-স্পট অবস্থিত। কিন্ত আঙ্গুল ঢুকাতে ঢুকাতে যোনির সম্মুখ দেয়ালের অমসৃন যায়গা পার হয়েও জি স্পট না পেয়ে মসৃন কোন অংশে পৌছে গেলে বুঝবেন আপনি জি-স্পট পার করে এসেছেন, তাই আবার আঙ্গুল নিচে নামিয়ে এনে খুজতে হবে। আঙ্গুলের ডগা দিয়ে জি-স্পট টিপে টিপে মেয়েদের সাধারন ক্লাইটোরাল অর্গাজমের থেকেও বেশি আনন্দদায়ক জি-স্পট অর্গাজম করানো যায়। যে মেয়ে সহজে শীৎকার করে না সেও এই অর্গাজমের সময় পাগলের মত শীৎকার করে উঠবে। এই অর্গাজমেই মূলত মেয়েদের এজাকুলেশন হয়
Related Questions
Next steps
- Find a doctor for in-person or online consultation
- Browse medical tests patients often ask about
- Check medicine information (uses, dosage, brands in Bangladesh)
- More health Q&A on Bissoy