2 Answers
অ্যালার্জি, বায়ুদূষণ, ধুলাবালি বা ফুসফুসে কোনো ইনফেকশনের কারণে হাঁপানি হতে পারে । হাঁপানির প্রকোপ বাড়লে ফুসফুসে বাতাস ঠিকভাবে সরবরাহ হয় না। এসময় দেখা দিতে পারে কাশি, নিঃশ্বাস নিতে প্রচণ্ড কষ্ট এবং বুক ভারি হয়ে থাকার অনুভূতি। হাঁপানি রোগের ডাক্তারি চিকিৎসা থাকলেও কিছু ঘরোয়া প্রতিকার ব্যবস্থা আছে। উপায় জানা থাকলে হঠাৎ সমস্যায় আপনি নিজেই প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা গ্রহণ করতে পারেন। তাই জেনে নিন হাঁপানির কষ্ট লাঘবের সহজ কিছু উপায়… আদা হাঁপানি প্রতিরোধে ব্যবহৃত বিভিন্ন ওষুধ শ্বাসযন্ত্রের পেশি শিথিল করে কষ্ট কমিয়ে দেয়। তেমনিভাবে প্রভাব রাখতে সক্ষম আদা। সমপরিমাণ আদার রস, ডালিমের রস এবং মধু মিশিয়ে নিন। দিনে দুই থেকে তিনবার এক টেবিল চামচ করে এই মিশ্রণ পান করুন। এছাড়া, দেড় কাপ পানিতে এক চা চামচ আদা বাটা মিশিয়ে রাখতে পারেন। ঘুমানোর আগে এই মিশ্রণ থেকে এক টেবিল চামচ করে পান করুন। ভালো ফল পাবেন। ঝামেলা এড়াতে লবণ দিয়ে কাঁচা আদা চিবাতে পারেন- তাতেও উপকার পাবেন। রসুন ফুসফুসে জমে থাকা কফ দূর করে হাঁপানির কষ্ট দ্রুত কমায় রসুন। সেজন্য ১০ থেকে ১৫ টি রসুনের কোয়া ফুটিয়ে নিন আধা কাপ দুধে। দিনে একবার এই মিশ্রণ পান করুন। রসুন দিয়ে চা তৈরি করেও পান করতে পারেন। এর জন্য এক পাত্র ফুটন্ত পানিতে ফেলে দিন ২ থেকে ৩ টি রসুনের কোয়া । তাপমাত্রা কমে এলে পান করুন। কফি কফিতে থাকা ক্যাফেইন হাঁপানির কষ্ট কমাতে সহায়ক। যত কড়া কফি পান করবেন তত দ্রুত সুফল পাওয়া যাবে। তবে দিনে তিন কাপের বেশি কফি পান করা ঠিক নয়। সরিষা তেল হাঁপানি হলে সরিষা তেল মালিশ করাটা বেশ উপকারী। এর জন্য অল্প একটু কর্পূর দিয়ে সরিষার তেল গরম করে নিতে হবে। এরপর তাপমাত্রা কুসুম গরম হয়ে আসলে তা রোগীর বুক ও পিঠে মালিশ করতে হবে। দিনে কয়েকবার মালিশ করা হলে কষ্ট কমে আসবে। ডুমুর শ্বাসকষ্ট কমানো এবং শ্বাসযন্ত্রের স্বাস্থ্য ভালো রাখার ক্ষেত্রে ডুমুরের প্রভাব অতুলনীয়। এর জন্য সারা রাত তিনটি শুকনো ডুমুর এক বাটি পানিতে ভিজিয়ে রাখতে হবে। সকালে খালি পেটে পানিসহ ডুমুর তিনটি খেয়ে নিন। মাস দুয়েক এই অভ্যাস বজায় রাখলে হাঁপানির প্রকোপ নিজ থেকেই কমে আসবে। ইউক্যালিপটাস তেল এই তেলে ইউক্যালিপটল নামের এক রাসায়নিক উপাদান থাকে, যা কফ কমাতে সাহায্য করে। একটি টাওয়েলে কয়েক ফোঁটা ইউক্যালিপটাস তেল নিয়ে ঘুমানোর সময়ে তা আপনার শিয়রে রাখতে পারেন। আপনার নিঃশ্বাসের সঙ্গে এটি শরীরে প্রবেশ করবে এবং ঘুমের সময়ে শ্বাসকষ্ট হবে না। আরও ভালো ফল পেতে একটি পাত্রে রাখা ফুটন্ত পানিতে ২ থেকে ৩ ফোঁটা ইউক্যালিপটাস তেল নিন। নিঃশ্বাসের সঙ্গে এই বাষ্প গ্রহণ করতে পারেন।
হাপানী(Asthma) রোগের প্রতিকার :- এজমা রোগীর কোনো কোনো বিশেষ কিছুতে এলার্জি থেকে থাকে, এদের বলা হয় এলারজেন (allergen) এবং এসবের সংস্পর্শে আসলেই এজমার আক্রমন ঘটে। এজমা রোগীদের জন্য এই এলারজেন গুলো সনাক্ত করে নেয়া খুবই জরুরী। এগুলো হলো ঘরের পুরোনো কাপড় ঝাড়া ধুলো বা অন্য কোনো ধুলো, ফুলের রেণু, বিশেষ বিশেষ খাবার, পশুপাখীর শুকনো বিষ্ঠা, পালকের তৈরী বালিশ ইত্যাদি। এছাড়া কেউ বেশী আবেগপ্রবণ হয়ে গেলে, ভারী ব্যয়াম করলে, আবহাওয়া পরিবর্তনে (যেমন শীত কালে), ফুসফুসের ইনফেকশন হলে, নির্দিষ্ট কিছু পেশায় এমনকি বিশেষ কিছু অসুধ খেলেও এই রোগের প্রাদুর্ভাব দেখা দেয়। এজমা রোগী নিজে যত্নবান হলে এ রোগ নিয়ন্ত্রনে রাখা যায়। এজমা একেবারে ভালো করে দেবে এমন কোনো ঔষুধ এখনো আবিষ্কার হয়নি।
Related Questions
Next steps
- Find a doctor for in-person or online consultation
- Browse medical tests patients often ask about
- Check medicine information (uses, dosage, brands in Bangladesh)
- More health Q&A on Bissoy