3 Answers

সদ্য বিয়ে হয়েছে এমন দম্পতির মধ্যে প্রায়ই ওজন বেড়ে যাওয়ার প্রবণতা দেখা যায়? বিশেষ করে নারীদের। এদের দেখা যায় খাওয়া শেষের পরও খাবার নষ্ট হবে এই চিন্তায় বাড়তি খাবারগুলোও খেয়ে নেয় যার পরিণতিতে ওজন বাড়তে থাকে। আমাদের দেশের নারীরা স্বামী বা সন্তানের প্লেটের বাড়তি খাবারও খেয়ে নেন এজন্যও অতিরিক্ত ক্যালোরি শরীরে যুক্ত হয়ে, ওজন বাড়তে পারে। আর পুরুষরা সাধারণত বাড়িতে ভালো অংশটি যেমন মাছের মাথা, মুরগীর রানটাই খেয়ে থাকেন এবং বাইরের খাবারও বেশি সময় খান। এজন্য তাদের ওজনও বেড়ে যায়। তবে বাড়তি ওজন কমিয়ে যদি ঝরঝরে ফিট আর সুন্দর ফিগারেই থাকতে চান তবে যা করতে হবে: ১.অনেকেরই অভ্যেস আছে প্রতিদিন বাড়ি ফেরার সময় বাইরের মুখরোচক খাবার নিয়ে আসেন। এসব তেলে ভাজা বা ফাস্টফুড খাবারের পরিবর্তে সন্ধ্যায় একবাটি ফল কেটে দু’জন মিলে খেতে পারেন। ২.বাইরের খাবার যদি খুব পছন্দের হয় তবে ছুটির দিনে রাতে একসঙ্গে বাইরে গিয়েই খান। বাইরে গিয়ে খাবারের অর্ডার দেওয়ার সময় যতটুকু খাবার তৃপ্তি নিয়ে খেতে পারবেন ততটুকুই অর্ডার করুন। ৩.মেইন ডিস আসার আগে সালাদ এবং ক্লিয়ার সুপ খেয়ে নিন। ডেজার্ট খেতে চাইলে একটি আইটেম নিয়ে ভাগ করে খান। ঘরে বা বাইরে খাবার যতোই পছন্দের হোক না কেন, নিজের ইচ্ছা বা কারও অনুরোধে অতিরিক্ত খাবেন না। ৪.নিজের এবং পরিবারের সুস্বাস্থ্য রক্ষার দায়িত্ব কিন্তু আমাদের। তাই বাড়ির রান্না স্বাস্থ্যসম্মত করতে রান্নায় তেলের পরিমাণ কমিয়ে দিন। মাংসের পরিবর্তে মাছের ওপর নির্ভরতা বাড়ান। আর প্রতিবেলায় খাবারে প্রচুর শাক-সবজি রাখুন। সুস্বাস্থের বিষয়টি সামনে আনতে পারলে দেখবেন পরিবারের অন্যরা ঝামেলা ছাড়া এগুলো খেয়ে আপনাকে এবিষয়ে সাহায্যই করবে। ৫.একটি মজার বিষয় হচ্ছে নারীরা যখন বাইরে খান তখন খাবার ছোট পরিমাণে মুখে দেন এবং খুব ধীরে ধীরে অনেক সময় নিয়ে খান। এতে তাদের পরিমাণের চেয়ে কম খাবার খেলেও পেট ভরে যায়। কারণ আমরা যখন খুব দ্রুত খেতে থাকি তখন পেট ভরে যাওয়ার সংকেত আমাদের মস্তিস্কে পৌঁছতে বেশি সময় লাগে। এজন্য বেশি খাবার খাওয়া হয়। ধীরে ধীরে খেলে অনেক বেশি পরিমাণে খাবার খাওয়ার স্পৃহা থাকে না বলেই বিশেষেজ্ঞরা পুরুষদেরও এমন নারীর মতো করেই খাওয়ার পরামর্শ দিয়েছেন। বাড়তি ওজন মানেই হৃদরোগ, ডায়াবেটিস, রক্তে কলেস্টরেলের মাত্রা বেড়ে যাওয়া, হতাশার মতো নানা ঝামেলা সব মিলে আমাদের মৃত্যুঝুঁকি বেড়ে যায়। শরীরের সুস্থ্ থাকতে এবং ওজন ঠিক রাখতে প্রথমে খাবার নিয়ন্ত্রণ করা জরুরি তারপর সবচেয়ে গুরুত্বপূর্ণ হচ্ছে নিয়মিত অন্তত আধা ঘণ্টা ব্যায়াম করা।

2874 views Answered

শরীরের অতিরিক্ত মেদ কমানোর কার্যকারি প্রাকৃতিক উপায়ঃ

2 লিটার পানি
1 চা চামচ অাদা কুচি
1 টি শশা ছোট টুকরা করে কাটা
1 টি মাঝারি লেবু
12 টি পুদিনা পাতা
সব একসাথে কাচের পাত্রে সারা রাত ফ্রিজে রেখে দিন।
সকালে উঠে খালি পেটে 1গ্লাস তারপর সারাদিন পানি মত পান করে যান, এক মাসের মধ্যে ফলাফল বুঝতে পারবেন।
বিঃদ্রঃ গরুর মাংস, ভাত ও অন্যান্য চর্বি জাতীয় খাবার একটু কমিয়ে দিয়ে প্রচুর ফল, সব্জি ও সালাদ খেলে ভাল ফল পাবেন এবং সাথে অন্যান্য ব্যায়াম ও করতে পারেন।
ধন্যবাদ।

2874 views Answered

১) ওটস খেতে বেশ সুস্বাদু এবং গুণেও ভরপুর। খুব সহজেই ক্ষুধা নিবারণ করে বলে সকালের নাস্তা, দুপুর অথবা রাতের খাবার হিসেবে ওটস খাওয়া যায়। প্রচুর পরিমাণে ফাইবার থাকার কারণে নিয়মিত ওটস খেলে ওজন কমে যায় দ্রুত। সেই সঙ্গে কোলেস্টেরলও নিয়ন্ত্রণে থাকে। ২) ওজন কমানোর সহযোগী আরেকটি খাবার হলো ডিম। ডিমে আছে প্রচুর পরিমাণে প্রোটিন এবং খুব কম পরিমাণে ক্যালরি। তাই ডিম মাংসপেশী গঠনে সহায়তা করে এবং ভালো কোলেস্টেরলের মাত্রা বাড়িয়ে খারাপ কোলেস্টেরল কমিয়ে দিতে সহায়তা করে। ৩) ওজন কমানোর জন্য উপকারী একটি খাবার হলো আপেল। আপেলে প্রচুর পরিমাণে অ্যান্টি অক্সিডেন্ট আছে যা ওজন কমাতে ভূমিকা রাখে। আপেলে আছে পেকটিন যা শরীরের ফ্যাট সেল গুলোকে কমিয়ে দিতে সহায়তা করে। ৪) কাঁচা মরিচের ঝালও কমিয়ে দেয় ওজন! অবাক হলেন? কাঁচা মরিচে আছে ক্যাপসাইসিন যা শরীরে মেদ দ্রুত কমিয়ে দিতে সহায়তা করে থাকে। ৫) যাদের ওজন বেশি তারা নিয়মিত রসুন খাওয়ার অভ্যাস করুন। কারণ রসুনে আছে অ্যালিকিন যা শরীরের মেদ দ্রুত কমিয়ে দিতে সক্ষম। সেই সঙ্গে রক্তের খারাপ কোলেস্টেরলের মাত্রা কমিয়ে দেয় রসুনের এই উপাদানটি। ৬) ওজন কমাতে নিয়মিত গ্রিন টি খান। গ্রিন টিতে আছে প্রচুর পরিমাণে অ্যান্টিঅক্সিডেন্ট যা শরীরের ওজনটাকে নিয়ন্ত্রণে রাখতে সহায়তা করে। দ্রুত ফলাফল পেতে চাইলে দিনে দুই কাপ করে গ্রিন টি খাওয়ার অভ্যাস করুন। ৭) মধু ওজন কমাতে সহায়ক একটি খাবার। প্রতিদিন সকালে খালি পেটে হালকা গরম পানিতে মধু মিশিয়ে খেয়ে নিন। বেশ দ্রুতই কমে যাবে আপনার অতিরিক্ত ওজন।

2874 views Answered

Related Questions

Next steps