1 Answers

সাধারণত অগ্ন্যাশয় ক্যান্সার সন্দেহ হলে প্রথমে সূক্ষ্ম আক্রমণকারী পরীক্ষাগুলো করা হয় যেমন সেরোলজিক টিউমার মার্কার টেস্ট, মল পরীক্ষা ইত্যাদি।এরপর নিশ্চিত হওয়া গেলে তখন অন্যান্য পরীক্ষাগুলো করা হয়। ১) আলট্রা সাউন্ড এক্সামিনেশনঃ এর মাধ্যমে অগ্ন্যাশয় অভ্যন্তরীণ গঠন বোঝা যায় এবং বিলিয়ারি ট্র্যাক্ট এ কোন বাধা আছে কিনা তাও জানা যায়। ২) সি.টি.ঃ এর মাধ্যমে টিউমারের আকার, আকৃতি, অবস্থান ইত্যাদি সম্পর্কে ধারনা পাওয়া যায়। এছাড়াও লিভারে মেটাস্টাসিস আছে কিনা ও লসিকাগ্রন্থি ফুলে উঠেছে কিনা তাও জানা যায়। ৩) এম.আর.আই ও এম.আর.সি.পি. এক্সামিনেশনঃ অন্য পরীক্ষার মাধ্যমে ক্যান্সার সনাক্ত করতে অসুবিধে হলে সেক্ষেত্রে এই পরীক্ষাগুলো করা হয়।

2632 views Answered

Next steps