1 Answers
১. গর্ভাশয়ের কোষ পরীক্ষা করাঃ স্ত্রী রোগ সংক্রান্ত পরীক্ষা বা ক্যান্সার সনাক্তকরণ পরীক্ষার আওতায় এটি করতে হবে। ২. আয়োডিন পরীক্ষাঃ ভ্যাজিনোস্কোপির মাধ্যমে গর্ভাশয় পর্যবেক্ষণের জন্য এই পরীক্ষা করা হয়। এই পদ্ধতিতে গর্ভাশয়ের উপরিভাগের শ্লেষ্মা সরিয়ে সরাসরি ২% তরল আয়োডিন গর্ভাশয়ে এবং যোনিজ ঝিল্লীতে লাগানো হয়। যদি এরপর অই অংশের রঙ কোনরূপ পরিবর্তিত হয় তাহলে দ্রুত বায়প্সি করাতে হবে। ৩. বায়প্সিঃ আয়োডিন টেস্টের পর ফলাফল পসিটিভ আসলে সেক্ষেত্রে ওই অংশের কোষ বায়াপ্সি করতে দিতে হবে। ৪. ভ্যাজিনস্কপিঃ এটি সরাসরি ক্যান্সার সনাক্ত করতে পারে না, এর জন্য এর সাথে বায়প্সি এর ও প্রয়োজন হয়। ৫. কোনাইজেশনঃ বায়প্সির মাধ্যমে ক্যান্সার সনাক্ত করতে ব্যর্থ হলে জরায়ুজ সেরভিক্স থেকে কোণ আকারে কোষ কেটে পরীক্ষা করা হয়।