1 Answers
১. ধূমপানঃ জ্বলন্ত তামাক থেকে এমন কিছু ক্ষতিকর পদার্থ নির্গত হয় যা ক্যান্সারের জন্য দায়ী। ধূমপান সিলিয়ারি মুভমেন্ট কে কমিয়ে বা বন্ধ করে দিতে পারে এবং এর ফলে মিউকাস হাইপারেমিয়া বা এডিমা হয় এবং এপিথেলিয়াল পুরু হয়ে যায় সেই সাথে স্কোয়ামাস দেহকলার অস্বাভাবিক রুপান্তর ঘটে। ২. অতিরিক্ত মদ্যপানঃ শ্লৈষ্মিক ঝিল্লীতে দীর্ঘমেয়াদী উদ্দীপনার ফলে ক্যান্সার হতে পারে। ৩. ক্রনিক গলদাহের ফলেঃ ক্রনিক গলদাহ বা রেসপিরেটরি প্রদাহ অর্থাৎ দীর্ঘমেয়াদী প্রদাহ থেকেও ক্যান্সার হতে পারে। ৪. বায়ু দূষণঃ বিভিন্ন ক্ষতিকারক গ্যাস যেমন সালফার ডাই অক্সাইড, শিল্প কারখানার গ্যাস ইত্যাদি দীর্ঘমেয়াদী ভাবে গ্রহনের ফলে খুব সহজেই বাকযন্ত্র সংক্রান্ত ক্যান্সার হতে পারে। ৫. ভাইরাল ইনফেকশনঃ বিভিন্ন ভাইরাস মানুষের শরীরে অস্বাভাবিক কোষ বিভাজনের জন্য দায়ী যেমন HPV16 এবং HPV18। এসব ভাইরাল ইনফেকশনের কারণেও ক্যান্সার হতে পারে। ৬. ক্যান্সার পূর্ববর্তী ক্ষতঃ ল্যারিঙ্গিয়াল কেরাটোসিস এবং বিনাইন বাকযন্ত্র সংক্রান্ত টিউমার সমূহ যেমন ল্যারিঙ্গিয়াল প্যাপিলোমা পরবর্তীতে ক্যান্সারে রূপ নিতে পারে। ৭. তেজস্ক্রিয় রশ্মিঃ তেজস্ক্রিয় রশ্মি ব্যবহার করে গলার টিউমারের চিকিৎসা করা হলে পরবর্তীতে সেখানে ক্যান্সার হয়ে যেতে পারে। ৮. সেক্স হরমোনঃ গবেষণায় দেখা গেছে যে, যে সব রোগীরা বাকযন্ত্র সংক্রান্ত ক্যান্সারে আক্রান্ত তাদের এস্ট্রোজেন রিসেপ্টারে পুংলিঙ্গ কোষ বা ম্যাস্কিউলিন সেল এর পরিমান বেশি।
Related Questions
Next steps
- Find a doctor for in-person or online consultation
- Browse medical tests patients often ask about
- Check medicine information (uses, dosage, brands in Bangladesh)
- More health Q&A on Bissoy