1 Answers
পৃথিবীর আবহাওয়া মন্ডল হচ্ছে সৃষ্ট শক্তি, রাসায়নিক ক্রিয়া, বিক্রিয়া এবং ভৌত পরিবর্তনের এক সমন্বিত ভারসাম্য। ক্রমবর্ধমান হারে বর্তমানে বায়ুমন্ডলে গ্রীন হাউজ গ্যাস হবার ফলে পৃথিবী গত ২০ লাখ বছরের মধ্যে সবচেয়ে গরম হয়ে যাবে। ১৮৮০ সাল থেকে ১৯৮৬ সালের মধ্যে পৃথিবীর তাপমাত্র ০.৬ ডিগ্রী সেন্টিগ্রেড বেড়েছে। ২০৩০ সালের মধ্যে পৃথিবীর ঊষ্ণতা ২.৫ ডিগ্রী সেন্টিগ্রেড এবং ২০৫০ সাল নাগাদ ৩.৮ সেন্টিগ্রেড বেড়ে যেতে পারে। মনে করা হয় বিষুবীয় ও মেরূ অঞ্চলের তাপমাত্রা দ্রুত বাড়ছে। গ্রীন হাউজের প্রভাবের ফলে সমুদ্রের স্তর ৩০ থেকে ৪০ সেন্টিমিটার বেড়ে যাবে। এর ফলে বাংলাদেশ সহ উপকূলবর্তী এলাকার একটি বিরাট অংশ তলিয়ে যাবার সম্ভাবনা আছে। আবহাওয়ার প্রকৃতি বদলে যাবে। ফসল ডুবে যাবে, বনাঞ্চল ধ্বংস হবে, সংক্রামিতহবে সরবরাহকৃত পানি। বন্যজন্তুর পরিমান হ্রাস পাবে ও মানুষ হারাবে তাদের আবসস্থল। ঘূর্লিঝড় আরো অধিক শক্তিতে আঘাত হানবে বছরে কয়েকবার। বৃষ্টিবহুল এলাকা বিষুবীয় অঞ্চল থেকে মেরু পর্যন্ত বিস্তৃত হবে। বাংলাদেশ আরো বর্ষাসিক্ত হয়ে উঠবে। ফসল উৎপাদন ও খাদ্যভাব হবে প্রকট। উত্তপ্ত পৃথিবীতে নতুন সামাজিক, অর্থনৈতিক ও রাজনৈতিক সমস্যা দেখা দেবে। বিপুল সংখ্যক আশ্রয়হীন জনগোষ্ঠীকে নিয়ে বাংলাদেশকে মারাত্মক সমস্যার সম্মূখীন হতে হবে।