user-avatar

salehahmedlabib

◯ salehahmedlabib

এটি একটি স্ত্রী যৌনাঙ্গ।

যা শুধুমাত্র স্ত্রী মেরুদন্ডী প্রাণীতে দেখা যায়। মানুষের ক্ষেত্রে এটি একটি ছোট বোতামের মত। যা লেবিয়া মাইনরার আগে এবং যোনি ও মুত্রনালীর প্রবেশ মুখের উপরাংশে অবস্থিত।

এটির মূল কাজ হল নারীকে যৌন মিলনকালে তৃপ্তি প্রদান করা। এটি একটি অভ্যন্তরীণ অঙ্গ তাই এর বর্ণ চর্মের ন্যায় না হয়ে ঝিল্লীর ন্যায় হয়। এটির উচ্চতা সিকি ইঞ্চি থেকে ১ইঞ্চি পর্যন্ত হয়। তবে যৌন উত্তেজন বাড়তে থাকলে এটি শক্ত ও দীর্ঘ হতে থাকে। যৌন সঙ্গমের সময় যখন পুরুষ লিঙ্গ চালনা করে তখন লিঙ্গমুন্ড ভগাঙ্কুর ঘষা লাগতে থাকে এবং নারী পুলক লাভ করতে থাকে।

 

নিচে একটি লিংক দেওয়া হলো। এখানে অনেকগুলি প্রয়োজনীয় ওয়েবসাইটের ঠিকানা দেওয়া আছে। আশা করি উপকৃত হবেন। http://techalarmbd.com/%E0%A6%87%E0%A6%A8%E0%A7%8D%E0%A6%9F%E0%A6%BE%E0%A6%B0%E0%A6%A8%E0%A7%87%E0%A6%9F/alarm-id/5649/ ধন্যবাদ।

অনলাইনে জিপ ফাইল খুলতে হলে http://b1.org/online এই ওয়েবসাইটে গিয়ে ইন্সট্রাকশন অনুযায়ী খুলে ফেলুন এছাড়াও, http://unzip-online.com/ এটাতেও কাজ হবে আশা করি। কোন আনজিপ সফটওয়ার ছাড়াও আপনি জিপ, আনজিপ করতে পারবেন

ফিতরা : ইসলামী শরিয়তের হুকুম মোতাবেক এটি একটি ওয়াজিব আমল। ঈদুল ফিতরের দিন সুবহে সাদিকের সময় জীবিকা নির্বাহের অত্যাবশকীয় সামগ্রী ছাড়া নিসাব পরিমাণ বা অন্য কোনো পরিমাণ সম্পদের মালিকদের পক্ষ থেকে গরিবদের জন্য নির্দিষ্ট পরিমাণের একটি অর্থ প্রদান করার বিশেষ আয়োজনকে সাদকাতুল ফিতর বলা হয়। ফিতরার পরিমাণ জনপ্রতি আধা সা অর্থাৎ এক সের চৌদ্দ ছটাক বা পৌনে দুই সের গম বা সমপরিমাণ গমের মূল্য ফিতরা হিসেবে প্রদান করতে হবে। ইবনু আব্বাস (রা) সুত্রে বর্নিত, তিনি বলেন রাসুল (সা) যাকাতুল ফিতর যরয করেছেন অশ্লীল কথা ও খারাপ কাজ হতে রোযাকে পবিত্র করতে এবং মিশকিনদের খাদ্যের জন্য । যে ব্যক্তি ঈদের সলাতের (নামাযের) পুর্বে তা আদায় করে সেটা কবুল সদকাহ গণ্য হবে, আর যে ব্যক্তি সালাতের পর তা আদায় করবে তা সাধারণ দান হিসেবে গৃহিত হবে । (আবু দাউদ, ১ম খন্ড,হা/১৬০৯; ইবনু মাজাহ,হা/১৮২৭) যাকাত : ইসলামী শরীয়াতের পরিভাষায় জীবন যাত্রার অপরিহার্য প্রয়োজন পুরণের পর সম্পদে পূর্ণ এক বছরকাল অতিক্রম করলে ঐ সম্পদ থেকে নির্দিষ্ট অংশ আল্লাহর নির্ধারিত খাতে ব্যয় করাকে যাকাত বলা হয়। ইউসুফ কারযাভী বলেন,শরীয়াতের দৃষ্টিতে যাকাত ব্যবহৃত হয় ধন-মালে সুনির্দিষ্ট ও ফরযকৃত অংশ বোঝানোর জন্য। যেমন পাওয়ার যোগ্য অধিকারী লোকদের নির্দিষ্ট অংশের ধন-মাল দেওয়াকে যাকাত বলা হয়। ইমাম ইবনে তাইমিয়া বলেন,যাকাত আল্লাহ নির্দেশিত অংশ ধন-মাল থেকে হকদারদের দিয়ে দেয়া,যাতে মন-আত্মা পবিত্র হয় এবং ধন-মাল পরিচ্ছন্ন হয় ও বৃদ্ধি পায়। নিজের অর্থ সম্পদের একটি নির্দিষ্ট অংশ অভাবী মিসকিনদের মধ্যে বন্টন করে দেওয়াকে যাকাত বলে। এটাকে যাকাত বলার কারণ হল এভাবে যাকাত দাতার অর্থ সম্পদ এবং তার নিজের আত্মা পবিত্র -পরিচ্ছন্ন হয়ে যায়। যাকাতের শরয়ী অর্থই তো,আল্লাহর সন্তোষ লাভের উদ্দেশ্যে কোন মালদার ব্যক্তি কর্তৃক কোন হকদার ব্যক্তিকে তার মালের নির্ধারিত অংশ অর্পন করা। শেষ কথাঃ- সাদকাতুল ফিতর শুধু মাত্র রমজান মাসে রোজাদরদের ভুল-ত্রটি ইত্যাদি'র কাফ্ফারা হিসেবে দিতে হয়। আর যাকাত অর্জিত সম্পদের বাৎসরিক হিসাবের উপর নির্ধারিত হয়।
সাধারণত কম্পিউটার চালু করতে হলে সিপিইউয়ের পাওয়ার বাটনে চাপ দিতে হয়। কিন্তু কোনো কারণে কম্পিউটারের সিপিইউ পাওয়ার বাটন হঠাৎ করে নষ্ট হয়ে গেলে কিংবা কাজ না করলে কম্পিউটারটি অচল হয়ে পড়ে। এ ধরনের সমস্যায় পড়লে সিপিইউ পাওয়ার বাটন নিয়ে মাথা না ঘামিয়ে সহজেই কিবোর্ড দিয়ে কম্পিউটার চালু করা সম্ভব। এজন্য কম্পিউটার চালু হওয়া অবস্থায় কিবোর্ড থেকে Delete বাটন চেপে ধরতে হবে। কিছুক্ষণের মধ্যে মনিটরে বায়োসের একটি পেজ ওপেন হবে। সেখান থেকে Power Management Setup চাপতে হবে। তারপর Power on My Keyboard নির্বাচন করে আবার Enter চাপতে হবে। এরপর Password দিয়ে আবারও Enter চাপতে হবে। Password দেওয়ার সময় কিবোর্ড থেকে নিজের পছন্দমতো যে কোনো একটি 'কি' নির্বাচন করতে হবে। সবশেষে কিবোর্ড থেকে [F10] বাটনটি চেপে বের হযে আসতে হবে। এরপর থেকে নিজের নির্বাচিত 'কি' চাপ দিয়ে খুব সহজেই কম্পিউটারটি যে কোনো সময় চালু করা যাবে।
আগেরকালে পিসির আকৃতি ছোট করার আর এটা যাতে সবাই কিনতে পারে সেই দিকেই বেশি গুরুত্ব দেয়া হইত। তারা হার্ডওয়্যার তৈরির সময় সবচেয়ে কম দামের পার্টস ব্যাবহার করত আর সফটওয়্যার লেখার সময় বিপদজনক শটকাট ইউস করত। তাছাড়া ধীর গতির পিসিতে ভাল পারফরমেন্স পাবার আশায় অপারেটিং সিস্টেম, সকল এপ্লিকেশন প্রোগ্রাম ও ডিভাইস ড্রাইভার চালানোর জন্য মেইন মেমরির একটি নির্দিষ্ট স্পেস ব্যবহার করত। আর এগুলোর মধ্যে যদি কোন একটিতে ক্ষতিকর বাগ থাকত তাহলে তা পুরা সিস্টেম কে অচল করে দিত। সব সফটওয়্যার নির্দিষ্ট ও অরক্ষিত স্পেস ব্যবহার করত। জার ফলে যেকোনো সফটওয়্যার এ একটি সমস্যা থাকলে তা অন্য সফটওয়্যার এ ছড়িয়ে পড়ত। যার ফলে সিস্টেম ক্রাশ। কিন্তু আগেরকালের পিসিগুল যথেষ্ট বিশ্বত ছিল তাদের সহজ ও সরল আর্কিটেকচারের জন্য। আর এখনকার পিসিগুলোতে আগের কালের পিসিগুলোর তুলনায় বাঁশি ক্রাশ হয়। কারন বর্তমানে পিসির জটিল আকার ধারন করা । আরও কারন আছে ক্রাশ হওয়ার । পিসির বর্তমান অপারেটিং সিস্টেম এর কোড সাইজের স্বাভাবিক বাড়ার কথাই ধরুন। ১৯৯২ সালের উইন্ডোজ এনটি এর অরিজিনাল ভার্সনে সোর্স কোড এর সংখ্যা ছিল ৪ মিলয়ন লাইন। আর ১৯৯৬ সালে রিলিজ হওয়া এনটি ৪.০ এ সোর্স কোড এর পরিমান দারাইছে ১৬.৫ মিলিয়ন। এর পরে যে উইন্ডোজ এনটি এর ৫.০ ভার্সন বের হইছে তাতে সোর্স কোড এর পরিমান আসিল ৩০ মিলিয়ন লাইন । এইবার বুঝেন ঠ্যালা শতকরা বাড়ার হার ৬ বছরে ৭০০% । যদি এখানে কোন ক্ষতিকর বাগ থাকে তাহলে সিস্টেম ক্রাশ হতে কতক্ষণ লাগবে আপনারাই বের করেন? অনেক সময় সফটওয়্যার এর সমস্যার কারনেও এটি হতে পারে । যখন কোন সিস্টেম ক্রাশ করে তখন সফটওয়্যার গুলো ফেইল করে। যদি এটি কোন এপ্লিকেশন হয় তাহলে আপনাকে আনসেভড কাজ গুলা হারাতে হবে । তবে উন্নতমানের অপারেটিং সিস্টেম অবশ্যই অন্যান্য প্রোগ্রামের মেমোরি পার্টিশন রক্ষা করবে। অনেকসময় ক্রাশ করা প্রোগ্রামটি আর অনেক প্রোগ্রাম এ সমস্যা সৃষ্টি করে ফলে পুরা সিস্টেম অচল হওয়া যায়। তখন পিসি রিবুত করা ছাড়া উপাই নাই। আবার অপ্রত্যাশিত রিবুত হার্ডডিস্কে নানান জঞ্জাল বানাতে পারে। তার ফলে আপনার হার্ডডিস্ক ক্রাশ করতে পারে। তার পর আপনাকে নতুন হার্ডডিস্ক লাগাতে হবে। আবার ভাইরাস এর কারনেও সিস্টেম ক্রাশ হতে পারে। আবার নতুন এক ঝামেলা হইল কম্পিউটার এর হার্ডওয়্যার চুরি। বিশেষ করে র‍্যাম চুরি । র‍্যাম চুরির ফলে সিস্টেম অন হওয়ার সময় প্রয়োজনীয় হার্ডওয়্যার এর অভাবে আপনার সিস্টেম ক্রাশ করবে

CardRecovery™ নামের সফটওয়্যারটি দিয়ে আপনার ফরম্যাট, হারিয়ে যাওয়া ডাটা, নষ্ট হওয়া ফাইলগুলো রিকভার করা যায়। সফটওয়্যারটি সকল ধরনের মেমোরি কার্ড সাপোর্ট করে। যেমন: SD (Secure Digital) Card, CF (Compact Flash) Card, xD Picture Card, Memory Stick, SmartMedia Card, MMC (MultiMediaCard), MicroSD, MiniSD, SDHC

এই সফটওয়্যারের বৈশিষ্ট্য হলো -

মেমোরি কার্ড থেকে ডিলেট, নষ্ট, ফরম্যাট হওয়ার ফলে হারিয়ে যাওয়া ছবি, মুভিসহ যেকোন ডাটা রিকবার করা যায়।

যেকোন ফ্লাশ ড্রাইভ থেকেও ডাটা রিকভার করা যায়। মোবাইল ফোন থেকে ডিলেট হওয়া ছবি ও মুভিও রিকভার করা যায়।

ধন্যবাদ।

একটি মধ্যমপন্থী ধর্ম হিসেবে ইসলামের মূলনীতি হলো- ইসলাম বিবাহকে উৎসাহিত করে। কারণ মানুষের প্রাকৃতিক চাহিদা পূরণের এবং মানব বংশের ধারা অব্যাহত রাখার এটিই একমাত্র বৈধ পন্থা। কৌমার্য বরণের মাধ্যমে স্বাভাবিক ((Natural)) চাহিদা দমন করাকে ইসলাম সমর্থন করে না। তাছাড় বিবাহ রাসূলুল্লাহ (স.) এর একটি গুরুত্বপূর্ণ সুন্নাত। আনাস (রা.) থেকে বর্ণিত বোখারী শরীফের নিুোক্ত হাদিসটি তার প্রমাণ :

“তিন ব্যক্তির একটি দল রাসূলুল্লাহ (স.) এর স্ত্রীগণের কাছে নবী (স.) এর ইবাদাত সম্পর্কে জিজ্ঞাসা করার জন্য আগমন করল। তাদেরকে এ সম্পর্কে জানানো হলে তারা নিজেদের ইবাদাতের পরিমাণকে যথেষ্ট মনে করলো না এবং তারা বলল- কীভাবে আমরা নবীর সমকতা অর্জন করতে পারি যাঁর পূর্বের ও পরের সব গুনাহ মা করে দেয়া হয়েছে। এ সময় তাদের মধ্য থেকে একজন বলল- আমি আজীবন রাতভর নামাজ পড়তে থাকব। অন্যজন বলল- আমি সারা বছর রোজা রাখবো এবং কখনও রোজা ভাঙ্গবো না (অর্থাৎ বিরতি দেব না)। তৃতীয় ব্যক্তি বলল- আমি সর্বদা নারী থেকে দূরে থাকবো এবং কখনও বিবাহ করবো না। অতঃপর নবী (স.) তাদের কাছে আসলেন এবং বললেন, তোমরা কী সেই লোক যারা এরূপ কথাবার্তা বলেছ? আল্লাহর শপথ, আমি আল্লাহর প্রতি তোমাদের চেয়ে বেশি অনুগত এবং তাঁকে তোমাদের চেয়ে বেশী ভয় করি। কিন্তু তা সত্ত্বেও আমি রোজা রাখি আবার বিরতিও দেই, রাতে নিদ্রা যাই এবং মহিলাদের বিবাহও করি। যারা আমার সুন্নতের প্রতি বিরাগ পোষন করে (অনুসরণ করে না), তারা আমার উম্মতের অন্তর্ভুক্ত নয়।”

ইসলাম একদিকে যেমন কৌমার্য (Celibacy) এর দ্বারা মানুষের সহজাত প্রবৃত্তিকে দমন করার পপাতী নয় ঠিক তেমনি এটি লাগামহীন অবিবেচক যৌন জীবনকেও অনুমোদন করে না। রাসূল (স.) বলেন, “হে যুবসমাজ, তোমাদের মধ্যে যারা বিবাহ করতে সমর্থ তারা যেন বিবাহ করে, কারণ এটি চোখকে আকার্ষপূর্ণ দৃষ্টি থেকে দূরে রাখে এবং পবিত্রতা রক্ষা করে। আর যারা বিবাহের সামর্থ্য রাখে না তারা যেন রোজা রাখে। যাতে এটি ঢাল হিসেবে তাকে রা করতে পারে।

এতদসত্ত্বেও বিবাহ সম্পর্কিত ইসলামের নির্দেশনা ব্যক্তি বিশেষের অবস্থার পরিপ্রেক্ষিতে ভিন্ন ভিন্ন হয়। কখনও এটি বাধ্যতামূলক, কখনও বিশেষ পছন্দনীয় বা মুস্তাহাব, কখনও এটি শুধুমাত্র হালাল বা বৈধ আবার কোন কোন অবস্থার পরিপ্রেেিত এটি হারামও হতে পারে।

ইসলামিক ইনস্টিটিউট অব টরোন্টো, কানাডা এর একজন সিনিয়র লেকচারার শেখ আহমদ কুট্টি বলেছেন, যদিও ইসলামিক ফিকাহ শাস্ত্র মতে বিবাহ একটি বিশেষ পছন্দনীয় (Highly recommended) কাজ, তদুপরি অবস্থার পরিপ্রেেিত একে চার ভাগে ভাগ করা যায়। যথা-

১. ফরজ বা বাধ্যতামূলক (Obligatory)

২. মুস্তাহাব বা পছন্দনীয় (Recommended)

৩. হালাল বা বৈধ (Permitted)

৪. হারাম বা নিষিদ্ধ (Forbidden)

বিবাহ তখনই ফরজ বা বাধ্যতামূলক হয় যখন একজন ব্যক্তি (নারী ও পুরুষ) তীব্র যৌন চাহিদা অনুভব করে এবং তার দ্বারা ব্যভিচার ঘটে যাবার আশংকা থাকে। যেহেতু ব্যভিচার থেকে দূরে থাকা ফরজ এবং বিবাহই একমাত্র এই চাহিদা পূরণের বৈধ পন্থা, সেহেতু ঐ ব্যক্তির জন্য বিবাহ ফরজ। এেক্ষত্রে ফিকাহ শাস্ত্রের মূলনীতিটি হলো, “যদি একটি ফরজ কাজ অন্য একটি কাজ ব্যতীত আদায় সম্ভব না হয় তবে ঐ সহায়ক কাজটিও মূল ফরজের মতোই ফরজ হিসেবে গণ্য হবে।”

যদি কোন ব্যক্তির যৌন চাহিদা খুব তীব্র না হয় এবং তার দ্বারা ব্যভিচার সংঘটিত হবার সম্ভাবনা না থাকে কিন্তু বিবাহ করার সবরকম সামর্থ্য ও সুযোগ তার থাকে এমতাবস্থায় বিবাহ তার জন্য মুস্তাহাব বা পছন্দনীয় কাজ। কারণ এটির দ্বারা সে রাসূল (স.) এর একটি গুরুত্বপূর্ণ সুন্নাতকে অনুসরণ করছে।

একজন ব্যক্তির বিবাহ করার মতো ন্যূনতম অর্থনৈতিক সামর্থ্য যদি না থাকে (মোহরানা আদায় ও স্ত্রীর ভরণ-পোষণ স্বামীর জন্য ফরজ) এবং এভাবে সে যদি বিবাহের দায়িত্বসমূহ পালনে অসমর্থ হয় কিন্তু বিবাহের তীব্র প্রয়োজন অনুভব করে, সেেেত্র বিবাহ করা তার জন্য হালাল (Permitted) এই শর্তে যে-

- সে তার সামর্থ্য অনুযায়ী সৎপন্থায় উপার্জনের সর্বাত্মক চেষ্টা চালিয়ে যাবে এবং

- ভাবী স্ত্রীকে নিজের অর্থনৈতিক অবস্থা সম্পর্কে স্পষ্ট ধারণা দান করবে। সত্য গোপন করা এেেত্র প্রতারণার সামিল।

আল্লাহ এরূপ অভাবী ব্যক্তিকে সাহায্য করার অঙ্গীকার ব্যক্ত করেছেন। এ ক্ষেত্রে আরেকটি বিষয় উল্লেখযোগ্য, এমন পরিস্থিতিতে মুসলিম সমাজের দায়িত্ব হলো ঐ ব্যক্তিকে আত্মনির্ভরশীল হবার পূর্ব পর্যন্ত সাহায্য করা।

কিন্তু পরিস্থিতি যদি এমন হয় যে ব্যক্তিটি সৎভাবে উপার্জনের কোন পথই পাচ্ছে না এবং বৈবাহিক দায়িত্ব (অর্থনৈতিক) পালনের কোন উপায়ই তার সম্মুখে খোলা নেই, এমতাবস্থায় ঐ ব্যক্তিকে রোযা ও অন্যান্য সংযম সাধনের (Acts of sublimation) মাধ্যমে নিজেকে দমনের চেষ্টা চালাতে হবে।

যদি কোন ব্যক্তি মনে করে যে তার দ্বারা বিবাহের আবশ্যক (ফরজ) দায়িত্ব-কর্তব্য পালন করা সম্ভবপর নয় এবং তার ব্যভিচারে লিপ্ত হবার সম্ভাবনাও নেই, তখন ঐ ব্যক্তির জন্য বিবাহ হারাম বা নিষিদ্ধ। ইসলাম আমাদের অন্য ব্যক্তির প্রতি অন্যায় (Injustice) এবং অন্য ব্যক্তির অধিকার হরণকে হারাম করেছে। কাজেই স্বামী বা স্ত্রীর একের অন্যের প্রতি ফরজ দায়িত্বের অবহেলা পুরোপুরি হারাম।

বিবাহ কখন হরাম সে সম্পর্কে বিশিষ্ট ইসলামি চিন্তাবিদ, ফিক্হ আস-সুন্নাহ বই এর লেখক মরহুম শেখ সাইয়্যেদ সাবিক বলেন, “একজন পুরুষের জন্য বিবাহ হারাম তখন যখন তার স্ত্রীর অধিকার রার সামর্থ্য না থাকে। এ সামর্থ্যহীনতা দৈহিক বা অর্থনৈতিক যেটাই হোক না না কেন। কোন পুরুষ যদি দৈহিক মিলনে অম হয় বা স্ত্রীর ভরণ-পোষণের ব্যয় বহনের মতো অর্থনৈতিক সামর্থ্য তার না থাকে তবে তার জন্য বিবাহ বৈধ নয়।”

এ সম্পর্কে অপর একজন বিশিষ্ট চিন্তাবিদ আল কুরতুবী (রহ.) বলেন, “যদি কোন ব্যক্তি বিবাহের খরচ বহনের মতো সামর্থ্যবান না হয়, যদি তার মোহরানা পরিশোধের সামর্থ্য না থাকে বা স্ত্রীর অন্যান্য অর্থনৈতিক অধিকার (Financial right) আদায়ের সামর্থ্য না থাকে তবে তার বিবাহ বৈধ নয়, যতণ না সে তার অবস্থা ভাবী স্ত্রীকে জানায় অথবা সে অর্থনৈতিক স্বচ্ছলতা লাভ করে। আর যদি সে দৈহিক দুর্বলতা বা ত্র“টির কারণে দৈহিক মিলনে অসমর্থ হয় তবে তাও ভাবী স্ত্রীকে পরিপূর্ণভাবে জানাতে হবে। এেেত্র লুকোচুরি বা গোপন করার মাধ্যমে স্ত্রীকে প্রতারিত করা স্পষ্ট নিষিদ্ধ।

একই নিয়ম মহিলাদের ক্ষেত্রেও প্রযোজ্য। কোন মহিলা যদি স্বামীর হক আদায়ে অসমর্থ হন অথবা তার এমন কোন ত্র“টি থাকে যার ফলে সে দৈহিক মিলনে অম হন তবে এসব গোপন করে বিবাহ করা স্পষ্টতঃ নিষিদ্ধ (হারাম)। উদাহরণ স্বরূপ বলা যায়- স্থায়ী মানসিক রোগ (Insanity), কুষ্ঠরোগ (Leprosy), গোদ রোগ (Elephantiasis) অথবা স্ত্রীর অঙ্গের কোন রোগ (Genital or vaginal disease)।

এমন এক সমস্যা থাকলে তা বিবাহের পূর্বেই পুরুষটিকে জানিয়ে দিতে হবে। ব্যাপারটি অনেকট ক্রয়-বিক্রয়ের চুক্তির ন্যায়। বিক্রেতা বাধ্য থাকবে পণ্যের ত্র“টি সম্পর্কে ক্রেতাকে অবহিত করতে। যদি কোন প নিজের ত্র“টি অপরপরে নিকট গোপন করে তবে এ প (যার নিকট গোপন করা হয়েছে) বিবাহ বাতিলের অধিকার রাখে। যদি স্বামী বিবাহের পর এমন কোন মারাত্মক ত্র“টি স্ত্রীর মধ্যে পান যা তার নিকট গোপন করা হয়েছিল তবে তিনি বিবাহ বাতিল করতে পারবেন এবং মোহরানা ফেরত নিতে পারবেন (যদি তিনি ইচ্ছা করেন)। অনুরূপ কোন স্ত্রী যদি বিবাহের পর স্বামীর এমন কোন ত্র“টি পান যা গোপন রাখা হয়েছিল, তাকে বিবাহের পূর্বে অবহিত করা হয় নি (যা দ্বারা তার ফরজ অধিকার লঙ্ঘিত হয়), তবে তিনি বিবাহ বাতিলের সম্পূর্ণ অধিকার রাখেন।”

এেেত্র স্ত্রী তার মোহরানা কতটা পাবেন সে ব্যাপারে ইমাম মালেক (রহ.) দু’টি মত ব্যক্ত করেছেন। যদি দৈহিক মিলন ঘটার পরে (After consummating marriage) স্ত্রী বিবাহ বাতিল করেন তবে তিনি পূর্ণ মোহরানা পাবেন। অন্যথায় (অর্থাৎ বিবাহের পর পরই দৈহিক মিলন ঘটার পূর্বেই বিচ্ছেদ ঘটলে) তিনি অর্ধেক মোহরানা পাবেন।

আমরা জেনেছি নারী-পুরুষ নির্বিশেষে সবার জন্য বিয়ে বাধ্যতামূলক কি না। এখন আমরা যে বিষয়ে আলোকপাত করতে চাই তা হলো নারীদের জন্য বিবাহ বাধ্যতামূলক কি না। এ ব্যাপারে ২৬ বছর বয়স্ক একজন মহিলা চিঠি লিখেছিলেন ইসলাম অনলাইনে একথা জানতে চেয়ে যে, তার মা-বাবা তাকে বিয়ের জন্য চাপ দিচ্ছে। কিন্তু আশে-পাশে অনেক অসুখী পরিবার দেখে সে ভীত। একদিকে পিতা-মাতার অনুরোধ, অন্যদিকে বিয়ে ভীতি-এমতাবস্থায় তার কী করণীয়। এর উত্তরে বলা হয়েছেÑ

যদিও সাধারণত বিয়েকে ইসলাম উৎসাহিত করে তথাপি অবস্থা ও পারিপার্শ্বিকতার উপর ভিত্তি করে এটি কোন কোন ব্যক্তির জন্য ফরজ হয়, কারও জন্য মুস্তাহাব, কারও জন্য শুধুই হালাল এমনকি কারও কারও জন্য হারামও হয়ে থাকে (বিস্তারিত পূর্ব আলোচনায়)। এই নীতি নারী ও পুরুষ উভয়ের জন্য প্রযোজ্য। কাজেই মেয়েটির উচিত হবে নিজ অবস্থা পর্যালোচনা করে সেরূপে সিদ্ধান্ত নেয়া।

বর্তমান সময়ের বিশিষ্ট ইসলামি চিন্তাবিদ শেখ আহমদ কুট্টি প্রশ্নকারী মেয়েটির উদ্দেশ্যে বলেন :

“যেহেতু ইসলাম পিতা-মাতাকে বিশেষ সম্মানের চোখে দেখার নির্দেশ দেয় সেহেতু তাদের সাথে যে কোন ব্যাপারে মত বিনিময়ের সময় তাদের প্রতি বিনয়ী, নম্র ও সহানুভূতিশীল হওয়া আমাদের কর্তব্য। সব পিতা-মাতাই সন্তানের ব্যাপারে উদ্বিগ্ন থাকেন। তাই যে কোন সিদ্ধান্ত নেয়ার আগে সেটি বাবা-মা এর জন্য কতটা কষ্টদায়ক হবে তা চিন্তা করে সন্তানদের সিদ্ধান্ত নেয়া উচিত। তবে ইসলাম বিয়ের ব্যাপারে সম্মতি দান করা বা না করার পুরোপুরি অধিকার নারীকে দিয়েছে। এ ব্যাপারে পিতা-মাতার মতামতের চেয়ে পাত্রীর মতামতকে ইসলাম প্রাধান্য দেয়।”

এর স্বপে কিছু হাদিস উল্লেখ করা যেতে পারে :

আবু হুরায়রা (রা.) থেকে বর্ণিত রাসূলুল্লাহ (স.) বলেছেন, কোন বিধবা মহিলাকে তার সম্মতি ব্যতীত বিবাহ দেয়া যাবে না। কোন কুমারী মহিলাকেও তার অনুমতি ব্যতীত বিবাহ দেয়া চলবে না। (বুখারী)

হযরত ইবনে আব্বাস (রা.) বলেন, “হযরত খানসা বিনতে খিযাম (বা খিদাম) (রা.) এর একবার বিয়ে হয়েছিল। এরপর তিনি স্বামীহীন হন। এমতাবস্থায় তার পিতা তাকে অন্য এক ব্যক্তির সাথে বিয়ে দিয়েছিলেন। কিন্তু হযরত খানসা এ বিয়ে পছন্দ করেননি। তিনি রাসূলুল্লাহ (স.) এর কাছে এসে তাঁকে একথা জানালেন। ঘটনাটি শোনার পর নবী করীম (স.) এ বিয়ে বাতিল করে দিলেন।” (বুখারী)

শেখ আহমদ কুট্টি আরও বলেন, “পিতা-মাতার অধিকার আছে সন্তানকে উপদেশ দেয়ার। তাঁরা তাদের জীবনের অভিজ্ঞতা থেকে সন্তানদের জন্য মঙ্গলজনক পরামর্শ দিয়ে থাকেন। এজন্য সন্তানদের তাদের প্রতি কৃতজ্ঞতা প্রকাশ করা উচিত। কিন্তু ব্যাপারটি যখন বিয়ে সম্পর্কিত এবং চূড়ান্ত সিদ্ধান্ত নেয়ার অধিকার ইসলাম সংশ্লিষ্ট নারীটিকে দিয়েছে, তার বাবা-মাকে নয়, সেেেত্র সতর্কতার সাথে চিন্তা-ভাবনা করে যে কোন সিদ্ধান্ত নেয়ার সম্পূর্ণ অধিকার নারীর আছে। কারণ সারা জীবন ঐ ব্যক্তির সাথে তাকেই থাকতে হবে, বাবা-মাকে নয়। তাছাড়া আশেপাশের অসফল বিবাহ বা অসুখী দম্পতি (Disfunctional marriage) দেখে এ সিদ্ধান্তে পৌঁছানো ভুল যে, সব বিবাহই অসফল বা সব দম্পতিই অসুখী। বিয়ে সফল হবে কি বিফল হবে তা নির্ভর করে স্বামী এবং স্ত্রী জীবনের ব্যাপারে কোন ধরনের দৃষ্টিভঙ্গী গ্রহণ করে তার উপর। মুসলিম হিসেবে আমরা বিশ্বাস করি যে সার্বভৌমত্ব একমাত্র আল্লাহর এবং আমাদের আল্লাহর নির্দেশ অনুযায়ী কাজ করা উচিত। সূরা আল ইসরা এর ৯নং আয়াতে আল্লাহ বলেন, ”এই কুরআন এমন পথ প্রদর্শন করে যা সর্বাধিক সরল …..”। (১৭:৯)

কাজেই স্বামী এবং স্ত্রী যদি আল্লাহ নির্দেশ মোতাবেক পরিচালিত হয়, ইসলাম প্রদত্ত পরস্পরের হকসমূহ আদায় করে, অন্যকে যথাযোগ্য সম্মান প্রদর্শন করে এবং নিজ দায়িত্ব সম্পর্কে সচেতন থাকে তবে আশা করা যায় বিবাহ সফল হবে এবং দম্পতি সুখী হবে।”

মিসরের সিনাই উপদ্বীপের সেন্ট ক্যাথেরিন শহরে অবস্থিত সিনাই পর্বত। সমুদ্রপৃষ্ঠ থেকে ২ হাজার ২৮৫ মিটার উচ্চতায় এর অবস্থান। এ পর্বতের কথা আলোচিত হয়েছে ইসলাম, খ্রিস্টান ও ইহুদি ধর্মের গ্রন্থে। সিনাই পর্বতের কথা কোরআনের সূরা ত্বিনে বলা হয়েছে। হজরত মুসা (আ.) এ পর্বতে গিয়ে নবুয়ত লাভ করেন এবং তাওহিদের প্রচার মিশন শুরু করেন। এ কারণে এটিকে জাবালে মুসা বা মুসার পর্বতও বলা হয়। এটি উচ্চতার দিক থেকে মিসরের কাতেরিনা পর্বতের পরই দ্বিতীয় স্থানে রয়েছে।

ম্যাগনিফাই করে দেখতে মূলত আমরা উইন্ডোজ ম্যাগনিফাইয়ার ব্যবহার করি। কিন্তু হাতে সময় কম থাকলে তা চালু করতে গেলে সময়ের অপচয় ঘটে। কিন্তু আপনি চাইলে কীবোর্ড শর্টকাটের মাধ্যমেই তা করে নিতে পারেন। এজন্য উইন্ডোজ কী চেপে ধরে শুধুমাত্র + বা – কী চাপুন। দেখবেন উইন্ডোজ ম্যাগনিফাইয়ার কাজ করছে।
আমরা অনেকই উইন্ডোজের Quick Launch টুলবারটি ব্যবহারে অভ্যস্থ। কিন্তু উইন্ডোজ সেভেনে টাস্কবারেই সেই সুবিধা যোগ করায় Quick Launch টুলবারটি সরাসরি যুক্ত করে দেয়নি। তাছাড়া ভিস্তার স্টাইলিশ Switch between windows টিও সেভেনে সরাসরি খুজে পাওয়া যায়না। কিন্তু আপনি চাইলে এই দুটোই খুব সহজে যুক্ত করে নিতে পারেন কারন এগুলো সেভেনের মাঝেই দেয়া রয়েছে। এজন্য টাস্কবারের খালি জায়াগায় ডান বাটনে ক্লিক করে Toolbar এ যান এবং সেখান থেকে New Toolbar সিলেক্ট করে Folder এর স্থানে %userprofile%\AppData\Roaming\Microsoft\Internet Explorer\Quick Launch লিখে Set Folder দিন। এবার টাস্কবারের একেবারে ডানে দেখুন Quick Launch টুলবারটি যুক্ত হয়েছে এবং সেখানে উইন্ডোজ ভিস্তার Switch between windows অপশনটিও রয়েছে।
এতদিন একাধিক নির্দিষ্ট ফাইল সিলেক্ট করার ক্ষেত্রে কীবোর্ডের বিকল্প ছিলনা। কারন নির্দিষ্ট ফাইল সিলেক্ট করতে Ctrl কী চেপে সিলেক্ট করতে হতো। তবে কীবোর্ড নষ্ট হয়ে গেলে এক্ষেত্রে বেশ বিপদেই পড়তে হয়। কিন্তু উইন্ডোজ সেভেন আর এই সমস্যা হবেনা কারন আপনি মাউস দিয়ে চেক বক্সের সাহায্যেই সিলেক্ট করে নিতে পারেন যেকোন নির্দিষ্ট ফাইল। এজন্য Computer-এ যেয়ে Organize এর Folder Option-এ যান। সেখান থেকে View ট্যাব সিলেক্ট করে “Use check boxes to select items” এ টিক চিহ্ন দিয়ে দিন। এরপর প্রতিটি ফাইলের পাশেই একটি চেক বক্স দেখাতে পাবেন। এই চেক বক্সের সাহায্যেই সিলেক্ট করে নিতে পারেন একাধিক নির্দিষ্ট ফাইল।

আমরা অনেকেই একসাথে অনেকগুলো উইন্ডো ওপেন করে কাজ করতে অভ্যস্ত। কিন্তু যখন কাজের অনেক চাপ থাকে এবং হাতে সময় খুবই কম থাকে তখন একটা একটা করে সকল উইন্ডো মিনিমাইজ করতে সময়ের অপচয় হয়। কিন্তু এখন উইন্ডোজ সেভেনে আপনি চাইলে যে উইন্ডোতে কাজ করছেন সেটা ছাড়া সকল উইন্ডো কোন ঝামেলা ছাড়া এক মূহুর্তেই মিনিমাইজ করে দিতে পারেন। এজন্য দুটি পদ্ধতি রয়েছে:

একটি হল কীবোর্ড শর্টকাট। উইন্ডোজ কী চেপে ধরে হোম বাটনটি চাপলেই আপনার কাঙ্খিত উইন্ডোটি ছাড়া সব উইন্ডো মিনিমাইজড হয়ে যাবে। আবার একই পদ্ধতি অনুসরণ করে উইন্ডোগুলো আবার ফিরিয়ে আনতে পারেন।

আর দ্বিতীয় পদ্ধতিটি শুধুমাত্র মাউসের সাহায্যে করতে পারেন। অর্থাৎ কীবোর্ডে কোন সমস্যা থাকলেও নিশ্চিন্তে কাজ করতে পারবেন। এটাকে আপনি “শেক কনট্রোল” বলতে পারেন। আপনি যে উইন্ডোটি রাখতে চান সেটার উপরে ক্লিক করে একটু ঝাকিয়ে নিন অর্থাৎ উইন্ডোটি সামান্য ডানে-বামে বা উপর-নিচে দ্রুত মুভ করুন। দেখবেন সেই উইন্ডো ব্যতীত সকল উইন্ডো মিনিমাইজড হয়ে গেছে। ফিরিয়ে আনার জন্য একই পদ্ধতি অনুসরণ করুন।

যারা উইন্ডোজ সেভেন ব্যবহার করেছেন তাদের সবাই-ই হয়তো টাস্কবারে এক্সপ্লোরার আইকনটি লক্ষ্য করেছেন। এক্সপ্লোরার আইকনে ক্লিক করলে সেটা সরাসরি উইন্ডোজ লাইব্রেরিতে নিয়ে যায়। তবে আপনি যদি উইন্ডোজ লাইব্রেরিতে আপনার ফাইল সংরক্ষণ না করে অন্য কোন স্থানে করেন তাহলে এক্সপ্লোরার আইকনের মাধ্যমেই সরাসরি সেই ফোল্ডারে যেতে পারেন। এজন্য এক্সপ্লোরার আইকনটিতে যেয়ে মাউসের ডান বাটনে ক্লিক করে আবার Windows Explorer এর ডান বাটনে ক্লিক করুন এবং Properties এ যান। এবার শর্টকাট ট্যাব এর টার্গেট এ যেয়ে %windir%\explorer.exe লেখাটির শেষে একটা স্পেস দিয়ে আপনার পছন্দের ড্রাইভ বা ফোল্ডারের ঠিকানা লিখুন অর্থাৎ আপনি যদি এক্সপ্লোরারে ক্লিক করে সরাসরি C ড্রাইভে যেতে চান তাহলে লিখুন %windir%\explorer.exe c: আবার আপনি যদি C ড্রাইভে থাকা কোন ফোল্ডারে যেতে চান তাহলে লিখুন %windir%\explorer.exe c:\folder name অর্থাৎ ফোল্ডার এর নাম এর জায়গায় আপনার পছন্দের ফোল্ডারটির নাম লিখুন এবং Ok দিয়ে এক্সপ্লোরার আইকনে ক্লিক করে দেখুন সরাসরি আপনার কাঙ্খিত ফোল্ডার বা ড্রাইভে চলে গেছে। এভাবে আপনি যে কোন ড্রাইভ বা যেকোন ফোল্ডারকে এক্সপ্লোরার এর ডিফল্ট লোকেশন হিসেবে ব্যবহার করতে পারবেন। তাছাড়া আপনি চাইলে কম্পিউটার বা মাই ডকুমেন্টসও যুক্ত করতে পারেন। এজন্য নিচের ঠিকানাগুলো লিখুন: কম্পিউটার: %windir%\explorer.exe ::{20D04FE0-3AEA-1069-A2D8-08002B30309D} মাই ডকুমেন্টস: %windir%\explorer.exe ::{450D8FBA-AD25-11D0-98A8-0800361B1103}
টাস্কবারে থাকা অ্যাপ্লিকেশনগুলো আমরা সাধারণত মাউসের সাহায্যেই ওপেন করে থাকি। তবে শুধুমাত্র কীবোর্ডের সাহায্যেই আপনি অ্যাপ্লিকেশনগুলো চালু করতে পারেন। এজন্য উইন্ডোজ কী টি চেপে ধরে টাস্কবারে অবস্থানরত আপনার অ্যাপ্লিকেশনটির নম্বর অর্থাৎ 1,2,3,4 বা যে নম্বরে অ্যাপ্লিকেশনটি আছে সেটা চাপুন। ছবিতে দেখছেন মজিলা ফায়ারফক্সের অবস্থান ৪-এ। সেক্ষেত্রে উইন্ডোজ কী চেপে ধরে 4 চাপলেই ফায়ারফক্স চালু হয়ে যাবে।
সাধারণত টাস্কবারের উপর মাউস রাখলেই Thumbnail দেখা যায়। কিন্তু মাউস না থাকলে বা মাউসে কোন সমস্যা হলে মাউস ছাড়াই তা দেখে নিতে পারেন। এজন্য উইন্ডোজ কী চেপে ধরে T চাপুন। পরবর্তি Thumbnail দেখতে আবার T চাপুন। এভাবে টাস্কবার ছাড়াই দেখে নিতে পারেন যে কোন চলন্ত উইন্ডো বা অ্যাপ্লিকেশনের Thumbnail.
উইন্ডোজ সেভেনের অন্যতম বৈশিষ্ট্য হল এর চমৎকার টাস্কবার এবং এর Thumbnails. যেকোন উইন্ডোর প্রিভিউ এখন এখান থেকেই দেখে নিতে পারেন। কিন্তু Thumbnail এর গতি কিছুটা কম হওয়ার সময়ের অপচয় ঘটে। তবে আপনি চাইলেই এর গতি বাড়িয়ে নিতে পারেন। এজন্য Start মেনুতে যেয়ে regedit লিখে Registry Editor-এ প্রবেশ করুন। সেখান থেকে HKEY_CURRENT_USER\Control Panel\Mouse এ যান। এবার MouseHoverTime এ ডাবল ক্লিক করুন। সেখানে এর ভ্যালু 400 দেয়া রয়েছে অর্থাৎ কোন নির্দেশ পাওয়ার পর তা ৪০০ মিলিসেকেন্ড অপেক্ষা করবে। আপনি সেটা কমিয়ে আনলেই তা আরো দ্রুত কাজ করবে। সবোর্চ্চ গতি পেতে ভ্যালু 0 করে দিন। কিন্তু সেক্ষেত্রে ভিজুয়াল ইফেক্ট আর দেখতে পারবেন না। তাই আমার মতে ভ্যালুটি 100 করে দেয়াই ভাল। কারন 100 করে দিলে ভিজুয়াল ইফেক্টও দেখার পাশাপাশি দ্রুত গতিতেও কাজ করবে।
এক্সপি এর মত উইন্ডোজ সেভেনে ctrl+alt+del চাপলে টাস্ক ম্যানেজার ওপেন হয়না। একটি মেনু আসে এবং সেখান থেকে টাস্ক ম্যানেজার খুলতে হয়। দ্রুত টাস্ক ম্যানেজার খোলার জন্য Crtl+Shift+Esc শর্টকাটটি ব্যবহার করতে পারেন।
উইন্ডোজ সেভেন টাস্কবারে থাকা আইটেমগুলো টোগল করতে পারেন Windows key + T চেপে ধরে।