MM kit এর মিসোপ্রোস্টল পিল ৪ টা খাবার পর পিরিয়ড শুরু হয় এবং ২০ ঘন্টার মধ্যে ভ্রুণ (স্ত্রীর কথামতে সেটা ছোট্ট পুতুলের মত ছিল) বের হয়েযায়,তারপর থেকে রক্তপাত ও ব্যথা কমতে থাকে,৬ষ্ঠ দিন ধারনা করা হয় আর ২ ১ দিনে রক্তপাত বন্ধ হয়ে যাবে,কিন্তু ৭ম দিনে এসে রক্তপাত আকস্মিক ভাবে বেড়ে যায় এবং তীব্র পেট ব্যথা হতে থাকে আর এই সময়ের রক্তটা পিরিয়ডের রক্তের মত ছিলো না,কেটে গেলে যেমন ব্লাড যায় সেরকম ছিল,যার কারনে ট্রাসিড ৫০০ খাওয়ানো হয়,তার পর আলহামদুলিল্লাহ ব্লাড যাওয়া কমতে কমতে একেবারেই থেমে যায়, যেহতু ঘন্টায় ২ বার বা তার বেশিবার প্যাড চেঞ্জ করা লাগলে সেটাকে বিপদজনক লক্ষন ধরা হয়,এটা কি সমস্যার কারনে হতে পারে?  আর ট্রাসিড খেয়ে রক্তপাত বন্ধ হয়ে যাওয়াতে এবরশন অসম্পূর্ণ থেকে যাবার শংকা আছে কিনা? উল্লেখ্যঃ রোগী প্রেগ্ন্যাসির সময়ের লক্ষন গুলো আর বোধ করছে না,শারিরীক দূর্বলতার কারনে ঘুম ঘুম ভাব আছে শরীরে.  
3807 views

1 Answers

আপনাকে আগেই বলেছি এখনো বলছি। mmkit পিল সেবনের ফলে অস্বাভাবিক ভাবে ভাড়ি যোনি রক্তপাত হয়ে থাকে যা আপনার  স্ত্রীর বেলায় হচ্ছে। যেহেতু ট্রাসিড খেয়ে রক্তপাত নিয়ন্ত্রনে এসেছে তাই নিয়ম অনুযায়ী এই ট্রাসিড ঔষধ খাওয়াতে থাকুন আর ওনার  এরকম ভারি রক্তপাত হওয়াতে প্রেগন্যান্ট থাকার সম্ভাবনা নাই। ঘন্টায় ২ বার বা তার বেশিবার প্যাড চেঞ্জ করা লাগলে সেটাকে বিপদজনক লক্ষন ধরা হয় কিন্তু আপনার স্ত্রীর ক্ষেত্রে  পিলের সাইট ইফেক্ট এর কারনে তাই উক্ত ঔষধ খাওয়ান চিকিৎসক এর পরামর্শে। আর ট্রাসিড খেয়ে রক্তপাত বন্ধ হয়ে যাওয়াতে এব্রোশন  অসম্পূর্ণ থেকে যাবার আশঙ্কা নাই।ওনি এখন সম্পূর্ন সুস্থ্য তবে পিলের সাইট ইফেক্ট এর প্রভাব গুলো বেশ কয়েক দিন পর্যন্ত থাকতে পারে যার কারনে শরীর দুর্বল থেকে যাবে তাই ওনাকে পুষ্টিকর খাবার ও ফলমূলাদি খাওয়ান বেশি করে। চিকিৎসক এর পরামর্শে আয়রন ভিটামিন ও ক্যালসিয়াম এর ঔষধ খাওয়ান। ধন্যবাদ। 

3807 views

Related Questions