3 Answers
সূর্যের সৌর বাতাস (শক ওয়েব অথবা চৌম্বক ক্ষেত্র) এর সাথে পৃথিবীর চৌম্বক ক্ষেত্রের মিথস্ক্রিয়ার ফলে যে প্রবল ঝরের সৃস্টি হয়, সেটাই সৌর ঝর।
সুর্যে মূলত হাইড্রোজেন ও হিলিয়াম রয়েছে, চারটি হাইড্রোজেন বিক্রিয়া করে একটি হিলিয়াম নিউক্লিয়াস ও প্রচুর শক্তি তৈরি করে। কখনো কখনো সুর্যের এই জ্বালানী হাইড্রোজেন সূর্যের আন্তঃআনবিক আকর্ষনের প্রভাবে বিশাল এক অভিকর্ষ সৃষ্টি করে ফলে অনু বা পরমানু গুলো জড়ো হয় বেশি বিক্রিয়া করে প্লাজমা অবস্থা সৃষ্টি করে। কিন্তু চারপাশের তাপ ও জ্বালানী প্রবাহ একই না হওয়া কম চাপের পাশে প্লাজমা প্রবাহিত হয় ও বিস্ফোরন ঘটে। এই বিস্ফোরন অবস্থা কুণ্ডলী পাকিয়ে সূর্যের ভেতর যিগয্যাগ গতিপ্রাপ্ত হয় যাকে সৌর ঝড় বলে।
সূর্য ঝড়ঃ সৌর চক্র একটি ১১ বছরের চক্র। সূর্য প্রতি ১১ বছর পরপর ম্যাগনেটিক ফিল্ড এর বিপরিতে ঘুরে যায়, সে হিসেবে ২২ বছর পর এটা পৃথিবীর দিকে ঘুরে। এই সময় সূর্য বিরূপ আচরণ করতে থাকে, তখন সৌরঝড় এর আবির্ভাব ঘটে এবং এর ঝুকিটাও বেড়ে যায়।প্রতি ১১তম বছরে সূর্যের কলঙ্কের সংখ্যা স্বাভাবিকের তুলনায় প্রায় দেড় গুণ বেড়ে যায়। সূর্যের বহিঃস্তরের উচ্চতাপযুক্ত প্লাজমার আবরণ থেকে তড়িদাহত কণার স্রোত বেরিয়ে আসে,ফলে গামা রশ্মি, রঞ্জন রশ্মির মত ক্ষতিকর তড়িৎ কনাগুলো সৌরজগতে এবং মহাকাশে ছড়িয়ে পড়ে, একেই বলা হয় সৌরঝড়।