রোজা ভঙ্গ হওয়ার কারণ সমূহ , কি কি কেউ যদি এই সম্পর্কে বিস্তারিত লেখতেন তাহলে খুব উপকৃত হতাম?
3 Answers
যে সকল কাজ রোজা ভঙ্গের কারন না:
*মনের ভুলে কিছু খেয়ে ফেললে।
তবে বোঝামাত্র মুখের মধ্যে যা খাবার
জাতীয় আছে সাথে সাথে সব
ফেলে দিতে হবে।
*চোখে সুরমা ব্যবহার করলে।
*
যে যে পরিস্হিতিতে রোজা ভাঙ্গা জায়েজ
আছে:
*অসুস্হ ব্যক্তি রোজা থাকা অবস্হায় তার
রোগবৃদ্ধি পেলে বা পীড়া বৃদ্ধির আশংকা দেখা দিলে।
*বয়স বেশী হবার কারনে অত্যন্ত দুর্বল ও
দৈহিক খারাপ অবস্হা দেখা দিলে।
*গর্ভবতী মহিলার গর্ভের সন্তানের
ক্ষতির আশংকা দেখা দিলে।
*মুসাফির অবস্হায় থাকলে।
*সাপে দংশন করলে।
*মহিলাদের হায়েজ-নেফাছ হলে।
*ক্ষুধা-তৃষ্নায় মৃত্যুর আশংকা দেখা দিলে।
রোজা ভঙ্গের কারণ সমুহঃ
১. ইচ্ছাকৃত পানাহার করলে।
২ স্ত্রী সহবাস করলে ।
৩. কুলি করার সময় হলকের নিচে পানি চলে গেলে।
৪. ইচ্ছকৃত মুখভরে বমি করলে।
৫. নাকে বা কানে ওষধ বা তৈল প্রবেশ করালে।
৬. জবরদস্তি করে কেহ রোজা ভাঙ্গালে ।
৭. ইনজেকশান বা স্যালাইরনর মাধ্যমে দেমাগে ওষধ পৌছালে।
৮. কংকর পাথর বা ফলের বিচি গিলে ফেললে।
৯. সূর্যাস্ত হয়েছে মনে করে ইফতার করার পর দেখা গেল সুর্যাস্ত হয়নি।
১০. পুরা রমজান মাস রোজার নিয়ত না করলে।
১১. দাঁত হতে ছোলা পরিমান খাদ্য-দ্রব্য গিলে ফেললে।
১২. ইচ্ছাকৃত লোবান বা আগরবাতি জ্বালায়ে ধোয়া গ্রহন করলে।
১৩. মুখ ভর্তি বমি গিলে ফেললে ।
১৪. রাত্রি আছে মনে করে সোবহে সাদিকের পর পানাহার করলে।
যে সব কারণে রোজা ভঙ্গ হয় । 1. কুলি করার সময় অথবা কোনোভাবে পানি গলার ভেতরে ঢুকে গেলে। 2. নাকে বা কানে তেল, ওষুধ ইত্যাদি প্রবেশ করালে । তবে কানে ঢাললে রোজা ভাঙ্গবে না। 3. নাকে তরল ওষুধ অথবা পায়খানার জন্য ঢুস, সাপোজিটার গ্রহণ করলে। 4. রোজা অবস্থায় পেশাবের রাস্তায় কোনো যষুধ রেখে দেয়া বা তৈল ব্যবহার করলে। 5. ইচ্ছাকৃতভাবে আগরবাতি, ধোপ অথবা অন্য কোনো রুগন্ধি দ্রব্যের ধোয়া নাকের ভেতর টেনে নিলে। হুক্কা, বিড়ি, সিগারেট পান করলেও রোজা ভেঙ্গে যাবে। 6. রাত মনে করে সুবহে সাদিকের পর সাহরি খেলে । 7. সুর্যাস্তের পূর্বে সূর্য অস্তমিত হয়েছে ভেবে, ইফতার করল। 8. ইচ্ছাকৃত মুখ ভরে বমি করলে। 9. বমি ইচ্ছেকৃতভাবে গিলে ফেললে। 10. দাতের ফাকে আটকে থাকা গোশত কিংবা খাদ্যদ্রব্যের টুকরা যদি তা বুট বা তার চেয়ে বড় হয়, তা গিলে ফেললে। 11. মুখে পান রেখে ঘুমিয়ে পড়া অবস্থায় সুবহে সাদিকের পর ঘুম থেকে জাগ্রত হলে। 12. ভুলবশত কোনো কিছু খেয়ে ফেলার পর রোজা ভেঙ্গে গেছে মনে করে পুনরায় ইচ্ছেকৃত পানাহার করলে । 13. কোনো ব্যক্তি জোরপূর্বক রোজাদারের মুখের ভেতর কোনো কিছু ঢুকিয়ে দিল আর তা গলার ভেতর চলে গেলে ।
Related Questions
Next steps
- Find a doctor for in-person or online consultation
- Browse medical tests patients often ask about
- Check medicine information (uses, dosage, brands in Bangladesh)
- More health Q&A on Bissoy