2 Answers

এ রোগের প্রধান লক্ষণ হল টিক্স ( অনিয়মিত, পুনরাবৃত্তিমূলক মোটর পেশী সঞ্চালন)। Tics(টিক্স) প্রধানত ২ ধরনের (১):motor tics: বাহু বা মাথা ঝাকি মারা,মুখের পেশী ঝাকি দেয়া এবং কাধ ঝাকি দেয়া ইত্যাদি। (২):vocal tics: ঘেউ ঘেউ শব্দ করা,কাশি, ঘোৎ ঘোৎ আওয়াজ, চিৎকার করা,আঘ্রাণ ইত্যাদি।

2725 views

টুরেট এক ধরনের মানসিক ও স্নায়ুজনিত সমস্যা৷ মুখে খিঁচুনি, হাত পা ছোড়া, থুথু ফেলা, হঠাৎ চেঁচিয়ে ওঠা ইত্যাদি হলো রোগটির লক্ষণ৷ কেউ যদি পথে ঘাটে হঠাৎ চেঁচিয়ে ওঠে কিংবা হাত পা ছুড়তে থাকে, তাকে উন্মাদ বলে মনে হতে পারে৷ সব সময় কিন্তু তা নয়৷ এক ধরনের রোগ হলেও এই রকম আচরণ করে মানুষ৷ যাকে বলা হয় টুরেট সিনড্রোম৷ তুরেত রোগীদের মধ্যে গালিগালাজ দেয়ার একটা চাপ থাকে৷ তবে অধিকাংশ রোগীই এই তাড়না থেকে মুক্ত৷ অনুমান করা হয়, মানুষের মস্তিষ্কে অশোভন প্রবৃত্তিরও একটা জায়গা থাকে৷ এই জায়গাটি বাধা না পেলে বের হয়ে আসে অমার্জিত শব্দ ও অঙ্গভঙ্গি৷ অবশ্য রোগের আসল কারণটি জানা যায়নি এখনও৷‘‘তবে এটি পরিষ্কার যে, মগজে কিছুটা বিশৃঙ্খলা সৃষ্টি হলে দেখা দেয় রোগটি৷ কথাবার্তা ও অঙ্গভঙ্গিকে নিয়ন্ত্রণ করতে হলে মস্তিষ্কে একটা সুষ্ঠু নেটওয়ার্কের প্রয়োজন৷ তুরেত রোগীদের ক্ষেত্রে এই নেটওয়ার্কটা ঠিকমতো চলে না৷ এছাড়া এই রোগে ডোপামিন হরমোন প্রচুর পরিমাণে নির্গত হয়৷ যার ফলে ভারসাম্যহীন হয়ে পড়ে মস্তিষ্কের কোনো কোনো জায়গা৷ তুরেত রোগীদের ওষুধের মধ্যে প্রথমেই রয়েছে নিউরোলেপটিক্স- যা অনেকটা স্নায়ুজনিত মৃগি রোগের মতো৷ এর মধ্যে এমন সব উপাদান থাকে, যা ডোপামিনের ওপর প্রভাব বিস্তার করতে পারে বা এর কর্মকাণ্ড বন্ধ করে দিতে পারে।’’

ধন্যবাদ।

2725 views