জিনা করে মাফ পাওয়ার উপায় কি?
যিনা করে প্র্যাগনেন্ট হয়ে বাচ্চা নষ্ট করে (এম এম কিট ধারা) সেই মেয়েকে লোক লজ্জায় বিয়ে করে তালাক দিলে কি ইসলামে ক্ষমা আছে কিনা?
1 Answers
আল্লাহ তা‘আলা বলেন, ﴿ ﺎَﻬُّﻳَﺄَٰٓﻳ ﭐﺗَّﻘُﻮﺍْ ُﺱﺎَّﻨﻟﭐ ُﻢُﻜَّﺑَﺭ ﻢُﻜَﻘَﻠَﺧ ﻱِﺬَّﻟﭐ ﻦِّﻣ ﻭَٰﺣِﺪَﺓٖ ٖﺲۡﻔَّﻧ َﻖَﻠَﺧَﻭ ﺎَﻬۡﻨِﻣ ﺎَﻬَﺟۡﻭَﺯ َّﺚَﺑَﻭ ﺎَﻤُﻬۡﻨِﻣ ﺎٗﻻَﺟِﺭ ٗۚﺀﺂَﺴِﻧَﻭ ﺍٗﺮﻴِﺜَﻛ ْﺍﻮُﻘَّﺗﭐَﻭ ﭐﻟﻠَّﻪَ َﻥﻮُﻟَﺀﺂَﺴَﺗ ﻱِﺬَّﻟﭐ ۦِﻪِﺑ َۚﻡﺎَﺣۡﺭَﺄۡﻟﭐَﻭ ﺇِﻥَّ َﻪَّﻠﻟﭐ َﻥﺎَﻛ ﺎٗﺒﻴِﻗَﺭ ۡﻢُﻜۡﻴَﻠَﻋ ١ ﴾ [ ﺀﺎﺴﻨﻟﺍ : ١ ] “হে মানুষ, তোমরা তোমাদের রবকে ভয় কর, যিনি তোমাদেরকে সৃষ্টি করেছেন এক নফস থেকে। আর তা থেকে সৃষ্টি করেছেন তার স্ত্রীকে এবং তাদের থেকে ছড়িয়ে দিয়েছেন বহু পুরুষ ও নারী। আর তোমরা আল্লাহকে ভয় কর, যার মাধ্যমে তোমরা একে অপরের কাছে চেয়ে থাক। আর ভয় কর রক্ত- সম্পর্কিত আত্মীয়ের ব্যাপারে। নিশ্চয় আল্লাহ তোমাদের উপর পর্যবেক্ষক”।[1] রাসূল সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম বলেন, « ﺎَﻣ ﺗَﺮَﻛْﺖُ ﻱِﺪْﻌَﺑ ﻲِﻓ ِﺱﺎَّﻨﻟﺍ ًﺔَﻨْﺘِﻓ َّﺮَﺿَﺃ ﻰَﻠَﻋ ﺍﻟﺮِّﺟَﺎﻝِ ِﺀﺎَﺴِّﻨﻟﺍ َﻦِﻣ» : « ﺍَﺬَﻫ ٌﺚﻳِﺪَﺣ ٌﻦَﺴَﺣ ﺻَﺤِﻴﺢٌ » “আমার পর আমি পুরুষের জন্য নারীর ফেতনার চেয়ে অধিক ক্ষতিকারক কোনো ফিতনা রেখে যাইনি” আল্লাহর নবী সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম আরও বলেন, َﻻ َّﻥَﻮُﻠْﺨَﻳ ٍﺓَﺃَﺮْﻣﺎِﺑ ٌﻞُﺟَﺭ َّﻻِﺇ َﻥﺎَﻛ ﺎَﻤُﻬَﺜِﻻَﺛ ﺍﻟﺸَّﻴْﻄَﺎﻥُ ، “কোন পুরুষ যেন কোনো নারীর সাথে একান্তে গোপনে অবস্থান না করে। কারণ, শয়তান উভয়ের কুটনি হয়”। আল্লাহ তা‘আলা বলেন, ﴿ ﻞُﻗ َﻦﻴِﻨِﻣۡﺆُﻤۡﻠِّﻟ ْﺍﻮُّﻀُﻐَﻳ ۡﻦِﻣ ۡﻢِﻫِﺮَٰﺼۡﺑَﺃ ﻭَﻳَﺤۡﻔَﻈُﻮﺍْ ۡۚﻢُﻬَﺟﻭُﺮُﻓ ٰﻰَﻛۡﺯَﺃ َﻚِﻟَٰﺫ ۡۚﻢُﻬَﻟ َّﻥِﺇ ﭐﻟﻠَّﻪَ ُۢﺮﻴِﺒَﺧ َﻥﻮُﻌَﻨۡﺼَﻳ ﺎَﻤِﺑ ٣٠ ﻞُﻗَﻭ ﻟِّﻠۡﻤُﺆۡﻣِﻨَٰﺖِ َﻦۡﻀُﻀۡﻐَﻳ َّﻦِﻫِﺮَٰﺼۡﺑَﺃ ۡﻦِﻣ َﻦۡﻈَﻔۡﺤَﻳَﻭ ﻓُﺮُﻭﺟَﻬُﻦَّ ٣١ ﴾ [ ﺭﻮﻨﻟﺍ : ،٣٠ ٣١ ] “মুমিন পুরুষদেরকে বল, তারা যেন তাদের দৃষ্টিকে সংযত রাখে (নজর ঝুকিয়ে চলে) এবং তাদের যৌনাঙ্গকে হেফাযতে রাখে; এটিই তাদের জন্য উত্তম। ওরা যা করে, আল্লাহ সে বিষয়ে অবহিত। আর মুমিন নারীদেরকে বল, তারাও যেন নিজেদের দৃষ্টিকে সংযত রাখে ও লজ্জাস্থান সংরক্ষন করে—।” প্রিয় নবী সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম বলেন, ﺎَﻟ ِﻊِﺒْﺘُﺗ َ،ﺮَﻈَّﻨﻟﺍ َﺮَﻈَّﻨﻟﺍ َّﻥِﺈَﻓ ﻰَﻟﻭُﺄْﻟﺍ َﻚَﻟ ْﺖَﺴْﻴَﻟَﻭ َﻚَﻟ ُﺓَﺮِﺧﺂْﻟﺍ ” “(কোন নারীর উপর তোমার দৃষ্টি পড়লে তার প্রতি) বারবার দৃকপাত করো না। বরং নজর সত্বর ফিরিয়ে নিও, কারণ, তোমার জন্য প্রথমবার ক্ষমা, দ্বিতীয়বার নয়”। আল্লাহ তায়ালা অন্যত্র বলেনঃ ٗﻌَٰﺘَﻣ ﻓَﺴَۡٔﻠُﻮﻫُﻦَّ ﻦِﻣ ِﺀﺁَﺭَﻭ ٖۚﺏﺎَﺠِﺣ ۡﻢُﻜِﻟَٰﺫ ُﺮَﻬۡﻃَﺃ ﻭَﻗُﻠُﻮﺑِﻬِﻦَّۚ ۡﻢُﻜِﺑﻮُﻠُﻘِﻟ ٥٣ ﴾ [ : ﺏﺍﺰﺣﻻﺍ ٥٣ ] “(হে পুরুষগণ!) তোমরা তাদের (নারীদের) নিকট হতে কিছু চাইলে পর্দার অন্তরাল হতে চাইবে। এ বিধান তোমাদের এবং তাদের হৃদয়ের জন্য অধিকতর পবিত্র”।[ মহান আল্লাহ আরও বলেন, ﴿ ْﺍﻮُﻘَّﺗﭑَﻓ َﻪَّﻠﻟﭐ ۡﻢُﺘۡﻌَﻄَﺘۡﺳﭐ ﺎَﻣ ١٦ ﴾ [ : ﻦﺑﺎﻐﺘﻟﺍ ١٦ ] “তোমরা আল্লাহকে যথাসম্ভব ভয় কর”। আল্লাহ তাআলা বলেন, ‘তোমরা ব্যভিচারের নিকটবর্তী হইও না। এটা অশ্লীল কাজ এবং নিকৃষ্ট আচরণ।’ (সুরা বনি ইসরাঈল : আয়াত ৩২) সূতরাং বলা যায় যিনা করা হারাম ও মারাত্মক পাপ। তাই এ কাজটি করার চিন্তাও করবেন না।
Related Questions
Next steps
- Find a doctor for in-person or online consultation
- Browse medical tests patients often ask about
- Check medicine information (uses, dosage, brands in Bangladesh)
- More health Q&A on Bissoy