কবীরা গুনাহ মাফ হওয়ার কোনো দোয়া বা জিকির আছে কি?
5 Answers
আপনি আল্লাহর কাছে তওবা পড়ে নিন , নিস্বয় আল্লাহ তা আলা তওবা কারিকে পছন্দ করেন। আল্লাহ ক্ষমা করতে ও পাড়ে। তওবা করার পড় এমুন কাজ কখনো করবেন না।
আত্মার গুণাহ থেকে মুক্তি পাওয়ার জন্য অন্যতম কাজ হলো ইস্তেগফার বা কৃতগুনাহের জন্য আল্লাহর কাছে ক্ষমা প্রার্থণা করা। মানুষ যতবড় অন্যায়ই করুক না কেন যদি আল্লাহর কাছে ক্ষমা চায় তাহলে আল্লাহ ক্ষমা করে দেন।
পবিত্র কুরআনে ইরশাদ হয়েছে: "আর যে ব্যক্তি মন্দ কাজ করবে কিংবা নিজের প্রতি যুলুম করবে তারপর আল্লাহর কাছে ক্ষমা চাআবে,সে আল্লাহকে পাবে ক্ষমাশীল,পরম দয়ালু।" (সূরা নিসা :১১০)
কুরআনে আরো বলা হয়েছে:"হে ঈমানদারগণ, তোমরা আল্লাহর কাছে তাওবা কর, খাঁটি তাওবা। আশা করা যায় তোমাদের রব তোমাদের পাপসমূহ মোচন করবেন এবং তোমাদের এমন জান্নাতসমূহে প্রবেশ করাবেন যার পাদদেশে নহরসমূহ প্রবাহিত।(সূরা তাহরীম ৮)
জিকিরে হবে না
খাটি দিলে আল্লাহর কাছে তাওবা করতে হবে। আর ভবিষ্যৎ এ এরকম কাজ করা যাবে না।
কবিরা গুনাহ মানে বড় গুনাহ। এ ধরনের একটি গুনাহই জাহান্নামে নিয়ে যাওয়ার জন্য যথেষ্ট। দয়াবান আল্লাহ এ কবিরা গুনাহ মোচনেরও ব্যবস্থা রেখেছেন। আর তার জন্য সুনির্দিষ্ট কোনো দুআ বা জিকির নেই যে সেগুলো পাঠ করলেই অটোমেটিক কবিরা গুনাহ মাফ হয়ে যাবে। কবিরা গুনাহ মোচনের একমাত্র মাধ্যম হলো তাওবা। পোষাক আষাক ও পানাহারকে হালাল করে গুনাহের প্রতি অনুতপ্ত হয়ে ভবিষ্যতে গুনাহ না করার ব্যাপারে দৃঢ়প্রতিজ্ঞ হয়ে কায়মনোবাক্যে আল্লাহর নিকট দুআ প্রার্থনা করতে হবে। তাহলে আশা করা যায় আল্লাহ কবিরা গুনাহও ক্ষমা করে দিবেন।
তওবা ব্যতীত কবিরা গুনাহ মাফ হয় না।যদি তওবা করে মাফ চান,তবে তার জন্য কোনো আলাদা দোয়া পড়তে হবে না।