অন্যদের ফেৎনা এড়াতে এমন সম্পর্ক করতে পারবো কি?
আমি একজন ছাত্র, ভবিষ্যৎ এ কলেজে বা ভার্সিটি তে পড়তে হবে।সে জন্য অন্যদের ফেৎনা এড়াতে,এমন সম্পর্ক করতে পারবো কি?একটা মেয়ের সাথে,,যার সাথে সুধু হঠাৎ খানিক কথা বলা সুধু সম্পর্ক টিকেয়ে রাখার জন্য এবং যেহেতু তার সাথে সম্পর্ক রয়ে গেছে তাই তাকেই কি স্ত্রী হিসেবে পাওয়ার জন্য জন্য দোয়া করতে পারি কিনা?যদি পারি আর যদি আল্লাহ আমাকে মাফ করে স্ত্রী হিসেবে তাকে কবুল করে নেয়।তারপর আমরা বিশুদ্ধ হয়ে যেতে পারি ইনশাল্লাহ যদি আল্লাহ তওবা কবুল করেন।এক্ষেত্রে সম্যসা আছে কি?বা গুনাহ থাকলেও উল্লেখ্য করবেন।কুরআন হাদিসের আলোকে উত্তর চাই,অনেক গুরুত্বপূর্ণ,,
1 Answers
বেগানা যুবক যুবতীর মাঝে প্রেম ভালবাসা বন্ধুত্ব অসম্ভব। শরীয়তে তা হারাম। একটা বেগানা মেয়ের সাথে সাথে শুধু খানিক কথা বলা নয় তাকিয়ে দেখতেই নিষেধ করা হয়েছে। ভবিষ্যতে কলেজ বা ভার্সিটিতে পড়তে অন্যদের ফেৎনা এড়াতে তাদের সাথে সম্পর্ক টিকেয়ে রাখার জন্য এমন কার্যলাপ করা যাবেনা। মহান আল্লাহ বলেছেন, বিশ্বাসীদেরকে বল, তারা যেন তাদের দৃষ্টিকে সংযত করে এবং তাদের যৌন অঙ্গকে সাবধানে সংযত রাখে, এটিই তাদের জন্য অধিকতর পবিত্র। ওরা যা করে, নিশ্চয় আল্লাহ সে বিষয়ে অবহিত। (আন-নূরঃ ৩০) কারণ শরীয়তের নির্দেশ হল, অর্থাৎ, কোন পুরুষ যেন কোন বেগানা নারীর সঙ্গে তার সাথে এগানা পুরুষ ছাড়া অবশ্যই নির্জনতা অবলম্বন না করে। (বুখারী ও মুসলিম) আর, যখনই কোন পুরুষ কোন মহিলার সাথে নির্জনতা অবলম্বন করে, তখনই শয়তান তাদের তৃতীয় সাথী 'কোটনা' হয়। (তিরমিযীঃ ৯৩৪) মহান আল্লাহ বলেছেন, নারী এর প্রতি আসক্তি মানুষের নিকট লোভনীয় করা হয়েছে। (আলে ইমরানঃ ১৪) কাম্য জিনিসের মধ্যে প্রথম উল্লেখ করা হয়েছে নারী। কারণ মানুষ স্বভাবগতভাবে যেসব জিনিসের প্রতি বেশি আকৃষ্ট হয় তার প্রধান হল নারী। একজন পুরুষ সাবালক হবার পর সবচেয়ে বেশি প্রয়োজন বোধ করে একজন সঙ্গিণীর। তাছাড়া পুরুষের কাছে নারী সর্বাধিক প্রিয়। তাই সতী-সাধ্বী নারীকে স্ত্রী হিসেবে পাওয়ার জন্য জন্য দোয়া করতে পারেন। হাদিসে এসেছে, গোটা দুনিয়া হলো সম্পদ, আর তন্মধ্যে সর্বোত্তম সম্পদ হল সতী-সাধ্বী নারী। (সহীহ মুসলিমঃ ৩৭১৬ নাসাঈ ৩২৩২) সুতরাং যদি নারীর প্রতি ভালবাসা শরীয়তের সীমালঙ্ঘন না করে তা হলে তা উত্তম। পক্ষান্তরে নারীরাই সবচেয়ে বেশি ফেতনার কারণ। তাই তাদের থেকে সাবধান হতে হবে। রাসূলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম বলেনঃ আমি পুরুষদের জন্য নারীর চেয়ে বেশি ক্ষতিকর ও ফেতনার কারণ আর কিছু ছেড়ে যাইনি। (সহীহ বুখরীঃ ৫০৯৬, সহীহ মুসলিমঃ ২০৯৭-৯৮) রাসূলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম আরো বলেনঃ বানী ইসরাঈলের মধ্যে সর্বপ্রথম ফেতনা সৃষ্টি হয়েছিল মহিলাদের ব্যাপারে। (সহীহ মুসলিমঃ ২৭৪২) [জনাব! যদিও কলেজ বা ভার্সিটিতে উপরিউক্ত আলোচনা মানা কঠিন তাদের সাথে এমন কার্যলাপ হবেই তাই নিজেকে ছেপে রাখবেন। আর বিশুদ্ধ ভাবে তওবা করলে আল্লাহ তওবা কবুল করেন এক্ষেত্রে কোন সম্যসা নেই]
Related Questions
Next steps
- Find a doctor for in-person or online consultation
- Browse medical tests patients often ask about
- Check medicine information (uses, dosage, brands in Bangladesh)
- More health Q&A on Bissoy