4 Answers
একাকী নামায পড়ার সময় সামিআল্লাহু হুলিমান হামিদা বলার পর রব্বানা ওয়া লাকাল হামদ বলতে হবে। তবে ইমামের পিছনে নামায আদায়কালে শুধু রব্বানা ওয়া লাকাল হামদ, হামদান কাছীরান তাইয়েবান মুবারাকান ফীহ বলতে হবে। রিফাআ ইবনু রাফে আয-যুরাকী (রাঃ) হতে বর্ণিত। তিনি বলেন, আমরা রাসূলুল্লাহ সালাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লামের পিছনে নামায আদায় করি তিনি যখন রুকূ হতে মাথা উঠিয়ে সামিআল্লাহু লিমান হামিদাহ বলেন, তখন এক ব্যক্তি বলে উঠেন-আল্লাহুম্মা রব্বানা ওয়া লাকাল হামদ, হামদান কাছীরান তাইয়েবান মুবারাকান ফীহ। নামাযান্তে রাসূলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম বলেনঃ এই দুআ পাঠকারী কে? ঐ ব্যক্তি বলেন- ইয়া রাসূলুল্লাহ আমি। রাসূলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম বলেনঃ আমি তিরিশেরও অধিক ফেরেশ্তাকে তা সবাগ্রে লিপিবদ্ধ করার জন্য প্রতিযোগিতা করতে দেখেছি। (সূনান আবু দাউদ হাদিস নম্বরঃ ৭৭০)
একাকী পড়ার সময় বলতে হবে কিন্তু ইমামের পিছনে পড়লে শুধু রব্বানা লাকাল হামদ বলতে হবে।
বলা যেতে পারে কোনো সমম্যা নেই আপনি সামিআল্লাহ হুলিমান হামিদ বলার পরে দাঁড়াবার সময় রাব্বানা লাকাল হামদ বলতে পারেন
রুকু হতে সুজা হওয়ার পর দাড়িয়ে তিন তজবি পরিমান সময় দাড়িয়ে থাকতে হয় তবে এক তজবি পরিমান দাড়ালেও চলে। তাই রব্বানা লাকাল হাম্দ বললে এক তজবি পরিমান সময় দাড়িয়ে থাকা হয়ে যায়।তাই রব্বানা লাকাল হাম্দ বলতে হয় নইলে নামাজে সুহু সেজদা দিতে হবে।সুহু সেজদা না দিলে নামাজ হবেনা।