রাইস কুকারে ভাত রান্নার নিতী কি?
1 Answers
আপনার প্রশ্নটি আমার বুঝতে বেশ অসুবিধা হচ্ছে, যতটুকু বুঝলাম তার আলোকে বলছি.............................. রাইস কুকারে রান্নার নীতি হচ্ছে যে, প্রথমে বিদ্যুৎ বিষয়ে আসি। রাইস কুকারে যে বিদ্যুৎ প্রদান করা হয় তা ভেতরে যাওয়ার পর ডিসি করা হয়, এই ডিসি কারেন্টকে উচ্চ গতির অসিলেসন সার্কিট দ্বারা বিদ্যুতকে অতি উচ্চ ফ্রিকোয়েন্সিতে রুপান্তর করা হয়। তারপর এই বিদ্যুৎ কয়েলের মধ্য দিয়ে এমনভাবে চালনা করা হয় যেন কয়েল থেকে বিদ্যুৎ চুম্বকীয় আবেশ তৈরি হয়। এই হাই ফ্রিকোয়েন্সি চুম্বকীয় আবেশ পানির অনুকে ফ্রিকোয়েন্সির গতিতে ১৮০ ডিগ্রি ঘুরায়। ফলে পানির অনু ভাইব্রেষন হয়, আমরা জানি অতি দ্রুত বস্তুর কনা গতিশীল বা কাপতে থাকলে তা গরম হয় এই নীতিতে পানি গরম হয় ও ফুটতে থাকে ফলে পানির সাথে থাকা চাউল ও গরম হয় ও ফুটে ভাত হয়। আবার কিছু কুকারে কয়েলের উপর পাশে একটি লোহার ফ্রেম রাখা হয়। আমরা জানি লোহার উপর কয়েল পেচিয়ে বিদ্যুৎ দিলে লোহাটি চুম্বকে পরিনত হয়। এই নীতি অনুযায়ী কয়েলের উপর লোহার ফ্রেম রেখে কয়েলে হাই ফ্রিকোয়েন্সির দিক পরিবর্তি( এ.সি বিদ্যুৎ) দিলে তা লোহার ফ্রেমকে আবেশ প্রক্রিয়ায় চুম্বকে পরিনত করে ঠিকই কিন্তু বিদ্যুৎ অতি দ্রুত মুখ পরিবর্তন করায় চুম্বকত্তের মেরুও একই ফ্রিকোয়েন্সিতে পাল্টাতে থাকে ফলে লোহার ডোমেইন কনা গুলো ভাইব্রেসন হয়ে গরম হয় ও রান্না হয়। এখন সুইচ উঠা বা রান্না কমপ্লিট হয়েছে কিনা বুঝতে কুকারের ভেতর সার্কিটে একটি থার্মোকাপল আছে এটির কাজ হচ্ছে কত গরম হচ্ছে তা পরিমাপ করা। সাধারনত পানি ১০০ ডিগ্রিতে ফুটে উড়ে যায় কাজেই যতক্ষন না পর্যন্ত খাদ্যের তাপ ১০০ ডিগ্রির উপর পৌছায় ততক্ষন পানি পুরাপুরি বাষ্প হয়না। আবার ১০০ ডিগ্রির উপর তখনই উঠবে যখন পানি ফুটে উড়ে যায়। কিন্তু ব্যাপারটা হচ্ছে যতখন না চাল সিদ্দ মানে ভাত হচ্ছে ততক্ষন তাপ বাড়ে না। কাজেই থার্মোকাপলটি যখন নির্দিষ্ট তাপ পেয়ে যায় তখন থার্মোকাপল সুইচ(কুকারের সুইচ নয়, এই সুইচ হচ্ছে দুটি ভিন্ন ধাতব যেমন লোহা ও তামার প্লেট একসাথে জোড়া দিয়া তৈরি, আমরা জানি তাপের ফলে পদার্থের আয়তন বাড়ে। আবার ভিন্ন ভিন্ন ধাতব বস্তুর আয়তন ভিন্ন ভিন্ন বাড়ে। কাজেই এই জোড় এ তাপ দিলে লোহা কম প্রসারন হবে কিন্তু তামা বেশি প্রসারন হবে। এবং যেহেতু দুটা একই সাথে জোড়া তাই বেশি প্রসারন পিঠ ধনুকের মত বেকে যাবে, ফলে এক প্রান্ত সার্কিট বন্ধ করে দেয়, এই নীতির সুইচ) অফ হয়ে যায় এই অফ বিদ্যুৎ ট্রান্সজিস্টর এমপ্লিফাই করে সমস্ত বিদ্যুৎ কে বিপরীত বায়াস হিসাবে অফ করে ফেলে ফলে কুকারের সুইচ উঠে যায়। এই হচ্ছে রাইস কুকারে মুল নীতি।