4 Answers
যদি ছেলেটি যিনায় অভ্যস্ত হয়, তাহলে তার সাথে বিবাহ দেয়া মেয়ের পরিবারের জন্য অনুচিত৷ তবে যদি এমন হয় যে, বিবাহ করলে সে এহেন অপরাধ বা গুনাহের কাজ থেকে বিরত থাকবে এবং তওবা করবে, তাহলে তার সাথে বিবাহ করতে রাজি হওয়া সওয়াবের কাজ৷ অথবা যদি জীবনের কোন এক সময় যিনা করেছিল ঠিক, কিন্তু পরবর্তীতে তওবা করে ভালো হয়ে গিয়েছে এমন ছেলের সাথে বিবাহে রাজি হওয়াতে কোন দোষ নেই৷
3020 views
Answered
গোনাহ হবেনা।তবে ছেলে যদি বর্তমানেও এমন অবস্থায় থাকে তাহলে বিয়ে দেয়া মোটেও ঠিক হবেনা।আর হ্যাঁ! যিনা যদি ঐ মেয়ের সাথে হয়ে থাকে তাহলে সমস্যা নেই। অভিভাবকদের সচেতন হওয়া প্রয়োজন কারণ এমন ছেলেরা ভালো হওয়ার সম্ভাবনা কম থাকে। ভালো হওয়ার সম্ভাবনা থাকলে ভিন্ন কথা।
3020 views
Answered
ব্যভিচারী পুরুষ-ব্যভিচারীণীকে অথবা মুশরিক নারীকে ছাড়া বিয়ে করে না এবং ব্যভিচারিণী নারী, তাকে ব্যভিচারী অথবা মুশরিক ছাড়া কেউ বিয়ে করে না, আর মুমিনদের জন্য এটা হারাম করা হয়েছে।
(সূরা আন-নূর ৩)
সাধারণতঃ ব্যভিচারী ব্যক্তি বিবাহের জন্য নিজের মত ব্যভিচারিণীর দিকেই রুজু করে থাকে। সেই জন্য দেখা যায় অধিকাংশ ব্যভিচারী নারী-পুরুষ তাদেরই অনুরূপ ব্যভিচারী নারী-পুরুষের সাথে বৈবাহিক সম্পর্ক কায়েম করতে পছন্দ করে। আর এ কথা বলার আসল লক্ষ্য হল, মুমিনদেরকে সতর্ক করা যে, যেমন ব্যভিচার একটি জঘন্যতম কর্ম ও মহাপাপ, তেমনি ব্যভিচারী ব্যক্তির সাথে বিবাহ ও দাম্পত্য জীবনের সম্পর্ক গড়াও অবৈধ।
ব্যভিচারী নারী-পুরুষকে মুমিনদের জন্য বিবাহ করা হারাম করা হয়েছে। সুতরাং এরূপ জঘন্যতম কাজ করা থেকে সতর্ক থাকতে হবে, সেই সাথে যারা এরূপ কাজ করে তাদের সাথে সম্পর্ক রাখা থেকে বিরত থাকতে হবে।
মুল কথাঃ যিনাকারী ছেলের সাথে মেয়ের পরিবার বিয়ে দিতে রাজি হলে গুনাহ হবে। তবে সে যদি বিশুদ্ধভাবে তওবা করে নেয়, তাহলে বিবাহ বৈধ। (তাফসীর ইবনে কাসীর)
সাধারণতঃ ব্যভিচারী ব্যক্তি বিবাহের জন্য নিজের মত ব্যভিচারিণীর দিকেই রুজু করে থাকে। সেই জন্য দেখা যায় অধিকাংশ ব্যভিচারী নারী-পুরুষ তাদেরই অনুরূপ ব্যভিচারী নারী-পুরুষের সাথে বৈবাহিক সম্পর্ক কায়েম করতে পছন্দ করে। আর এ কথা বলার আসল লক্ষ্য হল, মুমিনদেরকে সতর্ক করা যে, যেমন ব্যভিচার একটি জঘন্যতম কর্ম ও মহাপাপ, তেমনি ব্যভিচারী ব্যক্তির সাথে বিবাহ ও দাম্পত্য জীবনের সম্পর্ক গড়াও অবৈধ।
ব্যভিচারী নারী-পুরুষকে মুমিনদের জন্য বিবাহ করা হারাম করা হয়েছে। সুতরাং এরূপ জঘন্যতম কাজ করা থেকে সতর্ক থাকতে হবে, সেই সাথে যারা এরূপ কাজ করে তাদের সাথে সম্পর্ক রাখা থেকে বিরত থাকতে হবে।
মুল কথাঃ যিনাকারী ছেলের সাথে মেয়ের পরিবার বিয়ে দিতে রাজি হলে গুনাহ হবে। তবে সে যদি বিশুদ্ধভাবে তওবা করে নেয়, তাহলে বিবাহ বৈধ। (তাফসীর ইবনে কাসীর)
3020 views
Answered
Related Questions
Next steps
- Find a doctor for in-person or online consultation
- Browse medical tests patients often ask about
- Check medicine information (uses, dosage, brands in Bangladesh)
- More health Q&A on Bissoy