এক্ষেত্রে ইবাদাত বন্দেগী কবুল হবে কি?
1 Answers
আত্মীয়তার বন্ধন ছিন্ন করা হারাম। সম্পর্ক ছিন্নকারী জান্নাতে প্রবেশ করতে পারবেনা। এজন্য হাদিসে আত্মীয়তার সম্পর্ক অক্ষুণ্ণ রাখার আদেশ দান কর হয়েছে। মুসলিমের এক বর্ণনায় আছে, বান্দার দোআ ততক্ষণ পর্যন্ত কবূল করা হয়, যতক্ষণ সে গুনাহর জন্য বা আত্মীয়তা ছিন্ন করার জন্য দোআ না করে, আর যতক্ষণ না সে তাড়াহুড়ো করে। জিজ্ঞাসা করা হল, হে আল্লাহর রাসূল! তাড়াহুড়ো মানে কি? তিনি বললেন, দোআ কারী বলে, দোআ করলাম, আবার দোআ করলাম, অথচ দেখলাম না যে, তিনি আমার দোআ কবূল করছেন। কাজেই সে তখন ক্লান্ত-শ্রান্ত হয়ে বসে পড়ে ও দোআ করা ত্যাগ করে দেয়। আল্লাহ তাআলা বলেন, ক্ষমতায় অধিষ্ঠিত হলে সম্ভবতঃ তোমরা পৃথিবীতে বিপর্যয় সৃষ্টি করবে এবং তোমাদের আত্মীয়তার বন্ধন ছিন্ন করবে। ওরা তো তারা, যাদেরকে আল্লাহ অভিশপ্ত করে বধির ও দৃষ্টিশক্তিহীন করেন। (সূরা মুহাম্মাদঃ ২২-২৩) তিনি আরো বলেন, যারা আল্লাহর সাথে দৃঢ় অঙ্গীকারে আবদ্ধ হওয়ার পর তা ভঙ্গ করে, যে সম্পর্ক অক্ষুণ্ণ রাখতে আল্লাহ আদেশ করেছেন তা ছিন্ন করে এবং পৃথিবীতে অশান্তি সৃষ্টি করে বেড়ায়, তাদের জন্য আছে অভিসম্পাত এবং তাদের জন্য আছে মন্দ আবাস। (সূরা রাদঃ ২৫) আবদুল্লাহ ইবনে আমর (রাঃ) থেকে বর্ণিত। রাসুল (সা) বলেনঃ প্রতিদানের বিনিময়ে আত্মীয় সম্পর্ক রক্ষাকারী প্রকৃত আত্মীয় রক্ষাকারী নয়। বরং আত্মীয় সম্পর্ক ছিন্ন করা হলে যে ব্যক্তি তা যুক্ত করে সে হলো আত্মীয় সম্পর্ক রক্ষাকারী। (আল-আদাবুল মুফরাদঃ ৬৮) জনাব! কি হয়েছে যে অতীত ভুলে যাওয়া যাবেনা। তিনি তো ধর্ম ত্যাগ করেনি! প্রতিজ্ঞা ভেঙ্গে ফেলুন আত্মীয়তা বন্ধন অটুট রাখুন এটাই আল্লাহ পাকের আদেশ। এর থেকে পরিত্রানের কোন দোআ নেই।