2 Answers

শুক্রানু হচ্ছে পুং গ্যামেট। এটি পুরুষের দেহে তৈরি হয়। শুক্রানু দেখতে লম্বাকৃতি, এবং এটি সচল। ডিম্বানুর চেয়ে আকারে অনেক ছোট।  অন্যদিকে ডিম্বানু হচ্ছে স্ত্রী গ্যামেট। এটি স্ত্রীদেহে তৈরি হয়। এটি গোলাকৃতি। আকারে শুক্রানুর চেয়ে বেশ বড়। শুক্রানু ডিম্বানুর ভেতর প্রবেশ করে নিষেক সম্পর্ন করে জাইগোট তথা ভ্রুন সৃষ্টি করে।। ভ্রুনই বহু ধাপে বহু পরিবর্তন ও বৃদ্ধি পেয়ে শিশু সৃষ্টি হয়।

4153 views Answered

শুক্রাণু-শুক্রাণু বলতে পুংজনন কোষকে বোঝানো হয়। শুক্রাণু যখন ডিম্বাণু কোষকে নিষিক্ত করে জাইগোট যা মাইটোসিস কোষ বিভাজনের মধ্য দিয়ে ভ্রুণ গঠন করে এক সময় শিশু জীবে গঠন করে। স্তন্যপায়ী প্রাণীতে শুক্রাণু শুক্রাশয়ে উৎপন্ন হয়ে থাকে এবং শিশ্নের মাধ্যমে বীর্যের সাথে বের হয়ে আসে। মানব শুক্রাণু হ্যপ্লয়েড কোষ অর্থাৎ এতে ক্রোমোসোমের সংখ্যা এর উৎপাদক কোষের ক্রোমোসোমের সংখ্যার অর্ধেক। শুক্রাণুতে বিদ্যমান ক্রোমোসোম জীবের বৈশিষ্টের বাহক জিন বহন করে যা জীব থেকে তার বংশধরের মাঝে ছড়িয়ে পড়ে। ডিম্বাণু-ডিম্বাণু বলতে স্ত্রীজনন কোষ বোঝানো হয় যা জীবের যৌন প্রক্রিয়ায় শক্রাণুর দ্বারা নিষিক্ত হয়ে থাকে। যা প্রথমে নিষিক্ত ডিম্বাণু জাইগোট গঠন করে এবং পরবর্তীতে মানব শিশুর দেহে পরিণত হয়। শুক্রাণু হলো পুংজনন কোষ অপরদিকে ডিম্বাণু হলো স্ত্রী জনন কোষ। বীর্যের মাধ্যমে শুক্রাণু গঠন হয়ে আসে এবং স্ত্রী দেহে ডিম্বাশয়ে ডিম্বাণু তৈরি হয়। শুক্রাণু এবং ডিম্বাণু নিষিক্ত হয়ে মানব দেহে পরিণত হয়।

4153 views Answered

Next steps