4 Answers
আমি ও এই সমস্যাতে ভুগছিলাম গত কাল আমি এক হোমিও ডাক্তার এর পরামর্শ নিয় এবং তিনি আমাকে কিছু ওষুধ দেন সেবন করে বেশ ভালো আছি আপনি চাইলে হোমিও ডাক্তার এর পরামর্শ নিতে পারেন
আসলে আমরা আভ্যাস এর দাস।আমরা যে জিনিস কে আভ্যাস হিসেবে গ্রহন করি সে জিনিসটা ছাড়া চলতে সমস্যা হয়।।সে রকম ভাবে গ্যাস্ট্রিক এর ঔষধ খাওয়ার ফলে আপনার পাকস্থলী ওষুধ এর উপর নির্ভরশীল হয়ে তার নিজস্ব কার্য ক্ষমতা হারিয়ে ফেলচে।তাই যত কম পারেন ঔষধ কম খাবেন। বেশী করে পানি পান করবেন যা হজম ক্ষমতা বাডাবে। পারলে হাল্কা ব্যায়াম করবেন তাতে পাকস্থলীর পেশী গুলোর কর্ম ক্ষমতা বাডবে। thank you
আপনি প্রথমিক ভাবে হোমিও নাক্স 30 ২ ঘন্টা পর পর 3 দিন খাবেন ১ফোটা করে। আশা করি গ্যাস্ট্রিক এর প্রবলেম কমে যাবে। এর পর থেকে নাক্স 30 রাত্রে খাওয়ার পর ১ ফোটা করে ১মাস খাবেন। এবং এর সাথে চেলিডোনিয়াম মাদার ১০ ফোটা করে ৪বার সেব্য। অবশ্যই রেজাল্ট জানাতে ভূলবেন না।
রোগটার কারণ কি? ভাজা পোড়া খাবার, দেড়ি করে এবং অসময়ে খাওয়া, ঠিকমত হজম না হওয়া ইত্যাদি। আর রোগটি যখন হয়ে যায় তখন আমরা কি করি? Entacyde Omep pantonix Isutack renetid এগুলো খাই। সাময়িক ভাল করলেও এগুলোর ভবিষ্যত ফলাফল খারাপ। আমার কথাগুলো একটু মনোযোগ দিয়ে পড়ার জন্য অনুরোধ করছি। খাবার খাবার আধাঘন্টা আগে পানি খাবেন। খাবারের সময় পানি খাবেন না। আবার খাবারের আধাঘন্টা পরে পানি খাবেন। তা না হলে পানির সাথে মিশে পেটের এসিড দূর্বল হয়ে পড়বে। খবার হজম হবেনা। বুক জ্বালা পোড়া করবে। সকালে খালি পেটে পানি পান করবেন। কুসুম গরম হলে ভাল হয়। রাতে ঘুমানোর আগে তোকমা অথবা ইসবগুল ভূষি খাবেন পানিতে মিশিয়ে। মিশানোর 2 3 মিনিটের মধ্যেই খেয়ে ফেলবেন। আর খালিপেটে কাচা রসুন খাবেন ভাত খাবার আগে। ঝাল লাগলে পানি আর রসুন একই সাথে চিবাতে পারেন। এটি হজমের উপকার করবে। খাবার ধীরে ধীরে চিবিয়ে খাবেন। যাতে হজম করতে পাকস্থলির কম পরিশ্রম হয়। শুধু একমাস পানি খাবার নিয়মটি ঠিকমত পালন করলেও ইনশাআল্লাহ বুক জ্বালা পোড়া থাকবেনা বলে আশা করি। ধন্যবাদ।