2 Answers
আলকুশি বীজ চূর্ন এর উপকারীতা হলো পাতলা বীর্যকে গাড় করে। যৌবনে নানা প্রকার কু-অভ্যাসের ফলে অতিরিক্ত শুক্র ক্ষয়ের জন্যে মহামূল্যবান বীর্য তরল হয়ে যায়। আলকুশীর পাকা বীজ চার থেকে পাচটি আগের রাতে এক কাপ গরম দুধে ভিজিয়ে রেখে পরের দিন সকালে বীজগুলোর কোসা ছাড়িয়ে শিলে মিহি করে বেটে নিয়ে সামান্য গাওয়া গিয়ে বাটা বীজকে ভেজে নেয়া দরকার। তবে ভাজাটা খুব কড়াভাবে ভাজা চলবে না। ঠান্ডা হলে এক চামচ মিসরীগুড়া অথবা সমপরিমান চিনি মিশিয়ে দিনে একবার করে খেলে তরল বীর্য ঘন হয়ে যাবে। অন্তত বিশদিন করে খেয়ে যেতে হবে এবং পথ্য হিসেবে গরুর দুধ 250 মি.লি. থেকে 500 মি.লি ঔষুধ চলাকালীন খেয়ে যেতে হবে।
আলকুশী একটি বর্ষজীবী লতানো গাছ । আলকুশির ইংরেজি নাম Leguminosae । বিভিন্ন নামে পরিচিতি। যেমন- আত্মগুপ্তা, স্বয়ংগুপ্তা, মহর্ষভী, কুণ্ডলী, দুঃস্পর্শা, রোমালু, শীম্বী ইত্যাদি । একে দেখতে অনেকটাই শিমগাছের মতই দেখায় । এর বৃত্যংশ পাঁচটি, এতে বিষাক্ত রোম আছে । আলকুশীর যে অংশ ব্যবহার করা হয় বীজ ও শিকড় । বীজ চূর্ণ এক আনা, মূলের রস এক তোলা । আলকুশির ব্যবহারবিধি ও উপকারিতা বাজিকর হিসেবে আলকুশীর প্রধান ব্যবহার বাজীকর ঔষধ হিসেবে । যে ঔষধ অতিমাত্রায় শুক্র সৃষ্টি করে অথবা অশ্বের মত রমণে প্রবৃত্ত করে তাঁকে বাজীকর ঔষধ বলা হয় । আলকুশির বীজকে রাত্রিতে পানিতে (অথবা গরম দুধে) ভিজিয়ে রাখতে হবে এবং পরদিন সকালে বীজের খোসা ছাড়াতে হবে । খোসা ছাড়ান বীজকে এমনিতে অথবা দুধ-পানিতে একটু সিদ্ধ করে পিষে নিতে হবে এবং অল্প ঘি-এ ভাজতে হবে । পরে এর সাথে চিনি মিশাতে হবে । এ থেকে সকাল বিকাল ২ চা চামচ করে খেতে হবে এবং ঔষধ খাবার পর অন্তত এক কাপ দুধ খেতে হবে । এভাবে কিছুদিন খেলেই বাজীকরণ নির্বাহ হবে । যাতদের ধ্বজভঙ্গ, শুক্রতারল্য, বা স্ত্রীলোক দর্শনেই শুক্রক্ষরন হয় তাঁদের জন্য এটি অত্যন্ত বিশ্বস্ত পথ্য। আলকুশীর বীজ চূর্ণ করে মাষ কলাইয়ের সাথে জুস তৈরি করে খেলেও বলবান ও বাজীকরন নির্বাহ হয় । বাতব্যথা এক প্রকার বাতব্যাধি আছে যাতে হাত উপরে উঠানো যায় না । এরূপ ক্ষেত্রে আলকুশী শিকড়ের রস কয়দিন নিয়মিত খেলে তা সেরে যায় । আলকুশীর বীজ ঋতুস্রাবকারী এবং বেশ বলকারক । অন্যান্য রোগে সন্তান প্রসব অথবা অন্য কোন কারণে স্ত্রীলোকের যোনী প্রসারিত হয়ে গেলে আলকুশির শিকড়ের ক্বাথে একখণ্ড পরিষ্কার কাপড় ভিজিয়ে তা যোনীতে ধারন করলে যোনী সঙ্কীর্ণতা প্রাপ্ত পায় । বিছা ও অন্যান্য বিষাক্ত পোকা-মাকড়ে দংশন করলে তাতে আলকুশীর বীজ চূর্ণ করে লাগালে বিষ নষ্ট হয়ে যায় । সাবধানতা: আলকুশীর অপকারিতা আলকুশীর ফলের উপরের শুয়া অত্যন্ত বিষাক্ত । এটি লাগলে ত্বকে অত্যন্ত চুলকানি ও জ্বালাযন্ত্রণা আরম্ভ হয় । কাজেই বীজ সংগ্রহ কালে অত্যন্ত সাবধান ও যত্নবান হওয়া আপরিহার্য । আলকুশির গাছ আমাদের জন্য অত্যন্ত উপকারী যার ঔষধি গুণাগুণ অনেক । আমাদে সকলেরই উচিত নিয়মিত আলকুশী সেবন করা এবং এর যথার্থ ব্যবহার করা উচিত
Related Questions
Next steps
- Find a doctor for in-person or online consultation
- Browse medical tests patients often ask about
- Check medicine information (uses, dosage, brands in Bangladesh)
- More health Q&A on Bissoy