2 Answers

আমরা যদি বর্ণালীর সাত রঙের দিকে লক্ষ্য করি, তাহলে দেখবো, লাল আলোর চেয়ে বেশি তরঙ্গদৈর্ঘের আলো আমাদের চোখ দেখতে পারে না। আবার, নীল আলোর চেয়ে কম তরঙ্গদৈর্ঘের আলো আমাদের চোখ দেখতে পারে না। উল্লেখ্য, সাত রঙের মধ্যে লাল ও নীল দুই প্রান্তের আর তরঙ্গদৈর্ঘের হিসেবে সবুজ আলোর অবস্থান মাঝে। আর একারনেই সবুজ আলোর তরঙ্গদৈর্ঘ চোখের জন্য সবচেয়ে উপযুক্ত এবং চোখের বিস্রাম হয়।

3174 views

আমরা প্রায়ই শুনে থাকি যে সবুজ গাছপালার দিকে তাকালে চোখের দৃষ্টিশক্তি ভালো হয় এবং চোখের স্বাস্থ্য ভালো থাকে। এমন ধরনের মন্তব্যের বৈজ্ঞানিক সত্যতা সন্দেহাতীত। সবুজ গাছপালার দিকে তাকালে চোখের স্বাভাবিক বিশ্রাম হতে পারে তবে চোখের দৃষ্টিশক্তি ভালো হয় এমন কোনোকিছু উল্লেখ নেই মেডিক্যাল চিকিৎসাবিজ্ঞানে। আমরা যখন অনেকক্ষণ যাবৎ কম্পিউটারে কাজ করে থাকি তখন দেখা যায় যে চোখের পানি শুকিয়ে যায় ফলে চোখে ব্যথা, মাথা ব্যথা হয় এবং স্ক্রিণের অতিরিক্ত আলো চোখের অনেক ক্ষতি করে। এজন্য ডাক্তাররা পরামর্শ দেন যে এসময় চোখকে একটু বিশ্রাম দেয়া উচিত। এটা হতে পারে কিছুক্ষণ চোখ বন্ধ করে, হাতের তালু দিলে হালকা চেপে ধরে, স্ক্রিণের আলো কমিয়ে, চোখে বরফ পানি দিয়ে, কাজ থেকে বিরতি নিয়ে, আইলেভেলের সামঞ্জস্যতা বজায় রেখে অথবা হতে পারে সবুজ কোনো গাছপালার দিকে কিছুক্ষণ তাকিয়ে থেকে। এর অর্থ এই নয় যে এর ফলে দৃষ্টিশক্তি বেড়ে যাবে বরং এর ফলে চোখের বিশ্রাম হবে এবং পরবর্তী কাজ পরিচালনায় সহায়তা করবে। কারণ : খেয়াল করে দেখবেন যে দূরে তাকালে আমাদের চোখের উপরে চাপ অনেক কম হয়। মূলত এই কারণেই অনেকে চোখের স্বাস্থ্য ভালো রাখার জন্য সবুজ গাছপালার দিকে তাকানোর পরামর্শ দিয়ে থাকেন। গাছপালা বেশ কিছু মিটার দূরে অবস্থানের ফলে চোখ এগুলোকে সহজে দেখতে পায় এবং কোনো প্রকার প্রেসার ছাড়াই চোখ এখান থেকে বিশ্রাম নিতে পারে। এর ফলে চোখের পেশীগুলো নিস্তেজ হয়ে পড়ে, লেন্স সোজা দূরবর্তী স্থানের দিকমুখী থাকে এবং চোখের স্বাভাবিক দৃষ্টিশক্তি ধরে রাখতে সহায়তা করে। উল্লেখ্য যতটা সময় নিয়ে আপনি দূরবর্তী সবুজ গাছপালার দিকে তাকিয়ে থাকবেন তত বেশি আপনি অল্পদর্শিতার সমস্যাটি কাটিয়ে উঠতে পারবেন। ধন্যবাদ সূত্র : drleesb.wordpress.com

3174 views

Related Questions