1 Answers

ব্রংকাইটিস এর লক্ষণসমূহঃ * শিশু ক্রমাগত কাশতে থাকবে। কখনো কখনো এই কাশি এক দেড় মাস ধরে চলতে পারে। কাশি শুকনা বা কফমিশ্রিত হতে পারে। * কাশির সাথে কফ বা শ্লেশ উঠে আসতে পারে। কফ সবুজ, হলুদ, সাদা বা অনেক সময় কফের সাথে রক্ত মিশ্রিত থাকতে পারে। *নিঃশ্বাস নিতে কষ্ট হতে পারে বা জোরে জোরে নিঃশ্বাস নিতে পারে শিশু। * নিঃশ্বাস নেয়ার সময় বুকে ব্যথা অনুভূত হতে পারে। * বাচ্চার জ্বর থাকতে পারে। সেই সাথে কাঁপুনি হতে পারে ও শরীর ব্যথা করতে পারে। * গলায় ব্যথা হতে পারে সেই সাথে নাক দিয়ে সর্দি যেতে পারে অনেক সময়। * শিশুর নিঃশ্বাসের সাথে বাঁশির মত শব্দ হতে পারে। * সাধারনের তুলনায় অনেক বেশি দুর্বল বোধ করতে পারে এ সময় শিশু। এসবই একটি শিশুর মাঝে ব্রংকাইটিস হবার চিহ্ন বলে ধরা হয়। এমন কোন একটি বা দুইটি চিহ্ন সাত দিনের বেশি সময় ধরে দেখা দিলে তৎক্ষণাৎ ডাক্তারের সাথে পরামর্শ করুন। ডাক্তার হয়ত তাকে ওষুধের পাশাপাশি ইনহেলার বা নেবুলাইজার এর চিকিৎসা দিতে পারে। এটি বেশি অসুস্থ হলে দেয়া হতে পারে। অনেক অভিভাবক এক থেকে দুই দিন দেয়ার পরে তা বন্ধ করে দেন। এমনটা কখনই করতে যাবেন না। মনে রাখবেন সন্তানকে সুস্থ করে তলার জন্য ও ভবিষ্যতে এই রকম রগে যেন আক্রান্ত না হয় তার জন্যই এমন ওষুধ প্রেস্ক্রাইব করা হয়। তাই সন্তানের একটু কষ্ট হলেও তার চিকিৎসা ভালভাবে সম্পন্ন করাতে হবে। সেই সাথে ভবিষ্যতে যেন আপনার সন্তান সুস্থ থাকে তার জন্য নিজেও কিছু নিয়ম মেনে চলতে চেষ্টা করবেন। * আক্রান্ত শিশুর অভিভাবক যদি ধূমপায়ী হন তাহলে তা পরিহার করার চেষ্টা করবেন। না সফল হলে বাচ্চার সামনে বা আশেপাশে ধূমপান করবেন না। * শিশুকে বেশি করে পানি খেতে দিতে হবে। বেশি পানি খেলে শ্বাসনালী আর্দ্র থাকবে ফলে মিউকাস থাকলে তা সহজে বের হয়ে যেতে পারবে। * খুব বেশি ঠাণ্ডা জায়গা বা খুব বেশি গরমের মাঝে বাচ্চাকে নিয়ে যাবেন না। ঠাণ্ডায় সমস্যা থাকলে সরাসরি এসির মধ্যে রাখবেন না। ঠাণ্ডা খাবার খেতে দিবেন না। এ সময় সন্তানকে ওষুধ খাওয়ানো, ঠিক মত যত্ন নেয়া এসব তো করতেই হবে, সেই সাথে বাচ্চাকে অনেক বেশি ভালবাসা ও মমতা দিতে হবে। অসুস্থ হবার কারনে তাদের মনোবল এমনিতেই অনেক দুর্বল হয়ে পড়ে তাই সুস্থ করে তোলার চেস্টার পাশাপাশি তার মানসিক দুর্বলতা কাটিয়ে উঠতেও সাহায্য করতে হবে। মানসিকভাবে সুস্থ থাকলে শিশু দ্রুতই সুস্থ হয়ে উঠবে।

4185 views