1 Answers
উদ্দীপকের দৃষ্টান্তে অভিজ্ঞতার মাধ্যমে রাশেদ, মিঠু, রুনা, রিতা, আলমগীর প্রমুখের মৃত্যু সম্পর্কে প্রত্যক্ষ জ্ঞান লাভ হয়। এ জ্ঞান থেকে সার্বিক সিদ্ধান্তে উপনীত হওয়া যায় যে, সকল মানুষ হয় মরণশীল। আমরা প্রকৃতির নিয়মানুবর্তিতা নীতিতে বিশ্বাস করে কিছু সংখ্যক মানুষের মৃত্যুর অভিজ্ঞতার ওপর ভিত্তি করে সমগ্র মানবজাতির মরণশীলতা সম্পর্কে একটি সিদ্ধান্ত স্থাপন করি। প্রাকৃতিক বিজ্ঞানের সবচেয়ে গুরুত্বপূর্ণ নীতিটি হলো প্রকৃতির নিয়মানুবর্তিতা নীতি। প্রকৃতির নিয়মানুবর্তিতা নীতির অর্থ হলো প্রকৃতিতে অভিন্ন অবস্থায় অভিন্ন ঘটনা ঘটে। প্রতিষ্ঠিত সত্যের ভিত্তিতে কতিপয় দৃষ্টান্ত অনুসরণ করে সমগ্র বিষয় সম্পর্কে সিদ্ধান্ত গ্রহণ করা হয় বলে প্রকৃতির নিয়মানুবর্তিতা নীতিকে আরোহের আকারগত ভিত্তি বলা হয়। প্রকৃতির নিয়মানুবর্তিতা নীতি মানব মনের সহজাত ধারণা এবং আরোহের প্রামাণিক নিয়ম। আরোহ অনুমানের মূল উদ্দেশ্য হলো অভিজ্ঞতার মাধ্যমে বাস্তব জগতের বিশেষ বিশেষ ঘটনা সম্বন্ধে যে জ্ঞান লাভ করা হয়, তার ওপর ভিত্তি করে কোনো একটি সমগ্র জাতি বা শ্রেণি সম্বন্ধে প্রযোজ্য এরূপ একটি সিদ্ধান্তে পৌঁছানো। যেমন উদ্দীপকের দৃষ্টান্তে রাশেদ, মিঠু, রুনা, রিতা, আলমগীর প্রভৃতি মানুষের মরণশীলতা থেকে সার্বিক সিদ্ধান্তে পৌঁছানো যায় যে, সকল মানুষ হয় মরণশীল। আরোহ অনুমানের অভিজ্ঞতালব্ধ আশ্রয়বাক্যগুলো জ্ঞাত সত্য প্রকাশ করে।