1 Answers

শিক্ষার উদ্দেশ্য ও চাহিদার ক্ষেত্রে বৈশ্বিক পরিবর্তন ও প্রযুক্তির ব্যাপক উন্নয়নের ফলে শ্রেণিকক্ষের শিক্ষণ-শিখনেও পরিবর্তন সাধিত হচ্ছে । যুগোপযোগী ও আদর্শ শিক্ষণ-শিখন কার্যক্রম নিশ্চিত করতে একজন শিক্ষা কর্মকর্তা যেসকল ভূমিকা রাখতে পারেন তা নিম্নরূপঃ

  • শিক্ষকের পেশাগত উন্নয়ন এর মাধ্যমে ।
  • শ্রেণীকক্ষে আনন্দঘন পরিবেশে শিক্ষাদান করতে তা শিক্ষার্থীদের মনে স্থান করে নেয়। তাই শিক্ষকের উচিত শ্রেণীকক্ষকে আনন্দঘন করে তোলা ।
  • শিক্ষার্থীদের আচরণে ইতিবাচক পরিবর্তনে সহায়তা করা।
  • যেসব কার্যক্রম শিক্ষার্থীদের মনে দীর্ঘস্থায়ী প্রভাব ফেলে, সেগুলোর উল্লেখযোগ্য হলো ছাত্রছাত্রী উভয়কে সমানভাবে কর্মে সম্পৃক্ত করা, উপস্থাপনায় সমান সুযোগ দিয়ে ক্ষমতায়ন বিচার করা, সমানভাবে নেতৃত্বের সুযোগ সৃষ্টি করা, তথ্যপ্রযুক্তি শ্রেণীর ও উপকরণ ব্যবহারে সমান সুযোগ সৃষ্টি করা।
  • শিক্ষা পরিকল্পনা ও বাস্তবায়ন হতে হবে পরিকল্পিত এবং সুচিন্তিত। শিক্ষা পরিকল্পনার মূলে রয়েছে শিক্ষানো।
  • বয়স উপযোগী আকর্ষণীয় শিল্প উপকরণ শিক্ষায় উল্লেখযোগ্য অবদান রাখে।
  • মূল্যায়ন প্রক্রিয়ায় শিক্ষার্থীদের এমন সুযোগ দেয়া দরকার, যাতে শিক্ষার্থীরা অর্থের পুনর্গঠন প্রক্রিয়ার মধ্য দিয়ে অভিজ্ঞতা অর্জন করতে পারে এবং নতুন নতুন ও বাস্তবভিত্তিক সমস্যা সমাধানের চ্যালেঞ্জের সন্মুখীন হতে তা সমাধানের চেষ্টা করে।
  • বর্তমান শতাব্দীর নতুন প্রজন্ম প্রবেশ করেছে দ্রুত, পরিবর্তনশীল এক নতুন পৃথিবীতে। বিজ্ঞান, টেকনোলজি, রাজনীতি, অর্থনীতি, সামাজিক, সাংস্কৃতিক প্রতিটি ক্ষেত্রে ব্যাপক পরিবর্তন শিক্ষাক্ষেত্রে সৃষ্টি করেছে নতুন নতুন চ্যালেঞ্জ। আর এ চ্যালেঞ্জ মোকাবিলায় প্রধান ভূমিকা পালন করে শিক্ষক সমাজ। কারণ যুগোপযোগী শিক্ষার মাধ্যমেই নতুন প্রজন্মকে জ্ঞানভিত্তিক সমাজ কাঠামোর এ নতুন পৃথিবীর সঙ্গে খাপ খাওয়ানো সম্ভব।
4 views

Related Questions

বাংলাদেশের তথ্যপ্রযুক্তি খাতে অন্যতম প্রতিশ্রুতিশীল ও সুসংগঠিত প্রতিষ্ঠান হচ্ছে বাংলাদেশ অ্যাসোসিয়েশন অব সফ্টওয়্যার অ্যান্ড ইনফরমেশন সার্ভিসেস (বেসিস)। দিন দিন আমাদের দেশের ইন্টারনেট ব্যবহারকারী বেড়েই চলেছে। এই ইন্টারনেট সবাই যাতে ইতিবাচক হিসেবে ব্যবহার করে, সে ক্ষেত্রে বেসিস অসামান্য ভূমিকা পালন করতে পারে। সম্প্রতি দেশের মুঠোফোন অপারেটরগুলো ফোরজির লাইসেন্স পেয়েছে। এটা আমাদের দেশের তথ্যপ্রযুক্তির জন্য একটি বড় মাইলফলক হিসেবে বিবেচিত হয়েছে। কারণ, ইন্টারনেটের ধীরগতি এটা ব্যবহার করতে অনেক সমস্যার সৃষ্টি করত। দেশের সর্বত্র সবার মধ্যে তথ্যপ্রযুক্তির আলো ছড়িয়ে দিতে একটি সুসংগঠিত সংঘঠন হিসেবে বেসিসকে আরও বলিষ্ঠ ভূমিকা রাখতে হবে। (Bangla to English)
1 Answers 6 Views
অল্প কয়েক দিনের মধ্যেই দেশে করোনা শব্দাক্তের এক বছর হবে। গত ৩০ বছরে ক্রমাগত দারিদ্র্য কমছিল। করোনাতে দারিদ্রা বাড়ছে। কর্মহীন হয়ে পড়েছে অগণিত মানুষ। এই সংকট মোকাবিলায় প্রধানত ঋণকেন্দ্রিক কর্মসূচি নেওয়া হয়েছে। বিশ্বব্যাপী অভিজ্ঞতা থেকে দেখা যাচ্ছে, শুধু রণভিত্তিক প্রণোদনা দিয়ে অর্থনীতির কাঙ্ক্ষিত পুনরুদ্ধার সম্ভব নাও হতে পারে। উৎপাদনশীল খাতে বিনিয়োগ না হলে কাঙ্ক্ষিত কর্মসংস্থান ধরে রাখা যাবে না, হবে না নতুন কর্মসংস্থান। ফলে সা চাহিদা বাড়ানো দুরূহ হবে। অর্থনীতি পুনরুদ্ধারে তাই ক্ষণভিত্তিক প্রণোদনার সাথে উৎপাদনশীল খাতেও বিনিয়োগ নিশ্চিত করতে হবে। (Translate into English)
1 Answers 7 Views
আমরাজানি, কোভিত-১৯ মহামারির সময়েতথ্যপ্রযুক্তিভিত্তিক লেনদেন আমাদের সহযোদ্ধা হয়ে দাঁড়িয়েছিল। তবেসাধারণ মানুষ যথেষ্ট প্রযুক্তিবান্ধব না হওয়ার কারণেপ্রাথমিক পর্যায়ে অসুবিধা হয়েছে অনেকের। এ সময় প্রযুক্তিরসঙ্গে পরিচিত হতে বাধ্য হয়েছিআমরা। অনেক নারী পুরুষএখন তথ্যপ্রযুক্তিভিত্তিক লেনদেন করছেন। এ পরিবর্তনের সুফলপেতে শুরু করেছে দেশেরব্যাংক এবং আর্থিক প্রতিষ্ঠানগুলো।ব্যাপকহারে তথ্যপ্রযুক্তির ব্যবহার নিশ্চিত করা গেলে ব্যাংকব্যাবসা ভাল হবে। তবেতার জন্য দরকার প্রয়োজনীয়ও সঠিক অবকাঠামো এবংদক্ষ জনবল। আর এ বিষয়টিনিশ্চিত করার জন্য প্রয়োজন সঠিক নেতৃত্ব। আমরা যদি এখনতথ্যপ্রযুক্তির ব্যবহার নিশ্চিত করতে না পারি, তাহলে বিশ্বায়ন প্রক্রিয়ায় টিকে থাকা কঠিন হবে। তথ্যপ্রযুক্তিভিত্তিক রূপান্তরের সুবিধা পাবে দেশের সাধারনমানুষ। (Translation [Bangla to English])
1 Answers 6 Views