1 Answers

দেশের সার্বিক উন্নয়নে তথ্যপ্রযুক্তির ভূমিকা

  • বর্তমানে বিশ্বে সাধিত হচ্ছে তথ্য বিপ্লব।
  • শিল্পযুগ রূপান্তরিত হয়েছে তথ্যযুগে। শিল্পযুগের হাতিয়ার ছিল প্রযুক্তি। আর এ তথ্যযুগের হাতিয়ার হচ্ছে তথ্য ব্যবস্থাপনা। 
  • ধনী দেশগুলোর সম্পদের কারণ হচ্ছে তথ্য, দরিদ্র দেশগুলোর দারিদ্র্যের কারণ হচ্ছে তথ্যসংকট যে সমস্ত মৌলিক কারণে তথ্যপ্রযুক্তির অর্থনীতি দিন দিন শক্তিশালী হচ্ছে তা হলো-
  • তথ্য প্রযুক্তির ক্রমবর্ধমান চাহিদা ।
    কম্পিউটিং উপাদানের ক্রয়মূল্য দিন দিন কমছে।
  • তথ্য প্রযুক্তির ব্যবস্থাপনা মূল্য দিন দিন বাড়ছে।


তথ্যপ্রযুক্তি কিভাবে কর্মসংস্থানের সুযোগ সৃষ্টি করতে পারে নিম্নে বিস্তারিতভাবে তা আলোচনা করা হলোঃ 

সফটওয়্যার রপ্তানিঃ 

  • বহির্বিশ্বের যে কোনো কাজ সরাসরি কন্ট্রাক্টের মাধ্যমে অথবা যে কোনো সফটওয়্যার ডেভেলপমেন্ট কোম্পানির সাথে সাব কন্ট্রাক্টেও পাওয়া সম্ভব। 
  • ভারত ইতোমধ্যেই এভাবে বৃহত্তম সফটওয়্যার রপ্তানিকারক দেশ হিসেবে প্রতিষ্ঠা পেয়েছে ।

ইন্টারনেট সার্ভিসঃ 

  • সব রকম প্রতিষ্ঠান, বিশ্ববিদ্যালয়, সরকারি অফিস আজ নিজেদের ওয়েবসাইট খুলেছে ! তাই ওয়েবপেজ তৈরির চাহিদা দিন দিন বাড়ছে ৷
  • অনেক তরুণ-তরুণী ওয়েবপেজ ডেভেলপার হিসেবে ক্যারিয়ার গড়ছে। চাকরি খুঁজে পেতেও সাহায্য করছে ইন্টারনেট। কিছু কিছু ওয়েবসাইট যেমন www.bdjobs.com নিয়োগ প্রক্রিয়ায় গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা রাখছে ।
  • ইন্টারনেট সেবা দিতে গড়ে উঠেছে বিভিন্ন প্রতিষ্ঠান। এদের বলা হয়ে আইএসপি। আইএসপিগুলোর মাধ্যমেও কর্মসংস্থানের সুযোগ সৃষ্টি হচ্ছে ।
  • বর্তমানে বিভিন্ন কর্পোরেট প্রতিষ্ঠান যেমন মোবাইল কোম্পানি, Qubee, Banglalion WIMAX ইন্টারনেট সেবা দিচ্ছে।
  • কম্পিউটার নেটওয়ার্কিং
    বিভিন্ন বিজনেস কোম্পানি ধীরে ধীরে নিজেদের নেটওয়ার্কের অধীনে নিয়ে আসছে। এতে করে হার্ডওয়্যার সাপোর্ট, সফটওয়্যার স্থাপনসহ বিভিন্ন ফিডব্যাক শিল্পে কর্মসংস্থানের সুযোগ সৃষ্টি হচ্ছে। 
  • সৃষ্টি হচ্ছে নেটওয়ার্ক অ্যাডমিনিস্ট্রেটর, সফটওয়্যার ইঞ্জিনিয়ার, নেটওয়ার্ক প্রোগ্রামার প্রভৃতি পদ।

তথ্যপ্রযুক্তি কিভাবে কর্মসংস্থানের সুযোগ সৃষ্টি করতে পারে নিম্নে তা আলোচনা করা হলোঃ

তথ্য ব্যবস্থাপনা ও ডাটা এন্ট্রি, ই-বিজনেস, মেডিকেল সার্ভিস, ব্যাংকিং খাতে মাল্টিমিডিয়াঃ, আত্মকর্মসংস্থান, প্রশিক্ষণ ।

দ্রুত অর্থনৈতিক সমৃদ্ধির জন্য নিম্নোক্ত বিষয়গুলোতে মনোযোগী হওয়া দরকার-

  • অবকাঠামো উন্নয়ন হিসেবে টেলিফোন লাইনের সংযোগপ্রাপ্তি নিশ্চিত করা।
  • সারাদেশকে ফাইবার অপটিক কেবল নেটওয়ার্কের আওতায় নিয়ে আসা ।
  • ইপিজেডগুলোর মতো সফট্যার রপ্তানিমুখী পতিষ্ঠানের জন্য সব ধরণের অবকাঠামোগত সুবিধাসহ হাইটেক পার্ক গড়ে তোলা ।
  • প্রাতিষ্ঠানিক শিক্ষার পাশাপাশি তথ্যপ্রযুক্তি বিষয়ে পেশাগত প্রশিক্ষণের ব্যবস্থা করা । 
  • নিজের পক্ষে ভারত বা তৃতীয় কোনো দেশ থেকে সাবকন্ট্রাক্ট আদায়ের চেষ্টা করা ।
  • বুদ্ধিবৃত্তিক সম্পদের কপিরাইট আইন তৈরি এবং তার যথাযথ প্রয়োগ নিশ্চিত করা ।
7 views

Related Questions

বাংলাদেশের তথ্যপ্রযুক্তি খাতে অন্যতম প্রতিশ্রুতিশীল ও সুসংগঠিত প্রতিষ্ঠান হচ্ছে বাংলাদেশ অ্যাসোসিয়েশন অব সফ্টওয়্যার অ্যান্ড ইনফরমেশন সার্ভিসেস (বেসিস)। দিন দিন আমাদের দেশের ইন্টারনেট ব্যবহারকারী বেড়েই চলেছে। এই ইন্টারনেট সবাই যাতে ইতিবাচক হিসেবে ব্যবহার করে, সে ক্ষেত্রে বেসিস অসামান্য ভূমিকা পালন করতে পারে। সম্প্রতি দেশের মুঠোফোন অপারেটরগুলো ফোরজির লাইসেন্স পেয়েছে। এটা আমাদের দেশের তথ্যপ্রযুক্তির জন্য একটি বড় মাইলফলক হিসেবে বিবেচিত হয়েছে। কারণ, ইন্টারনেটের ধীরগতি এটা ব্যবহার করতে অনেক সমস্যার সৃষ্টি করত। দেশের সর্বত্র সবার মধ্যে তথ্যপ্রযুক্তির আলো ছড়িয়ে দিতে একটি সুসংগঠিত সংঘঠন হিসেবে বেসিসকে আরও বলিষ্ঠ ভূমিকা রাখতে হবে। (Bangla to English)
1 Answers 6 Views
গত দুই দশকে বিশ্বজুড়ে তথ্যপ্রযুক্তিতে ঘটেছে অভাবনীয় সব পরিবর্তন ও সাফল্য। তথ্যপ্রযুক্তি সময় ও দূরত্বকে জয় করেছে। বাংলাদেশও তথ্যপ্রযুক্তির স্পর্শে জেগে উঠেছে। দেশে সম্প্রতি তথ্যপ্রযুক্তির উল্লেখযোগ্য বিকাশ ঘটেছে। বাংলাদেশে টেলিযোগাযোগসহ কষি, শিক্ষা, স্বাস্থ্য, আমদানি-রপ্তানি, সরকারি-বেসরকারিসহ অনেক কর্মকাও নিয়ন্ত্রিত হচ্ছে অটোমেটেড ডিজিটাল পদ্ধতিতে। ইতিমধ্যেই চট্টগ্রাম বন্দরে চালু হয়েছে অটোমেশন। অনলাইনে শেয়ার বাজার ও ব্যাংকিং কর্মকাণ্ডসহ বিশ্ববিদ্যালয় গুলোতে ভর্তির জন্য আবেদনপত্র সংগ্রহ ও জমা দেয়ার পাশাপাশি ওয়েবসাইটে পাওয়া যাচ্ছে পরীক্ষার ফলাফল। ফলে অপারেটর, প্রোগ্রামার, হার্ডওয়্যার-সফটওয়্যার ইঞ্জিনিয়ার পদে বহুলোকের কর্মসংস্থানেও সৃষ্টি হয়েছে। (Translate into English)
1 Answers 4 Views
আমরাজানি, কোভিত-১৯ মহামারির সময়েতথ্যপ্রযুক্তিভিত্তিক লেনদেন আমাদের সহযোদ্ধা হয়ে দাঁড়িয়েছিল। তবেসাধারণ মানুষ যথেষ্ট প্রযুক্তিবান্ধব না হওয়ার কারণেপ্রাথমিক পর্যায়ে অসুবিধা হয়েছে অনেকের। এ সময় প্রযুক্তিরসঙ্গে পরিচিত হতে বাধ্য হয়েছিআমরা। অনেক নারী পুরুষএখন তথ্যপ্রযুক্তিভিত্তিক লেনদেন করছেন। এ পরিবর্তনের সুফলপেতে শুরু করেছে দেশেরব্যাংক এবং আর্থিক প্রতিষ্ঠানগুলো।ব্যাপকহারে তথ্যপ্রযুক্তির ব্যবহার নিশ্চিত করা গেলে ব্যাংকব্যাবসা ভাল হবে। তবেতার জন্য দরকার প্রয়োজনীয়ও সঠিক অবকাঠামো এবংদক্ষ জনবল। আর এ বিষয়টিনিশ্চিত করার জন্য প্রয়োজন সঠিক নেতৃত্ব। আমরা যদি এখনতথ্যপ্রযুক্তির ব্যবহার নিশ্চিত করতে না পারি, তাহলে বিশ্বায়ন প্রক্রিয়ায় টিকে থাকা কঠিন হবে। তথ্যপ্রযুক্তিভিত্তিক রূপান্তরের সুবিধা পাবে দেশের সাধারনমানুষ। (Translation [Bangla to English])
1 Answers 6 Views