1 Answers

ইপিজেড হলো রপ্তানি প্রক্রিয়াকরণ এলাকা। ইংরেজিতে EPZ এর পূর্ণরূপ Export Processing Zone, বাংলাদেশে প্রথম ইপিজেড স্থাপিত হয় চট্টগ্রামে ১৯৮৩ সালে। এরপর বাংলাদেশে গত তিন দশকে ইপিজেড ৮টি হয়েছে। সর্ববৃহৎ ইপিজেড চট্টগ্রাম ৷ সর্বশেষ ইপিজেড কর্ণফুলী ইপিজেড। দেশের ইপিজেড গুলো ব্যবস্থাপনা কারী কর্তৃপক্ষ হলো বাংলাদেশ রপ্তানি প্রক্রিয়াকরণ অঞ্চল কর্তৃপক্ষ (বেপজা)। এটি সরাসরি প্রধানমন্ত্রীর কার্যালয়ের নিয়ন্ত্রণাধীন। ইপিজেড প্রতিষ্ঠার লক্ষ্যে ১৯৮০ সালে বেপজা গঠন করা হয়। বাংলাদেশের অর্থনৈতিক উন্নয়নে সরকারি ও বেসরকারি ইপিজেড গুলোর ভূমিকা অপরিসীম। ইপিজেডের কারণে রপ্তানি সম্প্রসারিত হচ্ছে এবং বৈদেশিক মুদ্রা উপার্জিত হচ্ছে এবং দেশের জনশক্তির জন্য কর্মসংস্থানের সুযোগ তৈরি হয়েছে। ইপিজেডগুলোতে মোট বিনিয়োগের পরিমাণ ২৭৯ কোটি মার্কিন ডলার। আর ত্রিশ বছরে রপ্তানির পরিমাণ ৩৪৫০ কোটি ডলার। আট ইপিজেডে উৎপাদনে থাকা ৪১৯টি প্রতিষ্ঠান পৌনে চার লাখ মানুষের কর্মসংস্থান হয়েছে। এর মধ্যে ৬৪% নারী। দেশের অর্থনীতিতে অন্য শিল্প প্রতিষ্ঠানের তুলনায় রপ্তানি প্রক্রিয়াজাতকরণ অঞ্চল ভিত্তিক শিল্প প্রতিষ্ঠানের অবদান বেড়ে চলছে । বাড়ছে বিদেশী বিনিয়োগ, তৈরি হচ্ছে ব্যাপক কর্মসংস্থান। দেশের অর্থনীতিতে প্রাণসঞ্চারে ইপিজেড গুলোর ভূমিকা অপরিসীম। সরকারের বিনিয়োগ মুখী নীতি ও কৌশল গ্রহণের ফলে দেশি-বিদেশি বিনিয়োগকারীরা বিনিয়োগ মানচিত্রে ক্রমেই মোট বিনিয়োগের সঙ্গে রীতিমত প্রতিযোগিতা শুরু করে দিয়েছে। এসব প্রতিষ্ঠানে দিন দিন বাড়ছে বিদেশি বিনিয়োগের পরিমাণ। তৈরি হচ্ছে প্রচুর কর্মসংস্থান।

4 views

Related Questions

বাংলাদেশের তথ্যপ্রযুক্তি খাতে অন্যতম প্রতিশ্রুতিশীল ও সুসংগঠিত প্রতিষ্ঠান হচ্ছে বাংলাদেশ অ্যাসোসিয়েশন অব সফ্টওয়্যার অ্যান্ড ইনফরমেশন সার্ভিসেস (বেসিস)। দিন দিন আমাদের দেশের ইন্টারনেট ব্যবহারকারী বেড়েই চলেছে। এই ইন্টারনেট সবাই যাতে ইতিবাচক হিসেবে ব্যবহার করে, সে ক্ষেত্রে বেসিস অসামান্য ভূমিকা পালন করতে পারে। সম্প্রতি দেশের মুঠোফোন অপারেটরগুলো ফোরজির লাইসেন্স পেয়েছে। এটা আমাদের দেশের তথ্যপ্রযুক্তির জন্য একটি বড় মাইলফলক হিসেবে বিবেচিত হয়েছে। কারণ, ইন্টারনেটের ধীরগতি এটা ব্যবহার করতে অনেক সমস্যার সৃষ্টি করত। দেশের সর্বত্র সবার মধ্যে তথ্যপ্রযুক্তির আলো ছড়িয়ে দিতে একটি সুসংগঠিত সংঘঠন হিসেবে বেসিসকে আরও বলিষ্ঠ ভূমিকা রাখতে হবে। (Bangla to English)
1 Answers 6 Views
চলতি বছরের প্রথম ৯ মাসে যুক্তরাষ্ট্রের বাজারে ৪১৬ কোটি ৮০ লাখ ডলারের তৈরি পোশাক রপ্তানি করেছে বাংলাদেশ। এটি গত বছরের একই সময়ে রপ্তানি হওয়া ৩৯০ কোটি ৮১ লাখ ডলারের চেয়ে ৫ দশমিক ৮৪ শতাংশ বেশি। শুধু প্রবৃদ্ধি নয়, যুক্তরাষ্ট্রে বাজার হিসাবেও এগিয়েছে বাংলাদেশ। যুক্তরাষ্ট্র ও চীনের মধ্যে চলছে বাণিজ্যযুদ্ধ। বাণিজ্যযুদ্ধের কারণে চীনে পোশাক উৎপাদনের খরচ বাড়তে পারে এবং মার্কিন ক্রেতাপ্রতিষ্ঠানের অনেক ক্রয়াদেশ বাংলাদেশ, ভিয়েতনাম, কম্বেডিয়া ও ভারতে যাবে। ইতিমধ্যে নতুন নতুন ক্রেতারা আমাদের উদ্যোক্তাদের সঙ্গে কথাবার্তা বলা শুরু করেছেন। পুরোনো ক্রেতারা ক্রয়াদেশ বাড়চ্ছেন। ভিয়েতনামের চেয়ে রপ্তানিতে বেশ পিছিয়ে থাকলেও প্রবৃদ্ধিতে অনেকটা কাছাকাছি চলে এসেছে তৃতীয় শীর্ষ রপ্তানিকারকে দেশ বাংলাদেশ। সামনের মাসগুলোতে রপ্তানি পরিমাণে বৃদ্ধি পাবে বলে প্রত্যাশাও করছেন তৈরি পোশাকশিল্প মালিকেরা। (Translate into English)
1 Answers 5 Views
বাংলাদেশ অমিত সম্ভাবনার দেশ। গত বিশ বছরে বাংলাদেশের অর্থনীতির প্রবৃদ্ধির হার ৪.৫ শতাংশ থেকে বৃদ্ধি পেয়ে ৭.৮ শতাংশের অধিক হয়েছে। একই সময়ে জনসংখ্যা বৃদ্ধির হার ২.০ শতাংশ থেকে হ্রাস পেয়ে ১.২৫ শতাংশে দাঁড়িয়েছে। দুটো উপাদান বাংলাদেশের অর্থনীতির দ্রুত প্রবৃদ্ধি ও ব্যাপক দারিদ্রা হ্রাসের পেছনে প্রধান চালিকাশক্তির কাজ করেছে। একটি হলো রপ্তানি আয়ের অব্যাহত প্রবৃদ্ধি; আরেকটি হলো প্রবাসী বাংলাদেশিদের আয়ের ব্যাপক প্রবাহ। উল্লেখ্য বাংলাদেশ গত দশ বছরে ১০০ বিলিয়ন ডলারের বেশি রেমিটেন্স পেয়েছে। বিশ্বের নীতিনির্ধারকগণ বাংলাদেশকে তাই দ্রুততর অর্থনৈতিক প্রবৃদ্ধির দেশের সারিতে বিবেচনা করেন। (Translate into English)
1 Answers 4 Views