1 Answers
জনাব রইস উদ্দীন আইন প্রয়োগের ক্ষেত্রে যেসব বিষয়ের ওপর গুরুত্ব দেন সেগুলোকে আইনের উৎস বলা হয়।
আইন বিভিন্ন উৎস থেকে সৃষ্ট। আইনের উৎসগুলোর মধ্যে প্রথা, ধর্ম, আইনবিদদের গ্রন্থ, বিচারকের রায়, ন্যায়বোধ, আইনসভা প্রভৃতি অন্যতম। দীর্ঘকাল যাবৎ কোনো নিয়ম সমাজে চলতে থাকলে তাকে প্রথা বলে। আর যেসকল প্রথা রাষ্ট্র কর্তৃক স্বীকৃতি লাভ করে সেগুলো আইনে পরিণত হয়। যেমন- ব্রিটেনের অনেক আইন প্রথার উপর ভিত্তি করে সৃষ্টি হয়েছে। ধর্মীয় অনুশাসন ও ধর্মগ্রন্থ আইনের অন্যতম উৎস। ধর্মীয় অনুশাসনের অনেক কিছুই রাষ্ট্র কর্তৃক স্বীকৃতি লাভ করে আইনে পরিণত হয়েছে। বাংলাদেশের পারিবারিক ও সম্পত্তি আইনের অনেক ধারা মুসলিম আইন ও হিন্দু আইন থেকে এসেছে। আবার বিচারকরা বিচারকার্য করতে গিয়ে আইন সংক্রান্ত সমস্যায় পড়লে তা সমাধানের জন্য আইন বিশারদদের বিজ্ঞানসম্মত গ্রন্থের সাহায্য গ্রহণ করে যা পরবর্তীতে আইনে পরিণত হয়। এ রকম একটি গ্রন্থ হলো, অধ্যাপক এ ভি ডাইসির 'ল অব দ্যা কনস্টিটিউশন।'
উপরোক্ত বিষয়গুলো আইনের উৎস হিসেবে স্বীকৃত। উদ্দীপকে বিচারপতি জনাব রইস উদ্দিন ও বিচার কাজ সম্পাদন করতে রাষ্ট্রীয় প্রথা মুসলিম ও হিন্দু আইন এবং অধ্যাপক ডাইসির আইন গ্রন্থসহ অন্যান্য আইনবিদদের গ্রন্থের আশ্রয় নিয়ে থাকেন। এর সবই আইনের উৎস হিসেবে স্বীকৃত।