1 Answers

বীজের জীবনীশক্তি বজায় রাখার জন্য উদ্দীপকে বীজ সংরক্ষণ পদ্ধতির কথা বলা হয়েছে।
বীজ সংরক্ষণের জন্য বীজে আর্দ্রতার মাত্রা কমিয়ে ১২-১৩% রাখতে হয়। কেননা বীজের আর্দ্রতা যদি নির্দিষ্ট মাত্রার বেশি বা কম থাকে তাহলে তা সংরক্ষিত বীজের জীবনীশক্তি নষ্ট করে দেয়। বাংলাদেশে বীজ সংরক্ষণের বিভিন্ন পদ্ধতি রয়েছে। দানাজাতীয় শস্যের বীজ সংরক্ষণের জন্য চটের বস্তা, গোলা ইত্যাদি ব্যবহার করা হয়। বীজ পোকার আক্রমণ থেকে বীজকে রক্ষা করতে চটের বস্তায় নিমের পাতা, নিমের শিকড়, আপেল বীজের গুঁড়া, বিশকাটালি ইত্যাদি মিশানো হয়। আবার গোলায় বীজ সংরক্ষণের জন্য গোলার ভিতরে ও বাইরে গোবর ও মাটির মিশ্রণের প্রলেপ দিতে হয়। বীজের পরিমাণের উপর ভিত্তি করে গোলার আয়তন নির্ধারণ করা হয়। গোলাতে বীজ এমনভাবে সংরক্ষণ করতে হয় যেন এর ভিতরে কোনো বাতাস না থাকে। বীজ রাখার পর গোলার মুখ বন্ধ করে এর উপর গোবর ও মাটির মিশ্রণের প্রলেপ দেওয়া হয়।
বীজের জীবনীশক্তি বজায় রাখতে উল্লিখিতভাবে বীজ সংরক্ষণ করতে হবে।

6 views

Related Questions