1 Answers
বর্তমান বিশ্বের সবচেয়ে আলোচিত ও গুরুত্বপূর্ণ বিষয় তথ্য ও যোগাযোগ প্রযুক্তি। এর ব্যবহার আজ বিশ্বের প্রায় সর্বত্র দৃশ্যমান।
শিল্পবিপ্লব পরবর্তী পৃথিবীতে সবচেয়ে উল্লেখযোগ্য ঘটনা হলো তথ্য ও যোগাযোগ প্রযুক্তির উন্নয়ন। এর ফলে গোটা বিশ্ব আজ গ্লোবাল ভিলেজে পরিণত হয়েছে। তথ্যপ্রযুক্তি দূরকে কাছে এনেছে আর অসাধ্যকে করেছে সাধন।
গত দুই দশকে বিশ্বজুড়ে তথ্যপ্রযুক্তির কারণে যে অভাবনীয় পরিবর্তন ঘটেছে, বাংলাদেশও এ জীয়নকাঠির স্পর্শে ধীরে ধীরে জেগে উঠেছে। গত দশ বছরে এ দেশে তথ্যপ্রযুক্তির উল্লেখযোগ্য বিকাশ ঘটেছে। তথ্যপ্রযুক্তি যে বাংলাদেশের জন্যও সম্ভাবনাময় প্রযুক্তি, এ কথা আজ সবাই উপলব্ধি
করছে। তরুণ প্রজন্ম, বিশেষ করে স্কুল, কলেজ ও বিশ্ববিদ্যালয়ের
শিক্ষার্থীরা তথ্যপ্রযুক্তির ব্যাপারে খুবই আগ্রহ প্রকাশ করছে। কেননা, স্কুল
থেকে শুরু করে বিশ্ববিদ্যালয় পর্যন্ত কম্পিউটার শিক্ষা কার্যক্রম প্রবর্তন করা
হয়েছে। কম্পিউটারের মাধ্যমে তাদের শিক্ষা প্রদান করা হচ্ছে। এর ফলে
তথ্যপ্রযুক্তির ব্যবহার যেমন বেড়েছে, তেমনি শিক্ষাক্ষেত্রও ধীরে ধীরে অগ্রসর
হচ্ছে। অর্থনৈতিক জীবনযাত্রায়ও তথ্যপ্রযুক্তির ব্যাপক ব্যবহার লক্ষণীয়।
তথ্যপ্রযুক্তিকে মূলধন হিসেবে ব্যবহার করে এবং মেধা ও শ্রমকে কাজে
লাগিয়ে বিশ্বের অনেক দেশ এগিয়ে যাচ্ছে। বাংলাদেশে নানা প্রতিকূলতা
থাকা সত্ত্বেও তথ্যপ্রযুক্তি খাত বাংলাদেশের উন্নয়নে বিভিন্নভাবে অবদান
রাখছে। দেশে কম্পিউটার সফটওয়্যার তৈরি বেশ বেড়েছে। এমনি করে
কর্মসংস্থান সৃষ্টি, জাতীয় তথ্য অবকাঠামো গঠন, টেলিযোগাযোগ ব্যবস্থার
- উন্নয়ন, মানবসম্পদ উন্নয়ন, ব্যাংকিং ব্যবস্থাসহ সর্বক্ষেত্রে তথ্যপ্রযুক্তির
ব্যবহার আজ ব্যাপক লক্ষণীয়। তাই বলা যায়, তথ্য ও যোগাযোগ প্রযুক্তির
= ব্যবহার আজ প্রায় সর্বত্র পৌঁছে গেছে।