1 Answers

এক সময় উদ্দীপকে নির্দেশিত মামলাটি অর্থাৎ আগরতলা মামলাটি পাকিস্তান সরকার প্রত্যাহার করতে বাধ্য হয়।

পূর্ব পাকিস্তানে আগরতলা মামলার প্রধান আসামি বাবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমানের মুক্তি ও আগরতলা মামলা প্রত্যাহারের দাবি জোরদার হয়।
ধীরে ধীরে পূর্ব পাকিস্তানের গণবিক্ষোভ ১৯৬৯ সালে এসে গণ- অভ্যুত্থানে রূপান্তরিত হয়। এরই মধ্যে ১৯৬৯ সালের ১৫ ফেব্রুয়ারি আগরতলা মামলার অন্যতম অভিযুক্ত সার্জেন্ট জহুরুল হককে গুলি করে হত্যা করা হয়। তার মৃত্যুর খবর প্রকাশিত হলে সমগ্র পূর্ব পাকিস্তানে আন্দোলন আরও উত্তাল হয়ে ওঠে। পরিস্থিতি শান্ত করতে প্রেসিডেন্ট আইয়ুব খান ১৯ ফেব্রুয়ারি ১৯৬৯ সালে রাওয়ালপিন্ডিতে একটি গোল টেবিল বৈঠকের আহ্বান করেন এবং বৈঠকে বঙ্গবন্ধুকে যোগদানের জন্য প্যারোলে মুক্তিদানের প্রস্তাব করেন। কিন্তু মওলানা ভাসানীসহ পূর্ব- পাকিস্তানের জনগণ সরকারি প্রস্তাব প্রত্যাখ্যান করে। অবশেষে আইয়ুব সরকার পূর্ব পাকিস্তানের জনগণের কাছে নতিস্বীকার করে আগরতলা মামলা প্রত্যাহার করে নেয়। ফলে ২২ ফেব্রুয়ারি ১৯৬৯ সালে বঙ্গবন্ধুসহ অভিযুক্ত সকলে মুক্তি লাভ করেন।
উপরের আলোচনার পরিপ্রেক্ষিতে বলা যায় যে, ১৯৬৯ সালের গণ- অভ্যুত্থানের ফলে আইয়ুব সরকার আগরতলা মামলা প্রত্যাহার করতে বাধ্য হয়।

4 views

Related Questions

মানবাধিকার হচ্ছে সেসব অধিকার যা জাতীয়তা, লিঙ্গ, বর্ণ, ধর্ম, ভাষা অথবা অন্য যে কোন অবস্থান নির্বিশেষে মানুষের নিকট অন্তর্নিহিত। বস্তুতঃ মানবাধিকার বলতে কিছু নৈতিক রীতিনীতি বা নিয়ম যা মানব আচরণের নির্দিষ্ট কিছু মানদণ্ডগ্র বোঝায়। আন্তর্জাতিক আইনে মানবাধিকারকে আইনগত অধিকার হিসেবে রক্ষা করা হয়। এই পৃথিবীতে প্রতিটি অন্ন, বস্ত্র, বাসস্থান, শিক্ষা এবং স্বাস্থ্যসেবা পাওয়ার অধিকার রয়েছে। এই অধিকারগুলোকে মৌলিক মানবাধিকার হিসেবে গণ্য করা হয়। আমাদের দেশের বহু মানুষ মৌলিক মানবাধিকারসমূহ থেকে বঞ্চিত। আমাদের দরিদ্র শিশুরা বলেন স্বাস্থ্যসেবা ও শিক্ষা থেকে বঞ্চিত। অনেক পথশিশু রয়েছে যারা আশ্রয়হীন। এইসব ছোটছোট বাচ্চাদেরকে বেঁচে থাকার জন্য অর্থ উপার্জন করতে হয়। এ ধরনের পরিস্থিতি শিশুশ্রম বৃদ্ধি করে। (Translation: Bangla to English)
1 Answers 6 Views