1 Answers
বুহাইরির মতো দেশপ্রেমের কারণে মীর কাশিমের সাথে ইস্ট ইন্ডিয়া কোম্পানির যুদ্ধ সংঘটিত হয়েছিল।
মীর জাফরকে ক্ষমতা থেকে সরানোর পর ইস্ট ইন্ডিয়া কোম্পানি মীর কাশিমকে বাংলার সিংহাসনে বসায়। মীর কাশিম ছিলেন একজন দেশপ্রেমিক ও স্বাধীনচেতা শাসক। তিনি তার প্রজাদের খুবই ভালবাসতেন। এজন্য তিনি প্রজাদের কল্যাণের প্রতি সচেতন ছিলেন। তিনি প্রথমে প্রশাসনকে ইংরেজদের রাজনৈতিক হস্তক্ষেপ ও প্রভাবমুক্ত করার উদ্যোগ নেন। ইংরেজরা "দস্তক” নামক ছাড়পত্রের অপব্যবহার করলে দেশীয় ব্যবসায়ীদের সুবিধার্থে সবার জন্য আন্তঃবাণিজ্য শুল্ক উঠিয়ে দেন। এতে ইংরেজদের একচেটিয়া ব্যবসায় অসুবিধা হয় এবং তারা ক্ষুব্ধ হয়। পরবর্তীতে মীর কাশিম দেশ ও জনগণের স্বার্থে আরও কিছু পদক্ষেপ গ্রহণ করলে ইংরেজদের সাথে তার যুদ্ধ অনিবার্য হয়ে উঠে। অবশেষে তিনি ১৭৬৪ সালে বক্সারের যুদ্ধে ইংরেজদের কাছে পরাজিত হন। মূলত দেশ ও জনগণের স্বার্থে কাজ করতে গিয়েই মীর কাশিম ইংরেজ কোম্পানির সাথে যুদ্ধে জড়িয়ে পড়েন।
একইভাবে দৃশ্যকল্প-২-এ দেখা যায় উগান্ডার আরুয়া প্রদেশের মেয়র
মুহম্মদ বুহাইরি চীনা কোম্পানির সম্প্রসারণনীতির বিরুদ্ধাচরণ করায় তার সাথে কোম্পানির দ্বন্দ্ব বেঁধে যায়। বাংলার নবাব মীর কাশিমের মতো তিনিও দেশ ও জনপদের স্বার্থরক্ষা করতে গিয়ে চীনা কোম্পানির সাথে যুদ্ধে জড়ান ও পরাজিত হন।
উপরের আলোচনা থেকে এটাই প্রতীয়মান হয় যে, উদ্দীপকের বুহাইরির মতোই দেশ ও জনগণকে ভালোবাসার কারণে মীর কাশিমের সাথে ইস্ট ইন্ডিয়া কোম্পানির যুদ্ধ হয়।