1 Answers
উদ্দীপকে সম্পত্তি ভাগাভাগির সাথে ব্রিটিশ ইস্ট ইন্ডিয়া কোম্পানির দ্বৈত শাসনের মিল লক্ষণীয়।
রবার্ট ক্লাইভ দেওয়ানি সনদের নামে বাংলার সম্পদ লুঠ করার একচেটিয়া ক্ষমতা লাভ করে। দিল্লি কর্তৃক বিদেশি বণিক কোম্পানিকে এই অভাবিত ক্ষমতা প্রদানে সৃষ্টি হয় দ্বৈত শাসনের। যার ফলে কোম্পানি লাভ করে দায়িত্বহীন ক্ষমতা এবং নবাব পরিণত হন ক্ষমতাহীন শাসকে। অথচ নবাবের দায়িত্ব থেকে যায় ষোলআনা। ফলে বাংলায় এক অভূতপূর্ব প্রশাসনিক জটিলতার সৃষ্টি হয়।
উদ্দীপকে তমাল ও কায়সার একই সংসারের হলেও তমাল শুধুমাত্র দোকান পরিচালনার দায়িত্ব নেয়। কেননা দোকান আয়ের উৎস। অন্যদিকে কায়সারকে সংসার পরিচালনার দায়িত্ব দেওয়া হয়। কিন্তু কায়সার নির্ধারিত অর্থে সংসারের বিভিন্ন দায়িত্ব পালন করতে হিমশিম খায়। তমাল সুষ্ঠুভাবে সংসার পরিচালনায় ব্যর্থতার অভিযোগে কায়সারকে দায়ী করে। উদ্দীপকের এ ঘটনা বাংলাদেশের ইতিহাসে ব্রিটিশদের গৃহীত নীতি দ্বৈত শাসনের সাথে সাদৃশ্যপূর্ণ। এ ব্যবস্থায় ব্রিটিশ ইস্ট ইন্ডিয়া কোম্পানি বাংলার রাজস্ব আদায়ের ক্ষমতা লাভ করে এবং নবাবের হাতে থেকে যায় রাজ্য শাসনের দায়িত্ব। তাই বলা যায়, উদ্দীপকের সম্পত্তি ভাগাভাগির সাথে ব্রিটিশ ইস্ট ইন্ডিয়া কোম্পানির গৃহীত দ্বৈত শাসন নীতির মিল রয়েছে।