1 Answers

সুমনের পরাজয়ের সাথে নবাবি শাসনামলের ঐতিহাসিক ঘটনা পলাশি যুদ্ধের পটভূমির মিল পাওয়া যায়।
আলীবর্দি খানের মৃত্যুর পর মাত্র ২২ বছর বয়সে নবাব সিরাজউদ্দৌলা সিংহাসনে বসেন। সিংহাসনে বসার পর থেকে তাকে নানামুখী ষড়যন্ত্র ও সমস্যা মোকাবেলা করতে হয়। নবাবের খালা ঘসেটি বেগম তার বিরুদ্ধে ষড়যন্ত্রে লিপ্ত হন। এ ষড়যন্ত্রে আরও যোগ দেন ঘসেটি বেগমের দেওয়ান রাজা রাজবল্লভ, পূর্ণিয়ার শাসনকর্তা সিরাজের খালাতো ভাই শওকত জঙ্গ এবং অন্যরা। দেশি-বিদেশি বণিক শ্রেণি, নবাবের দরবারের প্রভাবশালী রাজন্যবর্গ ও অভিজাত শ্রেণি, নবাবের সেনাপতি মীর জাফরসহ আরো অনেকে নবাবের বিরুদ্ধে ষড়যন্ত্রে জড়িত ছিল। এই ষড়যন্ত্রকারীরা পলাশি যুদ্ধের পটভূমি তৈরি করতে ভূমিকা রেখেছিল।
উদ্দীপকের সুমন 'ক' রাষ্ট্রের রাজক্ষমতায় আরোহণ করেই নিকট স্বজনদের ষড়যন্ত্রের শিকার হন। তারা সুমনকে ক্ষমতাচ্যুত করার জন্য বিদেশি বণিকদের সাথে গোপনে হাত মেলায়। ফলে বিদেশি বণিকগণ বেপরোয়া হয়ে উঠলে সুমনের সাথে যুদ্ধ বাঁধে এবং তিনি পরাজিত হন। উদ্দীপকের এ ঘটনার সাথে উপরে আলোচিত পলাশি যুদ্ধের পটভূমি সাদশ্যপূর্ণ। তাই বলা যায়, সুমনের পরাজয়ের সাথে ঐতিহাসিক পলাশি যুদ্ধের পটভূমির মিল রয়েছে।

5 views

Related Questions