1 Answers
উদ্দীপকে আর্যদের আগমনের আগে হিন্দুদের বৈদিক ধর্ম পালনের ইঙ্গিত দেওয়া হয়েছে।
প্রাচীন বাংলায় বৈদিক ধর্ম প্রতিষ্ঠার আগে অন্য কোনো ধর্মমত ছিল কি না, সে সম্পর্কে স্পষ্ট কোনো ধারণা পাওয়া না গেলেও তৎকালীন ক্ষুদ্র নৃগোষ্ঠীর লোকদের ধর্মবিশ্বাস থেকে বৈদিক ধর্মের প্রভাব সম্পর্কে কিছুটা আঁচ করা যায়। সে সময় ক্ষুদ্র নৃগোষ্ঠীর লোকেরা পূজা-অর্চনা, ভয়-ভক্তি ও সংস্কারে বিশ্বাসী ছিল। এখনো বাংলাদেশের গ্রামে-গঞ্জে নারী জাতির মধ্যে প্রচলিত বৃক্ষপূজা, পূজা-পর্বণে আম্রপল্লব, ধানছড়া, দূর্বা, কলা, পান-সুপারি, নারকেল, ঘট, সিঁদুর প্রভৃতির ব্যবহার ক্ষুদ্র নৃগোষ্ঠীর লোকদের মধ্যে দেখা যায়। একইভাবে মনসাপূজা, শ্মশান কালীর পূজা, বনদুর্গাপূজা, ষষ্ঠী পূজা প্রভৃতি ক্ষুদ্র নৃগোষ্ঠীর লোকদের ধর্মীয় অনুষ্ঠানেরই পরিচয় বহন করে।
উদ্দীপকে লক্ষণীয়, রায়বাহাদুর বাড়ির কালীমন্দিরে প্রতিবছর ঘটা করে পাঁঠা বলি দেওয়া হয়। সেখানে দূরদূরান্ত থেকে নিমন্ত্রণ পেয়ে ব্রাহ্মণরা জড়ো হন, এই কালীমন্দিরে পাঁঠা বলি দেওয়া হিন্দুধর্ম শাস্ত্রের একটি পালনীয় সংস্কৃতি, যা হিন্দুদের বৈদিক ধর্মে দেখা যায়। তাই বলা যায়, উদ্দীপকে হিন্দুদের বৈদিক ধর্ম পালনের ইঙ্গিত রয়েছে।