1 Answers
উদ্দীপকের শিশুটি দুই বছর বয়সেও হাঁটতে পারে না। তাই তাকে শারীরিক প্রতিবন্ধী বলা যায়। বেশির ভাগ শারীরিক প্রতিবন্ধিতা শিশু জন্মের পর চোখে দেখেই বোঝা যায়। আবার কিছু শারীরিক প্রতিবন্ধিতা শিশুর বেড়ে ওঠার সাথে সাথে প্রকাশ পায়।
শারীরিক প্রতিবন্ধিতার শ্রেণিবিভাগ নিচে দেয়া হলো-
১. ঠোঁট কাটা- এ ধরনের প্রতিবন্ধীদের উপরের ঠোঁট ঠিক মতো গঠিত হয় না। ঠোঁটে ফাঁকা থাকে। ফলে শিশুর খাদ্য গ্রহণে ও কথা বলতে সমস্যা হয়।
২. কাটা তালু- এ ধরনের প্রতিবন্ধীদের মুখের ভিতরের উপরের দিকে তালুর হাড় ও মাংসপেশি ঠিকমতো গঠিত হয় না। ফলে খাদ্য গ্রহণ, কথা বলা এবং শোনার ক্ষেত্রেও সমস্যা হয়।
৩. মুগুর পা- মুগুর পায়ের ক্ষেত্রে একটি বা উভয় পা ভিতর বা পিছন দিকে বাঁকানো থাকে।
৪. স্পাইনা বিফিটা-এ ধরনের প্রতিবন্ধিতায় মেরুদণ্ডের হাড় ঠিকমতো জোড়া লাগে না। ফলে মেরুরজ্জু পিঠের দিকে থলির মতো ফুলে ওঠে। যার কারণে হাঁটাচলায় অসুবিধা হয়।
৫ . সেরেব্রাল পলসি- সেরেব্রাল পলসি প্রতিবন্ধিতায় জন্মের সময় শিশুকে শিথিল বা নেতানো মনে হয়। বয়স বৃদ্ধির সাথে সাথে তারা অন্য শিশুদের মতো হাত-পা নাড়াচাড়া করতে পারে না। তাদের মাথা তোলা, বসা ইত্যাদি খুব ধীরগতিতে হয়। এসব শিশুর দুধ চুষতে ও গিলতে অসুবিধা হয়।