1 Answers
ধর্মীয় প্রতিষ্ঠান ব্যক্তির বিবেকবোধ ও চেতনাকে জাগ্রত করে এবং পারস্পরিক বন্ধন সুদৃঢ় করে। শিশুদের বাহ্যিক আচার- ব্যবহারকে সংযত করে এবং নৈতিক উন্নতি সাধন করে। ধর্মীয় অনুষ্ঠানে অংশগ্রহণের মাধ্যমে সামাজিক মূল্যবোধ ও ব্যক্তিত্ব বিকশিত হয়। বিভিন্ন সেবামূলক কাজে আত্মনিয়োগে অনুপ্রাণিত করে। সম্প্রীতির শিক্ষা মনের সংকীর্ণতা দূর করে।
তাই বলা যায়, শিশুর সামাজিকীকরণে ধর্মীয় প্রতিষ্ঠানের প্রভাব গুরুত্বপূর্ণ।
5 views
Answered