1 Answers
চিকিৎসা বিজ্ঞানে চরক ও সুশ্রুতের অবদান অপরিসীম।
সুশ্রুত প্রাচীন ভারতের একজন মহান চিকিৎসক ছিলেন। সুশ্রুত দিবোদাসের নিকট আয়ুর্বেদ শিখে চিকিৎসাসংক্রান্ত একখানা গ্রন্থ রচনা করেন। এটি সুশ্রুতসংহিতা নামে পরিচিত। আধুনিক গবেষকদের মতে সুশ্রুত খ্রিষ্টপূর্ব ৬০০ অব্দে বর্তমান ছিলেন। তিনি প্রধানত শল্যবিদ্যার চর্চা করতেন। এজন্য তাঁকে বলা হয় 'ভারতীয় শল্যবিদ্যার জনক। তিনি তাঁর গ্রন্থে শল্যবিদ্যার ৩০০ প্রকার পদ্ধতি এবং ১২০টি অস্ত্রের বর্ণনা দিয়েছেন। আবার, চরকও ছিলেন প্রাচীন ভারতের মহান চিকিৎসক। তাঁকে ভারতীয় 'চিকিৎসার জনক' বলা হয়। চিকিৎসা শুরু করার অল্পদিনের মধ্যেই তিনি একজন সুচিকিৎসক হিসেবে খ্যাতি লাভ করেন। তাঁর পূর্বে আত্রেয়, অগ্নিবেশ প্রমুখ আর ও চিকিৎসক ছিলেন। চরকই প্রথম মানব দেহের পরিপাক, বিপাক ও রোগ প্রতিরোধের ক্ষমতা সম্পর্কে বলেন। তিনি শরীরের কার্যকারিতার জন্য তিনটি দোষ বা উপাদানের কথা বলেছেন।